ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১২ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রাহায়ণ ২৭ ১৪২৬

ব্রেকিং:
কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুনে নিহত ৮
সর্বশেষ:
মওলানা ভাসানীর জন্মদিন আজ আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস

লামায় সাংগ্রাই’২০২০ উদ্যাপনের মতবিনিময় ও প্রস্তুতি সভা

মংছিংপ্রু, লামা (বান্দরবান)

প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর ২০১৯  

পঠিত: ১৬

বান্দরবানের লামা উপজেলায় কেন্দ্রীয়ভাবে “মহা সাংগ্রাই পোয়েঃ ২০২০খ্রীঃ” উদ্যাপনে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মংক্যহ্লা মার্মাকে আহবায়ক ও পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মংছিংপ্রুকে উদযাপন কমিটি’র সদস্য সচিব পদে নির্বাচিত করে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২২ নভেম্বর) সকালে লামা প্রেসক্লাব কনফারেন্স রুমে লামা উপজেলা’র মারমা যুব সমাজ আয়োজনে ২য় মতবিনিময় ও প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত সকলের সিদ্ধান্ত ক্রমে আহবায়ক ও সদস্য সচিব পদ নির্বাচন করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট লামা উপজেলার কেন্দ্রীয় ‘‘মহা সাংগ্রাই পোয়েঃ ২০২০খ্রী’’ উদ্যাপন কমিটি’র গঠন করা হয়।   

লামা পৌর সভার ২৯৩ নং ছাগল খাইয়া মৌজার হেডম্যান মংক্যচিং মার্মা সভাপতিত্বে এই মতবিনিময় ও প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন, লামা পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মংছিংপ্রু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মংক্যহ্লা, পৌর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি উনাই সাং, সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ক্য¤্রাসিং ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী মংচাথুই। এছাড়া, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, সরকারি চাকরিজীবি, মাতামুহুরী সরকারি কলেজের অধ্যায়নরত ছাত্র-ছাত্রী, বিভিন্ন পাড়া-ইউনিয়ন থেকে আগত যুব সমাজ ও উন্নয়ন কর্মীবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মংছিংপ্রু সভা শুরুতেই কেন্দ্রীয়ভাবে এই সাংগ্রাই পোয়েঃ ২০২০ইং উদ্যাপনে তাতপর্য, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মার্মা ও রাখাইন সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই পোয়েঃ মৈত্রী পানি খেলা একটি সম্প্রীতি ও সামাজিক উৎসব। লামা উপজেলায় ছোট নুনারবিল পাড়াতে ২০০০ সালে সাংগ্রাই পোয়েঃ পানি খেলা শুরু হয়্। এর পর থেকে দেখা দেখি পুরো উপজেলায় যে যার সামার্থ অনুযায়ী সাংগ্রাই উদ্যাপন করে আসছে। এই উদ্যাপনের মাধ্যমে আমরা সম্প্রীতি ও সবাই একতা বদ্ধ থাকতে পারি।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মংক্যহ্লা মার্মা বলেন, সাংগ্রাই পোয়েঃ উপজেলা ব্যাপী একতা বদ্ধ হয়ে পালন করলে আমরা আমাদের একে অপরে সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন হবে। উপজেলা ও দেশে আমাদের লামা থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাথে একটি নেটওয়ার্ক তৈরী হবে। যা আমাদের বিভিন্ন অর্জনে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রাখবে।

সভার সভাপতি মংক্যচিং হেডম্যান বলেন, একটি জাতি তার ধর্ম ও সংস্কৃতিক ধরে রাখার জন্য এই মহা সাংগ্রাই পোয়েঃ অন্যতম। এই উৎসবের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী মানুষ লামা উপজেলাকে অন্যভাবে চিনবে এবং পরিচিতি লাভ করবে। তাই সবাইকে একতাবদ্ধ হয়ে উৎসব পালনের সকল প্রস্তুতির জন্য এগিয়ে আশার আহবান করেন।

 

এই বিভাগের আরো খবর