Berger Paint

ঢাকা, বুধবার   ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ১৩ ১৪২৬

ব্রেকিং:
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ
Mirzapur Tea
সর্বশেষ:
প্রধানমন্ত্রী আজ ১৭২ শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক দেবেন উত্তাল দিল্লি, নিহত ১১ চাকরিচ্যুত হলেন ঢাবির ৫ শিক্ষক আজ বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জন্মদিন উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে, নাপোলির সঙ্গে বার্সার ড্র শেরপুরে চিরকুট লিখে চতুর্থ শ্রেণির স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

লিমনোলজী- একটি প্রাথমিক পর্যালোচনা

কবির আহমেদ

প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর ২০১৯  

পঠিত: ১১৪

জীববিজ্ঞানের একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ শাখা হল পরিবেশ বিজ্ঞান-জীবজগত এবং পারিপার্শ্বিক প্রকৃতির আন্ত:সম্পর্ক। পরিবেশ বিজ্ঞান সম্পর্কে বিজ্ঞানী শেলফোর্ড (Shelford, 1929) বলেছেন, ‘জীবসমাজের বিজ্ঞান (Science of Communities).

পরিবেশ বলতে বুঝায় ভূপৃষ্ঠের উপরে, নীচে এবং এর পৃষ্ঠের স্থান ও জড়-জীবের সমাবেশ। পৃথিবীর স্থানসমূহ বৃহৎ দুটি ভাগে বিভক্ত (১) ভূমন্ডল (Lithosphere) যা ভূমি নিয়ে গঠিত (২) বারিমন্ডল (Hydrosphere) যার মধ্যে রয়েছে সাগর, মহাসাগরহ্রদ, নদনদী এবং ভূগর্ভস্থ পানি। বারিমন্ডলের উপর ভিত্তি করে যে বিজ্ঞান তাকে বলা হয় জল-বিজ্ঞান (Hydrography)। জল বিজ্ঞানকে আবার বৃহৎ দুটি ভাগে ভাগ করা যায়- সমুদ্র বিজ্ঞান (Oceanography) যা পৃথিবীর বিশাল সাগর মহাসাগরের লবনাক্ত জলরাশির সাথে সম্পর্কিত এবং ভূমধ্যস্থ জল বিজ্ঞান (Limnology) যা ব্যাপক অর্থে ভূমধ্যস্থ যাবতীয় জলরাশিকে (প্রধানত অলবনাক্ত পানি) বুঝায়।

লিমনোলজী বলতে সহজভাবে বুঝায় বিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে ভূমধ্যস্থ জলাধারে জীবজগতের অবস্থা এবং তাদের উৎপাদনে প্রভাব বিস্তারকারী বিষয়সমূহ।

জৈব উৎপাদনশীলতা বলতে জীবসমূহের গুনগত ও সংখ্যাগত মান; প্রকৃতিতে এদের অবস্থা এবং স্থিতিশীলতা বুঝায়। ভূমধ্যস্থ পানি বলতে সকল প্রকার স্থির ও সচল জলাধার এবং সেই সাথে মিঠা পানি, লোনা পানি; এর উপর প্রভাব সৃষ্টিকারী সকল প্রকার বস্তুগত ও রাসায়নিক প্রভাবকে বুঝায়। যেগুলি পারিপার্শ্বিক ভূমির সাথে সংশ্লিষ্ট। প্রভাব সৃষ্টিকারী উপাদানগুলো হল-ভৌত, রাসায়নিক, জৈবিক, আবহাওয়া ইত্যাদি বিষয়-যেগুলি জৈব উৎপাদনের বৈশিষ্ট্য ও মান নির্ধারণ করে।

লিমনোলজী আবশ্যকীয়ভাবে একটি মিশ্র বিজ্ঞান যেখানে জীবজগত ছাড়াও বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা প্রশাখায় বিস্তৃত। প্রাথমিকভাবে এটি পরিবেশ বিজ্ঞান-নির্ভর। প্রয়োজন ও সংশ্লিষ্টতা সাপেক্ষে এটি পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব, জলবিজ্ঞান, আবহাওয়া বিজ্ঞান ও অন্যান্য বিজ্ঞানের বিষয়, নীতিমালা, বিশ্লেষনপদ্ধতির সহায়তা প্রয়োজন হয়- সমস্যার সমাধানেও সিদ্ধান্ত গ্রহণে। তবে সবশেষে এর বৈশিষ্ট্য জীববিজ্ঞান ভিত্তিক।

এ বিষয়ের কেন্দ্রীয় বৈশিষ্ট্য হল জৈব-উৎপাদনশীলতা-যা এবিষয়কে একটি নির্দিষ্ট, সমন্বয়ভিত্তিক, শৃঙ্খলাপূর্ণ বিজ্ঞানে পরিণত করেছে। জলধারে উৎপাদিত বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়, কারন এর জৈব উৎপাদনশীলতার সরাসরি ফলাফল। জলাশয়গুলি তাদের উৎপাদিত জীবসমূহে গুণগত ও মানগত পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। প্রাকৃতিক জলাধারগুলির জৈব উৎপাদনশীলতার বিপুল পার্থক্য অনুধাবণ করতে হলে এগুলির প্রভাবসৃষ্টিকারী উপাদানগুলি সনাক্ত ও মূল্যায়ন করতে হবে। আধুনিক লিমনোলজীর এ বিষয়সমূহই হল আলোচ্য বিষয়।

লিমনোলজী হল ভূমধ্যস্থ জলবিজ্ঞান। প্রায়শই একে পরিবেশ বিজ্ঞানের অংশ মনে করা হয়। এই বিষয়ের অধীনে রয়েছে জৈবরাসায়নিক, ভৌত, ভূতাত্তি¡ক এবং ভূমধ্যজলাশয়সমূহের সকল বিষয়। ভূমধ্যস্থ জলাশয় বলতে স্থির ও সচল জলাধার, লবনাক্ত ও মিঠা পানি, প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট জলাশয় সবই বুঝায়। এর অধীনে রয়েছে পুকুরহ্রদ, নদী বা খাল এবং জলাভূমি। সাম্প্রতিক সময়ে লিমনোলজীর বিশেষ শাখা  Landscape Limnology যেখানে রয়েছে পর্যবেক্ষণ, ব্যবস্থাপনা, জলজ প্রতিবেশ সংরক্ষণ।

লিমনোলজী জলজ পরিবেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংশ্লিষ্ট এবং হাইড্রোবায়োলজী বা জলজ জীবের উপর পর্যবেক্ষণ করে। যদিও লিমনোলজীকে মিঠা পানির বিজ্ঞান হিসাবে পরিচিত করা হয়,তবে তা ক্ষেত্র বিশেষে ভূমধ্যস্থ লবনাক্ত পানির উপরও গবেষণা করে।

ভৌত ধর্ম (Physical Properties)

জলজ প্রতিবেশের ভৌতধর্ম নির্ভর করে কতগুলি উপাদানের উপর-তাপ, স্রো, ঢেউ এবং অন্যান্য পরিবেশগত ঋতুভিত্তিক বিষয়। জলাধারের বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে এটি কোন ধরণের জলাশয় (যথা লেক, নদী, ঝর্ণা, জলাভূমি ইত্যাদি) এবং সেই সাথে পরিবেষ্টিত ভূমির গঠনপ্রণালী। লেকের ক্ষেত্রে শ্রেণী বিন্যাসিত হয় তাদের গঠন, এলাকা এবং গভীরতার উপর। নদীর ক্ষেত্রে বিষয়টি চিহ্নিত হয় নিম্নস্তরের ভূতত্ত্ব এবং পানির স্রোতধারায়। আরেক প্রকার জলধারা যা লিমনোলজীর আওতায় আসে, তা হলো নদীর মোহনা। নদীর মোহনা হল সেই জলাধার যা নদীও সমুদ্রের সংযোগস্থলে অবস্থিত এবং তাদের মাঝে ক্রিয়াপ্রতিক্রিয়াশীল। সাধারন জলাভূমি বা আদ্রভূমি শ্রেণীকৃত তাদের আকার আকৃতি ও ধরণের উপর। সেগুলি হল বিল, ঝিল, ডোবা ইত্যাদি। এদের অনেকগুলি আবার বছরের একটা সময় পানিশূণ্য হয়ে যায়।

আলোক সম্পাত (Light Interaction)

আলোক সম্পাত হল জলধারের গভীরে আলোক প্রবেশের সীমানা এবং তার প্রভাব। আলোক প্রবেশের সীমানার উপর জলাধারের উৎপাদনশীলতা নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ জলজ পরিবেশে আলোক সম্পত যতটুকু গভীরে প্রবেশ করে, সে এলাকাতেই অধিকাংশ উদ্ভিদ জন্মাতে পারে-এই অঞ্চলকে বলা হয় আলোক সম্পাত এলাকা (Euphotic zone), যে অংশে প্রয়োজনীয় আলোক প্রবেশ করতে পারেনা তাকে বলা হয় তমসাচ্ছন্ন এলাকা (Aphotic zone). সূর্যরশ্মির তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের যে অংশ জলাধারের উপরিতলের দ্বারা প্রতিফলিত হয়, তাকে বলা হয় প্রতিফলিত আলোক তরঙ্গ (Albedo)

তাপমাত্রার স্তরীকরণ (Thermal Stratification)

জলধারে আলোক সম্পাতের মত জলজ প্রতিবেশে বিভিন্ন স্তরে তাপমাত্রার বিভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। জলের ঘোলাভাব যত কম হয়, আলোক ততবেশি গভীরে প্রবেশ করতে পারে এবং জলের তত বেশি গভীর স্তরে তাপ সঞ্চালিত হয়। জলের গভীরতা বৃদ্ধির সাথে তাপের পরিমাণ হ্রাস পেতে থাকে। সেজন্য জলের উপরিভাগ যতটা উষ্ণ থাকে, গভীরতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উষ্ণতা হ্রাস পেতে থাকে। একটি লেকে তাপমাত্রার তিনটি স্তর নির্ণয় করা হয়- প্রথম স্তরটি (Epilimnion) উপরিতলের সাথে সম্পর্কিত যেখানে বায়ুপ্রবাহের সংস্পর্শ থাকে। তথাপি সমভাবে উষ্ণতা বিরাজমান, উপরিতলের অবস্থানের কারনে। দ্বিতীয় স্তর (Thermocline) যেখানে তাপমাত্রা দ্রুত হ্রাস পেতে থাকে। তৃতীয় স্তর বা গভীরতম স্তর (Hypolimnion) জলাশয়ের নিম্নাঞ্চলে অবস্থিত যেখানে সূর্যালোক প্রায় নেই বললেই চলে এবং সেখানে পানির তাপমাত্রা সমভাবে শীতল থাকে। উষ্ণমন্ডলীয় জলাশয়ে শীতল মওশুমে পানির উপরিতলের তাপমাত্রা থাকে সাধারনত ৪ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড (পানির সর্বোচ্চ ঘনত্ব) ফলে পানি স্তরের উঠানামা হয়।

রাসায়নিক ধর্ম (Chemical Properties)

প্রাকৃতিক পরিবেশে জলাশয়ের রাসায়নিক গঠন প্রধানত থিতানোসামগ্রী (Precipitation), মৃত্তিকার ধরণ, নিম্নস্তরের শিলা, ভূমিধ্বস, বাষ্পীভবন এবং পলিসঞ্চয় ইত্যাদির উপর নির্ভর করে। জলাশয়ের সামগ্রিক উপাদান অজৈব ও জৈব বস্তুর রাসায়নিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত।

জলের প্রকৃতি (Water Quality)

জলের প্রকৃতি অসংখ্য উপাদানের উপর নির্ভরশীল। তার মধ্যে কিছু উপাদান-জলাশয়ের জলজ প্রতিবেশের প্রাচুর্য নির্ধারণে বিশেষ ভূমিকা রাখে। কিছু জৈবপ্রক্রিয়া মারফত দ্রবীভূত গ্যাসীয় উপাদান, পুষ্টিমান, ইত্যাদি প্রতিবেশের প্রাচুর্যের উপর প্রভাব বিস্তার করে। তবে মানবীয় কার্যক্রমের প্রভাবই জলাধানের উপর সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষতি হয়।

অক্সিজেন

পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন অনেক জৈব এবং রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রয়োজন হয় যা দ্বারা জলজ প্রতিবেশ সঠিকভাবে কার্যকরী হতে পারে। কিছু জৈবপদ্ধতি পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করে। সেগুলি হল সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন। পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের ঘনত্ব নির্ণয়ে সালোকসংশ্লেষণ বিশেষ ভূমিকা রাখে। অক্সিজেনের হ্রাসবৃদ্ধির উপর প্রভাবকারী বিষয়গুলি হল সালোক সংশ্লেষণ, পানির উপরিতলের সাথে বাতাসের সংম্পর্শ, জৈব শ্বসন প্রক্রিয়া ইত্যাদি। পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ সালোকেসংশ্লেষণ দ্বারা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় এবং জীবের শ্বসন প্রক্রিয়া অক্সিজেনের পরিমাণ হ্রাস করে। এসকল বিষয়গুলি একই নিয়মে আবর্তিত হয় যেমন দেখা যায় তাপ সঞ্চালন এবং সালোকসংশ্লেষনের ক্ষেত্রে। যেহেতু দ্রবীভূত অক্সিজেনের ঘনত্ব প্রাথমিকভাবে সালোকসংশ্লেষণের দ্বারা উৎপাদিত, এক্ষেত্রে সূর্যালোক এক প্রভাব সৃষ্টিকারী উপাদান। সেজন্যই দ্রবীভূত অক্সিজেন পরিমান পানির গভীরতা যত বৃদ্ধি পায় তার পরিমান সেই হারে কমতে থাকে। এর অর্থ হল জলাশয়ের যত গভীরে যাওয়া যায় পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ ততই কমতে থাকে, এর অন্যতম প্রধান কারন গভীরতার সাথে সাথে পানিতে আলোকের পরিমাণও কমতে থাকে।

কার্বন-ডাই অক্সাইড

দ্রবীভূত অক্সিজেন এবং দ্রবীভূত কার্বন-ডাই অক্সাড প্রায়ই একই সাথে বর্ণনা করা হয়। কারন উভয় পদ্ধতিই জলজ জীবদেহে কার্যকরী। এসকল জীব জলজ দ্রবীভূত অক্সিজেন থেকে শ্বসনক্রিয়া চালায় এবং উপজাত হিসেবে কার্বন-ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কার্বন-ডাই অক্সাইড ব্যবহৃত হয় এবং উপজাত হিসেবে অক্সিজেন উৎপাদিত হয়- এভাবে কার্বন-ডাই অক্সাইড এর জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় বিপরীতমুখী দ্বৈত সম্পর্ক রয়েছে অক্সিজেনের সাথে।

অন্যান্য পুষ্টি (Other Nutrients)

জলজ পরিবেশে নাইট্রোজেন এবং ফসফরাস পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির যোগান দেয়। সাধারণত নাইট্রোজেন জলজ পরিবেশে গ্যাস হিসেবে বিদ্যমান, কিন্তু অধিকাংশ জলজ-ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে নাইট্রোজেন-নাইট্রেট, নাইট্রিক বা অ্যামোনিয়া যৌগ হিসাবে পাওয়া গেছে। অধিকাংশ দ্রবীভূত নাইট্রোজেন যৌগের ঋতুভিত্তিক ঘণত্বের পরিমাণ বসন্ত এবং গ্রীষ্মের তুলনায় শীত ঋতুতে হ্রাস পেতে দেখা গেছে। জলজ প্রতিবেশে ফসফরাসের ভিন্ন ভূমিকা দেখা যায়। যেহেতু উদ্ভিজ্জ প্ল্যাকংটন উৎপাদনে এটি সীমিত প্রভাবকারী। দ্রবীভূত ফসফরাস সকল জীবিত প্রাণীর ক্ষেত্রে স্বল্পমাত্রায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। প্রাথমিক উৎপাদনশীলতার ফসফরাস নিজস্ব প্রতিবেশচক্রে অবর্তিত হয়।

জলাধারের শ্রেণীবিন্যাস

লিমনোলজী জলাধার সমূহকে শ্রেণীবিন্যাসিত করে তাদের গঠনগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী। Oligotrophic জলাধারের বৈশিষ্ট হল নিম্নস্তরের প্রাথমিক উৎপাদন এবং নিম্নপর্যায়ের পুষ্টি। Eutrophic জলাধার এর রয়েছে উচ্চ পর্যায়ের প্রাথমিক উৎপাদন এবং উচ্চমানের পুষ্টি সামগ্রী। জলাধারের Eutrophication শৈবাল প্রাচুর্যের (Algal bloom) তৈরী করতে পারে। Dystrophic জলাধারের রয়েছে উচ্চ পর্যায়ের জৈব পদার্থ এবং এর পানির বর্ন হলদে-বাদামী, চা এর রঙ। এসকল শ্রেণী বিন্যাস দ্বারা সবসময় নিশ্চিতরূপে শ্রেণীকরণ করা যায় না। কারন আরো অনেক সংশ্লিষ্ট বিষয় রয়েছে যা সম্মিলিতভাবে জলজ উৎপাদনশীলতার মাত্রা নির্ণয় করে।

 

লেখক পরিচিতি- অবসর প্রাপ্ত ব্যাংক নির্বাহী (এজিএম) জনতা ব্যাংক লিমিটেড,               

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের ১৯৭০-৭৩ শিক্ষাবর্ষের বিএসসি অনার্স এবং ১৯৭৩-৭৪ শিক্ষাবর্ষের এমএসসির ছাত্র।

এই বিভাগের আরো খবর