Berger Paint

ঢাকা, রোববার   ২৯ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রাহায়ণ ১৫ ১৪২৭

ব্রেকিং:
নাইজেরিয়ায় ৪৩ শ্রমিককে একসঙ্গে গলা কেটে হত্যা
সর্বশেষ:
মন্টেনিগ্রো-সার্বিয়ায় পাল্টাপাল্টি রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার হঠাৎ বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী , ২৮ দিনে আক্রান্ত ৫০৭ বৃটেনে ভ্যাকসিন বিষয়ক মন্ত্রী হলেন নাদিম জাহাওয়ী

শিক্ষকের মিথ্যে মামলা থেকে অব্যহতির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

গাজী মোক্তার হোসনে, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২০  

পঠিত: ১৪৪৪
ছবি- প্রতিদিনের চিত্র।

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র।

 

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে এক নারী কর্তৃক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যে ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন ওই শিক্ষকের পরিবারের সদস্যরা।

 

আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে আশাশুনি উপজেলার কাপসন্ডা গ্রামের শিক্ষক ফারুক হোসেনের ছেলে রানা ও মেয়ে রিম্পা এই দাবি জানান।


সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রানা জানান, আমার পিতা ফারুক হোসেন আশাশুনি উপজেলার কাঠামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শুনামের সাথে শিক্ষাকতা করে আসছেন। কিন্তু কাপসন্ডা গ্রামের প্রতারক সাবিরা খাতুনের ষড়যন্ত্রে তিনি দিশাহার হয়ে পড়েছেন। সাবিরা খাতুন ও তার স্বামী মোস্তাফা সরদার ইটভাটায় কাজ করে। ওই মহিলার সাথে আমার পিতার পূর্ব থেকেই বিরোধ ছিল। এরই জের ধরে ওই মহিলা পর পর দু’টি মিথ্যে নাটক সাজিয়ে আমার পিতার নামে মামলা দায়ের করে। সাবিরা প্রথম মামলাটি ঘটনার একমাস পর ২০১৯ সালের ৩ জুন দায়ের করে। মামলাটি মিথ্যে হওয়ায় তদন্তকারি কর্মকর্তা ফাইনাল রির্পোট দিয়ে ১৭ ধারামোতাবেক বাদীর বিরুদ্ধে মামলার করার সুপারিশ করেন। এছাড়া জুডিশিয়াল তদন্তেও মামলাটি মিথ্যে বলে প্রমানিত হয়।

 

শিক্ষক ফারুক হোসেনের ছেলে রানা অভিযোগ করে বলেন, অভিযোগ মিথ্যে হওয়ায় পুলিশ আদালতে প্রথম মামলাটির চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এতে করে অভিযোগকারী সাবিরা খাতুন ক্ষিপ্ত হয়ে আরো একটি মিথ্যে মামলা দায়ের করলে গত ৯ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যান অভিযুক্ত শিক্ষক। এবং ১৪ তারিখ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি নিয়েছে শুনে পুনরায় তাকে মারপিট করেছে মর্মে অভিযোগ এনে তার স্বামী মোস্তফাকে দিয়ে কলারোয়া থানায় একটি মিথ্যে মামলা দায়ের করেন।

 

প্রসঙ্গত, মামলায় স্বামীর ঠিকানা দেয়া হয়েছে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ধামরাইল-এ। অথচ এজাহারে বলা হয়েছে, ‌`তাকে তালা থেকে অপহরণ করে কলারোয়া'য় নিয়ে মারপিট করা হয়েছে। যা সম্পূর্ন মিথ্যে ও ভিত্তিহীন। আমার পিতাকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে চাকুরি নষ্ট করে সর্বশান্ত করতে এবং সমাজের কাছে হেয়প্রতিপন্ন করতে ওই পরিবারটি বার বার এধরনের মিথ্যে নাটক সাজিয়ে হয়রানি করছে।

 

তিনি আরো বলেন, দুশ্চরিত্রবান মহিলা সাবিরা’র হীন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে শুধু আমার পিতা একা নয়, আমরা পুরো পরিবার আজ দিশেহারা হয়ে পড়েছি। আমার এক ভাই সরকারি চাকুরি করেন। আমরা অন্য ভাই-বোনরা লেখাপড়া করি। শুধুমাত্র ওই মহিলার কারনে আমরা পরিবারের সবাই মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছি। আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি।

 

আরো পড়ুন

চালকদের `ডোপ` টেস্ট প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী

 

তিনি নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক সাবিরার দায়ের করা মিথ্যে মামলার দায় থেকে তার পিতা স্কুল শিক্ষক ফারুক হোসেনকে অব্যহতি এবং মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানি করায় ওই মহিলা ও তার স্বামীসহ তাদের ইন্ধনদাতাদের  বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

 

 

এই বিভাগের আরো খবর