ঢাকা, বুধবার   ২৮ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১৩ ১৪২৮

ব্রেকিং:
৪২তম বিসিএসে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি ভিকারুননিসা স্কুলের প্রিন্সিপালের ফোনালাপের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন টেকনাফে পাহাড় ধসে প্রাণ গেল ৫ ভাই-বোনের
সর্বশেষ:
বিশ্বে একদিনে সংক্রমণ বেড়েছে দেড় লাখ, মৃত্যু ছাড়াল ৯ হাজার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: এসএসসি–এইচএসসি ফলে স্নাতকে ভর্তি, আবেদন শুরু

শিশু শান্তি পুরস্কার অর্জন করলেন বাংলাদেশের সাদাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ নভেম্বর ২০২০  

ছবি- সংগৃহীত।

ছবি- সংগৃহীত।

আন্তর্জাতিক 'শিশু শান্তি' পুরস্কার অর্জন করলেন বাংলাদেশী কিশোর সাদাত রহমান। শিশুদের সাইবার অপরাধ থেকে কিভাবে সুরক্ষা রাখা যায় এমনটি অ্যাপ তৈরি করে এ সাফল্য পেয়েছেন এই শিশু তিনি। বিশ্বের ৪২টি দেশ থেকে ১৪২ জন শিশুর মনোনয়নের যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে আরম্ভ হয়েছিল এ প্রতিযোগিতা। খবর- ফ্রান্স ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ''ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর''।

 

নড়াইল আবদুল হাই সিটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ১৭ বছর বয়সী সাদাত রহমান। তিনি সাইবার বুলিং ও সাইবার ক্রাইম থেকে কিভাবে শিশু-কিশোরদের সুরক্ষা করা যায় সে  কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

 

সাদাতকে এককথায় ধরে নেওয়া যায় তিনি একজন ‘তরুণ চেঞ্জমেকার’ ও সমাজসংস্কারক। সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়ে ১৫ বছরের এক কিশোরীর আত্মহননের পর এর প্রতিকারের কাজে নামে সাদাত। সে তার বন্ধুদের সহযোগিতায় ‘নড়াইল ভলেন্টিয়ারস’ নামের একটি সামাজিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করে এবং ''বেসরকারি সংস্থা একশন এইড'' শিশু-কিশোররা নিজেরা সমস্যার মুখোমুখি হয়ে এবং তাদের উদ্ভাবনী সমাধানের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখতে ‘ইয়ুথ ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ২০১৯’ নামের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে বিজয়ী হয়ে ‘নড়াইল ভলেন্টিয়ারস’ একটি তহবিল পায়।

 

অর্জিত তহবিলের মাধ্যমে সাদাত রহমান ও তার টিম ‘সাইবার টিনস’ নামক একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করে। এ অ্যাপের মাধ্যমে কিশোর–কিশোরীরা জানতে পারে কিভাবে ডিজিটাল যুগে সুরক্ষিত থাকা যায়।

 

তথ্যমতে, প্রায় ১ হাজার ৮০০ কিশোর–কিশোরী এই অ্যাপ ব্যবহার শুরু করেছে। ইতিমধ্যে এ অ্যাপ ব্যবহার করে ৬০টির বেশি অভিযোগের সমাধান মিলেচে এবং ৮ জন সাইবার অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত হয়েছে।

 

আরও পড়ুন : ট্রাম্পের মিথ্যা দাবি গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক : ওবামা

 

উল্লেখ্য যে, বিগত ২০০৫ সনে রোম-এ অনুষ্ঠিত নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের এক শীর্ষ সম্মেলন থেকে এই 'শিশু শান্তি পুরস্কার' চালু করে ‘কিডস-রাইটস’ নামে একটি সংগঠন। সেই থেকে শিশুদের অধিকার উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় অসাধারণ অবদানের জন্য প্রতিবছর আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়। এই পুরস্কার পাওয়ার যোগ্যতা রাখা হয়েছে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের । গত বছর অর্থাৎ ২০১৯ সনে সুইডেনের শিশু পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ ও ক্যামেরুনের ডিভিনা মালম যৌথভাবে মর্যাদাপূর্ণ ওই পুরস্কার অর্জন করেন। ২০১৩ সালে এই পুরস্কার বিজয়ী হয়েছিলেন মালালা ইউসুফজাই এবং পরের বছর জয় করেছিলেন শান্তিতে 'নোবেল'।