ঢাকা, শনিবার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৮

ব্রেকিং:
দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন কারণে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় `জাওয়াদ` শুরু হচ্ছে বঙ্গভ্যাক্সের প্রথম ট্রায়াল বাংলাদেশকে বিনামূল্যে করোনার আরও টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র রোনালদোর রেকর্ডের ম্যাচে জয় পেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

শীতের আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছে, চাই কিছু প্রস্তুতি

প্রতিদিনের চিত্র বিডি ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২১  

ছবি- সংগৃহীত ।

ছবি- সংগৃহীত ।

 

শীতের আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছে ভোরের বাতাস। ভোরে ঠান্ডা শীতল বাতাসের সঙ্গে ঘাসের ডগায় জমছে শিশির বিন্দু।

 

পথপ্রান্তর আর রাজপথে উড়ছে ধুলোবালি। ফসলের মাঠে শীতের সবুজ শাক-সবজির চারা বেড়ে উঠছে তরতর করে।

 

এসবই প্রকৃতির শীতের আয়োজন। কিন্তু শহর, বন্দর, নগরবাসীর শীতের আয়োজন বা প্রস্তুতি কতটুকু? এই পরিবর্তিত আবহাওয়া মোকাবেলা করার জন্য আমাদের প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিত তাই উঠে এসেছে এই ফিচার।

 

চাদর, শাল আর সোয়েটার : মহিলাদের শীতের পোশাক তুলনামূলকভাবে ঢাকায় বেশি পাওয়া যায়। শীতে শাল, সোয়েটার, হুডি, কার্ডিগান ও নরমাল চাদর এ দেশের মহিলারা বেশি ব্যবহার করেন। বাংলাদেশের নারীদের ঐতিহ্যগত একটি শীতের পোশাক চাদর। এখনও সেই চাদর ঐতিহ্য বহাল রয়েছে। এখন সেই চাদরের সঙ্গে সঙ্গে শাল পরেন অনেকে। আগে পার্শবর্তী দেশ থেকে বেশিরভাগ চাদর আসত।

 

এখন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মানসম্পন্ন শাল তৈরি করছে তার মধ্যে রয়েছে আড়ং, দেশি দশ। শীত জেকে বসার আগেই আপনার পছন্দের শালটি কিনে নিতে পারেন। দেশি শাল বাদে বিদেশি শাল পাবেন গুলশানের শপার্শ ওয়ার্ল্ড, যমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা সিটি, গাউছিয়া, নিউমার্কেট, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, এ আর প্লাজাসহ বিভিন্ন সুপার মার্কেটে। ভালো মানের সোয়েটার, কার্ডিগান, মহিলাদের মাফলার, হুডি, লং সোয়েটার ও ব্লেজার পাওয়া যায় বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, এলিফ্যান্ট রোড, মিরপুর রোডসহ অভিজাত মার্কেটগুলোতে। এই মার্কেটগুলোতে আরও পাওয়া যায় শীতে পরার জন্য মেয়েদের টাইলস ও টুপি।

 

যা করা জরুরি : সেপ্টেম্বর শেষে অক্টোবরের শুরুতে ভোরে উত্তরদিক থেকে বয়ে চলা ঠান্ডা বাতাস শরীরে আছড়ে পড়ার পর যেন অন্যরকম অনুভূতি হয়। এই শীতল বাতাস বেশিক্ষণ গায়ে লাগার পর আচমকা সর্দি-কাঁশি অথবা জ্বর হতে পারে।

 

বিশেষ করে নবজাতক, শিশু-কিশোরদের সমস্যা বেশি হয়। তাই এই সময় পাতলা চাদর, পাতলা কাঁথা অথবা কুইল্ট ব্যবহার করতে পারেন সকালবেলা। শীত জেকে বসার আগে তুলে রাখা লেপ, কাথা, কম্বল, কুইল্ট, কম্ফোটার, চাদর, জ্যাকেট, মাফলার, সোয়েটার, ফুলসিøভ গেঞ্জি, শাল বের করে অন্তত দুবার রোদে দিন।
বিশেষ করে শিশুদের শীতের কাপড় খুব ভালোভাবে এপাশ-ওপাশ উল্টিয়ে রোদে দিয়ে জার্ম ফ্রি করে নিন।

 

শীত শেষে শীতের কাপড় তুলে রাখার পর আলমারি, ওয়্যারড্রপ বাক্সে ছোট ছোট ধুলিকনা থেকে এক ধরনের অতিক্ষুদ্র কিট তৈরি হয়। এই কিটসহ জামা, কাপড়, লেপ, কম্বল, চাদর পরলে তা নাকে প্রবেশ করে এলার্জি তৈরি করে শরীরে। সঙ্গে সঙ্গে হাঁচি-কাশি শুরু হয়।

 

অনেকের এই হাঁচি-কাশি পুরো শীতকাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তা থেকে গলা ব্যথা, বুকে কফ জমে সৃষ্টি হয় শাসকষ্ট । এই শাসকষ্ট থেকে শুরু হয় অ্যাজমা সমস্যা। তাই এখনই পুরনো কাপড় মচমচে করে রোদে শুকিয়ে অথবা ধুইয়ে সম্ভব হলে ইস্ত্রি করে পড়া উচিত। নতুন কেনা কোনো শীতের কাপড়ের বেলায় একই ধরনের নিয়ম অনুসরণ করা উচিত। গত শীতের পর আপনি শীতের কাপড় যদি কোনো লন্ড্রি বা ড্রাইওয়াশে দিয়ে থাকেন তবে মনে করে এখনই তা তুলে আনুন।