Berger Paint

ঢাকা, সোমবার   ১৩ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ২৯ ১৪২৭

ব্রেকিং:
দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪৭ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২,৩৫২ বিক্রম দোরাইস্বামী বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার করোনায় আক্রান্ত অমিতাভ বচ্চন, হাসপাতালে ভর্তি সব রেকর্ড ভেঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় ৬৬ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফিরছেন ১৫ লাখ প্রবাসী!
সর্বশেষ:
ভারতে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ২৮৬৩৭ বিমানে আবুধাবি ও দুবাইগামী যাত্রীদের ‘করোনামুক্ত’ সনদ লাগবে করোনায় সশস্ত্র বাহিনী পরিবারের ৭৮ জনের মৃত্যু ১৬ জুলাই থেকে স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে ফিরছে বিএনপি রিজেন্ট গ্রুপ চেয়ারম্যান সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ ১০ হাজার কোটি টাকা মূলধন ঘাটতির মুখে সোনালী ব্যাংক বাগেরহাটে ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে করোনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু

সরকারের ধান ক্রয়ে ধীরগতি, চিন্তিত কৃষক

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ১ জুন ২০২০  

পঠিত: ৪৯
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

সারা দেশে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। বোরো মৌসুমে ধান উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৪ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন। সরকার ধান-চাল মিলে এবার সাড়ে ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু গত ২৬ এপ্রিল থেকে ধান কেনা শুরু হলেও ৩১ মে পর্যন্ত মাত্র ৩০ হাজার টন ধান কেনা হয়েছে। ধান ক্রয়ের এই ধীর গতির কারণে চিন্তিত কৃষক।

নগদ টাকার সংকট থাকায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম দামে ধান বিক্রি করছেন কৃষক। কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয় বলছে, কৃষকেরা ভালোভাবে ধান ঘরে তুলতে পেরেছে। তারা এখন ধানের ভালো দামও পাচ্ছেন।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত ২৬ এপ্রিল থেকে ধান ক্রয় শুরু হয়। এ পর্যন্ত মাত্র ৩০ হাজার টন ধান কেনা হয়েছে। আর চাল কেনা হয়েছে ৪০ হাজার টন।  কৃষকের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে সরকার চলতি বোরো মৌসুমে ২৬ টাকা কেজি দরে ৮ লাখ মেট্রিক টন ধান, ৩৬ টাকা কেজি দরে ১০ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ৩৫ টাকা কেজি দরে দেড় লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল কেনা হবে। এখন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা আরও ২ লাখ মেট্রিক টন বেড়ে যাওয়ায় মোট ১০ লাখ টন ধান কিনবে সরকার। ধান-চাল মিলে এবার সরকারিভাবে সাড়ে ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘করোনা ও ঈদের কারণে সরকারিভাবে ধীর গতিতে ধান কেনা হচ্ছে। তালিকাভুক্ত কৃষকের কাছ থেকে ধান বা চাল কেনা হবে। কৃষকের হাতে নগদ টাকা না থাকায়  সরকারি মূল্য ১০৪০ টাকার পরিবর্তে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি করছে। আর এ ধান কিনছেন ফঁড়িয়া ও স্থানীয় মিলমালিকরা। এতে সাধারণ কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

হবিগঞ্জের জেলা খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম বলেন, ‘প্রকৃত কৃষকের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করে ধান কেনা হচ্ছে। তালিকার সিরিয়াল অনুযায়ী ধান, চাল কনো হচ্ছে। গত ২৬ এপ্রিল থেকে ধান ও ৭ মে থেকে বোরো চাল সংগ্রহ শুরু হয়েছে, যা আগামী ৩১ অগাস্ট শেষ হবে। এ সময়ের মধ্যে ধান-চাল কেনা কার্যক্রম শেষ হবে।’

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘কৃষকেরা সফলভাবে ধান ঘরে তোলার পাশাপাশি বিক্রি করে ভালো দাম পাচ্ছেন। সারা দেশে এ বছর ৪৭ লাখ ৫৪ হাজার ৪৪৭ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। ইতোমধ্যে হাওরের শতভাগ এবং সারা দেশের ৯০ শতাংশের বেশি ধান কাটা শেষ হয়েছে। অঞ্চলভেদে ধানের বাজার দর কম বেশি রয়েছে। তাছাড়া, ভেজা ও শুকনা ধান এবং মোটা-চিকন ধানের দামের পার্থক্য তো থাকেই।’

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ‘বোরো ধান প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে কেনা হচ্ছে। করোনাভাইরাসের কারণে ধীরগতি হলেও আশা করি, নির্দিষ্টি সময়ের কেনা সম্পন্ন হবে। সরকারি গুদামে জায়গা খালি থাকা সাপেক্ষে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রয়োজনে আরও বেশি ধান ও চাল কেনা হবে। তালিকাভুক্ত কৃষকের টেনশনের কিছুই নেই।’

এই বিভাগের আরো খবর