ঢাকা, শুক্রবার   ২৯ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ১৩ ১৪২৮

ব্রেকিং:
সাবার জ্ঞাতার্থে বিশেষ অবগতি: শরীফুল ইসলাম, প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার`প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ আর কাজ করছেন না। অতএব, তার সাথে পত্রিকা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যোগাযোগ না করার জন্য অনুরোধ করা হল। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন কারণে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
অবশেষে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘দুর্নীতি’র তদন্ত করছে ‘দুদক’ ২য় ডোজের টিকা প্রয়োগ শুরু, পাবে ৮০ লাখ মানুষ মোহনবাগানের দায়িত্ব ছাড়লেন সৌরভ গাঙ্গুলি চাকরি হারালেন বার্সা কোচ কোম্যান রায়পুরায় দু’গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪০ অ্যাপস ছাড়া চুক্তিভিত্তিক রাইড শেয়ারে কঠোর ব্যবস্থা: বিআরটিএ সাবার জ্ঞাতার্থে বিশেষ অবগতি: শরীফুল ইসলাম, প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার`প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ আর কাজ করছেন না। অতএব, তার সাথে পত্রিকা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যোগাযোগ না করার জন্য অনুরোধ করা হল।

স্কুল শিক্ষিকাকে ধর্ষণ, রংপুর ছাত্রলীগ সভাপতি বহিষ্কার

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২০  

মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনি। ছবি- সংগৃহীত

মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনি। ছবি- সংগৃহীত

বিয়ে করবে বলে প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এক স্কুল শিক্ষিকাকে ‘ধর্ষণ’ ও ৭ই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণকে ‘ব্যঙ্গ’ করার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।  এই অভিযোগে রংপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনিকে সভাপতি পদ থেকে বহিস্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

 

রনিকে অব্যাহতি দেয়ার পর রংপুর জেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি সুমন সরকারকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এদিকে গত সেপ্টেম্বর ৬ তারিখে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানায় তরুণীর করা মামলায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা রনির এজাহারে জানা যায়, রংপুর নগরীর কেরানীপাড়া মহল্লার এই তরুণী একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনির সঙ্গে ২০১৭ সালে রংপুরে পরিচয় হয়। রনির গ্রামের বাড়ি পীরগঞ্জের ফতেহপুরে । তার বাবার নাম আবু বক্কর।

 

স্কুল শিক্ষিকা জানায়, রনি তাকে বিয়ে করবে বলে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে নিয়ে যায় এবং বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।  এছাড়াও এক এক সময় কাজের বাহানা দেখিয়ে এ পর্যন্ত ‘১৮ লাখ’ টাকা রনি নিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন এই শিক্ষিকা। বিয়ে করার কথা বললেই নানা অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যেতেন। ২০১৯ সালের ১৮ এপ্রিল বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের চাপে মেয়েটিকে নীলফামারীতে বিয়ে করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে ভুয়া কাজী দিয়ে আমাকে বিয়ে করেন।

 

লিখিত আবেদনটি নিয়ে পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করলে কমিশনার তাকে থানায় অভিযোগ করতে বলেন। বাধ্য হয়ে থানায় গিয়ে লিখিত এজাহার দায়ের করেন তিনি। ছাত্রলীগের জেলা সভাপতি হিসেবে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিয়ে করার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে আসছে বলে বিচার দাবি করেন তিনি।

 

 

 

এই বিভাগের আরো খবর