Berger Paint

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২০ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ৫ ১৪২৭

ব্রেকিং:
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল যুক্তরাষ্ট্র, সুনামির সতর্কতা বাহরাইনে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত আর্জেন্টিনায় শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়ালো ফ্রান্সে শিক্ষককে শিরশ্ছেদ করে হত্যা: ৪ স্কুল শিক্ষার্থী আটক রাখাইনে সু চির দলের ৩ প্রার্থীকে অপহরণ চীন আটকাতে নৌ-মহড়ায় ভারতের সাথে সংযুক্ত হবে অস্ট্রেলিয়া
সর্বশেষ:
প্রাথমিকে সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু ২৫ অক্টোবর আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৭২৯ আর্মেনীয় যোদ্ধা নিহত ঢাকার পাইকারি বাজারে আলু বিক্রি বন্ধ স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষার সিদ্ধান্ত হতে পারে বুধবার টিকটকের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল পাকিস্তান

স্কুল শিক্ষিকাকে ধর্ষণ, রংপুর ছাত্রলীগ সভাপতি বহিষ্কার

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২০  

পঠিত: ২৫৪
মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনি। ছবি- সংগৃহীত

মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনি। ছবি- সংগৃহীত

বিয়ে করবে বলে প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এক স্কুল শিক্ষিকাকে ‘ধর্ষণ’ ও ৭ই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণকে ‘ব্যঙ্গ’ করার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।  এই অভিযোগে রংপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনিকে সভাপতি পদ থেকে বহিস্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

 

রনিকে অব্যাহতি দেয়ার পর রংপুর জেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি সুমন সরকারকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এদিকে গত সেপ্টেম্বর ৬ তারিখে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানায় তরুণীর করা মামলায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা রনির এজাহারে জানা যায়, রংপুর নগরীর কেরানীপাড়া মহল্লার এই তরুণী একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনির সঙ্গে ২০১৭ সালে রংপুরে পরিচয় হয়। রনির গ্রামের বাড়ি পীরগঞ্জের ফতেহপুরে । তার বাবার নাম আবু বক্কর।

 

স্কুল শিক্ষিকা জানায়, রনি তাকে বিয়ে করবে বলে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে নিয়ে যায় এবং বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।  এছাড়াও এক এক সময় কাজের বাহানা দেখিয়ে এ পর্যন্ত ‘১৮ লাখ’ টাকা রনি নিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন এই শিক্ষিকা। বিয়ে করার কথা বললেই নানা অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যেতেন। ২০১৯ সালের ১৮ এপ্রিল বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের চাপে মেয়েটিকে নীলফামারীতে বিয়ে করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে ভুয়া কাজী দিয়ে আমাকে বিয়ে করেন।

 

লিখিত আবেদনটি নিয়ে পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করলে কমিশনার তাকে থানায় অভিযোগ করতে বলেন। বাধ্য হয়ে থানায় গিয়ে লিখিত এজাহার দায়ের করেন তিনি। ছাত্রলীগের জেলা সভাপতি হিসেবে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিয়ে করার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে আসছে বলে বিচার দাবি করেন তিনি।

 

 

 

এই বিভাগের আরো খবর