ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৬ মে ২০২২,   জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
রাজধানীতে বাসা থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা বাইডেন যেতেই একসঙ্গে ৩ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া টেক্সাসে স্কুলে গুলি: বাইডেনের ক্ষোভ, পতাকা অর্ধনমিত রাখার ঘোষণা গুলি করে খুন করা হয়েছে অভিনেত্রী পল্লবীকে! জার্মানিতেও ছড়িয়ে পড়ছে মাঙ্কিপক্স মেক্সিকোতে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১১

পশ্চিমবঙ্গে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: ক্রমেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

সংবাদ বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২২  

ছবি- সংগৃহীত।

ছবি- সংগৃহীত।


শ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) বিহারের পাটনা থেকে আসামের গৌহাটিগামী ১৫৬৩৩ আপ বিকানের-গৌহাটি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, অন্তত ১০০ জন আহত যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে আহতের সংখ্যা অনেক। এমনকি নিহতের সংখ্যাও আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।  এছাড়া দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে এককালীন ৫ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা করার ঘোষণা দিয়েছে ভারতীয় রেল।

 
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিহারের পাটনা থেকে আসামের গোহাটিগামী বিকানের-গৌহাটি এক্সপ্রেস ময়নাগুড়ির দোমাহনি এলাকায় লাইনচ্যুত হয়।  দুর্ঘটনার পর ট্রেনটির ৪-৫টি কামরা একেবারে দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
 

একটি কামরার ওপরে উঠে যায় আরেকটি কামরা। ট্রেনের একটি কামরা পানিতেও পড়ে যায়। ট্রেনটির ইঞ্জিনের পর থেকে ১২টি কামরা দুর্ঘটনার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
 
 
তার মধ্যে ৭টি কামরার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় ট্রেনটির গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার ছিল বলে জানায় তারা। ওই ট্রেনটি ছাড়ার সময় তাতে প্রায় ৭০০ যাত্রী ছিলেন। পরে বিভিন্ন স্টেশন থেকে যাত্রীরা নামা-ওঠা করেন।
 

দুর্ঘটনার পরে রেললাইনের দুইপাশে যাত্রীদের ছড়িয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। আনন্দবাজার জানিয়েছে রাতভর উদ্ধারকাজ চালানো হয়েছে। ভোরের ঘন কুয়াশাতেও উদ্ধারকাজ চালিয়েছেন ভারতের জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, বিএসএফ সদস্যররা।
 

দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া এবং লাইনের পাশে উল্টে থাকা কামরা থেকে প্রাণের সন্ধান চলছে। বহু মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার।
 

এদিকে আহতদের মধ্যে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ৩৬ জনের চিকিৎসা চলেছে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। এদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
 

এদিকে শুক্রবার সকালে দুর্ঘটনাস্থলে গেছেন ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সেখানে পৌঁছে তিনি বলেন, 'খুবই দুঃখজনক ঘটনা। আমি নিজে এখানে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছি। 
 

তদন্তও শুরু হয়েছে। যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টির উপর নজর রাখছেন। আমি এখানে এসেছি এই দুর্ঘটনার মূল কারণ জানার জন্য।'
 

এদিকে কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটল, কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি ছিল কি না, রেললাইনে কোনও সমস্যা ছিল কি না তার জন্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় রেলের জেনারেল ম্যানেজার আনসুল গুপ্তা ।
 

এই বিভাগের আরো খবর