Berger Paint

ঢাকা, শনিবার   ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩,   মাঘ ২২ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
সৌদি আরবে এক বছরে ১৪৭ জনের মৃত্যুদণ্ড আ.লীগ জনগণকে দেওয়া ওয়াদা পূরণ করে : প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ বাড়ল দেড় লাখ মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা আরও ছয় মাস বাড়ল আমি বাংলাদেশে বাবার কাছে থাকতে চাই: লায়লা রিনা

চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা : আসামি আবীর ফের রিমান্ডে

প্রতিদিনের চিত্র বিডি ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০২২  

 

ট্টগ্রামে শিশু আলীনা ইসলাম আয়াতকে ছয় টুকরো করে হত্যার ঘটনায় একমাত্র আসামি আবীর আলীকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। সোমবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করে দুই দিনের রিমান্ড শেষে দ্বিতীয় দফায় ১০দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

 

শুনানিকালে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবদুল হালিমের আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

 

বাদির আইনজীবী অ্যাডভোকেট সেলিম উল্লাহ চৌধুরী বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত আবীর আলীর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

 

এর আগে গত ২৬ নভেম্বর বিকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো: সাদ্দাম হোসেনের আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি শেষে দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

 

এদিকে, সকালে ঘাতক আবীর আলীকে কড়া নিরাপত্তায় আদালত প্রাঙ্গণে হাজির করা হয়। তার আগেই সকাল থেকে হাজার হাজার মানুষ আদালত এলাকায় ভিড় করে। দুপুরে প্রিজন ভ্যান থেকে আসামি আবীর আলীকে নামানোর সময় মানুষ তার ফাঁসি দাবি করে স্লোগান দেয়। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের কাছ থেকে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে গণপিটুনী দেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আসামিকে প্রিজন ভ্যান থেকে নামিয়ে আদালতে নিতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মনোজ কুমার দে জানান, আলীনা ইসলাম আয়াতকে অপহরণের পর লাশ কেটে ছয় টুকরা করে সাগরে ভাসিয়ে দেয় আসামি আবীর। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আবীর একই দাবি করেছে। ঘটনাস্থল চিনিয়ে দিতে রাজি হলে আবীরকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। তার দেখানোমতে আবার তল্লাশি করা হয়। তবে কোনো দেহাবশেষ উদ্ধার করা যায়নি। পরে আবীরের মায়ের বাসায় তল্লাশি করে একটি ডায়েরি পেয়েছি।

 

রোববার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে আবীর আলীকে সাথে নিয়ে পিবিআই সদস্যরা বে-টার্মিনাল এলাকায় সাগরতীরে প্রায় তিন ঘণ্টা তল্লাশি চালায়। কিন্তু আয়াতের দেহের খণ্ডিত কোনো অংশ পাওয়া যায়নি।

 

এর আগে গত ২৫ নভেম্বর আসামি আবীরকে নিয়ে নগরের বিভিন্ন আকমল আলী সড়কের স্লুইস গেট সংলগ্ন নালাসহ বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালায় পুলিশ।

 

উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর নগরীর ইপিজেড থানার বন্দরটিলার এলাকার নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিস এলাকার বাসা থেকে পার্শ্ববর্তী মসজিদে আরবি পড়তে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয় আলীনা ইসলাম আয়াত (৫)। এর পরদিন শিশুর বাবা সোহেল রানা এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় নিখোঁজের ডায়েরি করে। নিখোঁজের ১০ দিনের মাথায় ২৪ নভেম্বর রাতে শিশু আয়াতকে খুনের মামলায় আবীরের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায় পুলিশ। রাতেই তাকে গ্রেফতার করে পিবিআই। পরে আকমল আলী সড়কে তার মায়ের বাসার সামনে একটি ঝোপ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি উদ্ধার করা হয়।

 

এই বিভাগের আরো খবর