Berger Paint

ঢাকা, শুক্রবার   ০৯ জুন ২০২৩,   জ্যৈষ্ঠ ২৬ ১৪৩০

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
মেসির অভিষেক ম্যাচের টিকিটের দাম ১০ লাখ টাকা! জেলায় জেলায় বিদ্যুৎ অফিসের সামনে বিএনপির অবস্থান পোশাক কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, রেশনিং পদ্ধতিতে লোডশেডিংয়ের পরামর্শ ভারতীয় পেঁয়াজ পৌঁছতেই দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকায় বিক্রি দুই মাসে হিট স্ট্রোকে ২০ জনের মৃত্যু: দুর্যোগ ফোরাম এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ১৭ আগস্ট, রুটিন প্রকাশ

বিসিবির খাবার খেয়ে অসুস্থ ২০ সাংবাদিক

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯  

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সাংবাদিকদের জন্য খাবার সরবরাহ করছে সেভেনহিল রেস্টুরেন্ট থেকে। নামী প্রতিষ্ঠান হলেও রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার প্যাকেটজাত করে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে নিয়ে আসার পথেই হয়ে যাচ্ছে ঠাণ্ডা। যা খেয়ে প্রতিদিনই পেটে পীড়া অনুভব করছেন পেশাদার কাজে প্রেসবক্সে আসা ক্রীড়া সাংবাদিকরা।

বিপিএলের শুরু থেকেই খাবার নিয়ে অসন্তুষ্টি ছিল সাংবাদিকদের। শুক্রবার দুপুরের খাবার ও সন্ধ্যার নাস্তা খেয়ে বাসায় ফেরার পর রাতে প্রায় ২০ জনের বমি ও পাতলা পায়খানা হতে থাকে। অসুস্থতার কারণে শনিবার মিরপুরে ম্যাচ কাভার করতে আসতে পারেননি কয়েকজন।

শুক্রবার দুপুরে মারা যাওয়া তরুণ ক্রীড়া সাংবাদিক অর্ণব মজুমদার দীপায়ন (২৭) বৃহস্পতিবার স্টেডিয়ামে পেশাদার কাজ শেষ করে বাসায় যাওয়ার পর পেটের পীড়ায় ভুগছিলেন। পরদিন বাসার পাশের একটি ফার্মেসিতে ঔষধ কিনতে গিয়ে জ্ঞান হারান অর্ণব। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ক্রীড়া প্রতিবেদক। চিকিৎসকরা জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তার।

ডেইলি স্টার অনলাইনের ক্রীড়া প্রতিবেদক একুশ তাপাদার বিসিবির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর বেরিয়ে আসে ভয়াবহ চিত্র। তিনে লিখেন- ‘বিপিএলে দুপুরে সাংবাদিকের জন্য যে লাঞ্চ রাখা হয় তা মোটেও স্বাস্থ্যকর না। প্যাকেটকৃত খাবারটি দীর্ঘ সময়  বিধায়  খাবারটি  ঠাণ্ডা হয়ে যায় ।আর  এই খাবার খেয়ে গতকাল (বৃহস্পতিবার) আমাদের একজন সহকর্মী অসুস্থ-বোধ করেন।

আমরা  অনেকেই এ ক’দিন এই খাবার খেয়ে অস্বস্তি বোধ করেছি। আজ তাই আমরা অনেকেই বাইরে গিয়ে খেয়ে এসেছি। ম্যাচ কাভার করতে এসে বাইরে গিয়ে খাওয়া আমাদের পেশাজনিত কারণে একটা সমস্যা। খেলার অনেক কিছু মিস হয়ে যায়। অনুরোধ থাকবে, বিসিবি খাবার দেন ভালো কিন্তু সে খাবার যেন হয় ফ্রেশ। বেশি কিছু না- ভাত, ডিম ডালই দেন তবে তা যেন হয় ফ্রেশ।’

ওই সাংবাদিকের মন্তব্যের পর যারা খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়েছেন তারা একে একে গ্রুপে জানান নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা। তাদের অভিযোগ, বাসি খাবার খাওয়াতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারা। বিসিবির সরবরাহ করা খাবার স্বাস্থ্যকর না হওয়ায় অনেকেই হোটেল থেকে খেয়ে আসছেন মাঠে। বাসা থেকেও খেয়ে আসছেন কেউ কেউ।

খাবার নিয়ে সাংবাদিকদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হলে বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার রাবীদ ইমাম জানান, তার ডিপার্টমেন্টের (মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন) কয়েকজনও নাকি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সেভেনহিলের খাবার খেয়ে। তিনি জানান, এই খাবার বন্ধ করে দেয়া হবে। লজিস্টিক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে অন্য কোথাও থেকে খাবার আনা হবে।’

২০১১ বিশ্বকাপে বিসিবির সরবরাহ করা খাবার খেয়ে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন ৮১ জনের মতো র‌্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য। তাদের মধ্যে ৫ জনকে ভর্তি হতে হয়েছিল হাসপাতালে।

 

এই বিভাগের আরো খবর