ঢাকা, বুধবার   ১০ আগস্ট ২০২২,   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
বিশ্বকাপের জন্য আকর্ষণীয় জার্সি উন্মোচন ব্রাজিলের চার বছর পর মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু আত্মঘাতী হামলায় পাকিস্তানের ৪ সেনা নিহত গাজায় অস্ত্রবিরতিতে জাতিসংঘের প্রশংসা আশুরার শোক মিছিলে নাইজেরিয়ার সেনাদের হামলা; বহু হতাহত ইসরাইলি দখলদারিত্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবে: হামাস ট্রাম্পের বাড়িতে এফবিআইয়ের অভিযান

মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সময় এখনই

লুৎফর রহমান লাভলু

প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২২  

লুৎফর রহমান লাভলু, ছবি- প্রতিদিনের চিত্র বিডি।

লুৎফর রহমান লাভলু, ছবি- প্রতিদিনের চিত্র বিডি।

 

প্রাকৃতিক দুর্যোগের আধার বলা হয় সোনার বাংলাকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এদেশের নিত্যসঙ্গী। দেশের প্রতিটি অঞ্চল কোন না কোন সময় বিভিন্ন রকম দুর্যোগের সম্মুখীন হয়। বাংলাদেশে যে সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হানে তারমাঝে অন্যতম বন্যা। নদীবহুল এদেশে বন্যা মারাত্মক বিপর্যয়  সৃষ্টি করে। বর্ষার মৌসুমে প্রতিবছর ব্যাপক জোয়ারের চলমানতা ও ভারী বৃষ্টিবর্ষণ প্রতিবছর নদীর জল দুকূল ভাসিয়ে বন্যা সৃষ্টি করে। যারফলে ব্যাপক ক্ষতি হয় মানবকুল,পশুপাখি, প্রাণী,জীব ও জগতের।সর্বোপরি মানবজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এবারো তার বিপরীত নয় বর্সার মৌসুমের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ছোট,বড় সব মিলিয়ে দেশের দক্ষিণ, দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল, পূর্ব, উত্তর ও উওর পূর্বাঞ্চলে বেশ কয়েকবার বন্যা হয়েছে। তবে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা দেখছে সিলেটবাসী। 


ইরি মৌসুমের শুরু থেকে লাগাতাল বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণে ফসল পর্যন্ত ঘরে তুলতে পারেনি সিলেটের মানুষ। এতেই শেষ কোথায়,এর সাথে চললাম আবারো নতুন করে বন্যা প্রকট বৃদ্ধি পায় সিলেটে ভারি বর্ষণে বন্যা হয়ে অনেক অঞ্চল ডুবে যায়। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার ফলে ফারাক্কা বাধের  বেশকিছু বাধ ছেড়ে দেয় ভারত ফলাফল সিলেট,
সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ কল্পনাতীত বন্যা। এছাড়াও যমুনা, পদ্মা ও মেঘনা সকল নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় অন্ততঃ ১৫ জেলার নিম্নাঞ্চল বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-মধ্যাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের এই জেলাসমুহে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে। উজানে ভারি বর্ষণ চলতে থাকায় দেশের বিভিন্ন জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যার বিস্তার ঘটছে।


 অব্যাহত পানি বৃদ্ধির কারণে উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী,গাইবান্ধা, লালমনিরহাট উত্তর-মধ্যাঞ্চলের জামালপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, পাবনা; মধ্যাঞ্চলের মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, শরিয়তপুর, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে ব্যাপক হারে। নিম্নাঞ্চলে মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি চিত্র ভয়াবহ ও এটা সবার চোখে হেডলাইন হলেও ঠিক একইরকম খারাপ অবস্থা লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নিলফমারী, শেরপুর, নেত্রকোনা ও ময়মনসিংহে যেখানে প্রশাসন কিংবা অর্থ বিত্ত বানদের সুনজর নেই বললেই চলে।পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর অবস্থার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে। 


প্রতিবেদনে নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে বলা হয়, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি বাড়ছে, যা কতদিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে তা বলা মুশকিল । যমুনা,ব্রহ্মপুত্র,তিস্তা নদীর পানি অতি বৃদ্ধির ফলে প্লাবিত হয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের সব কয়টি জেলাসহ রংপুরের ৫টি জেলার ও তলিয়ে যাওয়া সব কয়েকটি জেলা সীমান্তবর্তী। বন্যার প্রকোপ বেড়ে যাওয়াতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা দিয়েছে নদীভাঙ্গন । আর নদীভাঙ্গনের ফলে বিলীন হয়ে যাচ্ছে শতশত একর ফসলি জমি,
ঘরবাড়ি,পশুপাখি সমস্ত জীব জগতের বৈচিত্র্য।
তাই সকল সহাই সম্পদ হারিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে অনেক মানুষ। বন্যায় কবলিত হয়ে মানুষ হারিয়েছে হাজার হাজার বসতবাড়ি, লক্ষ লক্ষ টন হেক্টর জমির সবজি,মৎস্য খামার,পোল্ট্রি খামার।


গরিব ও অসহায় মানুষের জন্য জীবনে নেমে এসেছে সীমাহীন দুর্ভোগ। বন্যায় কবলিত হয়ে গোয়ালের গরু,ধান,ছাগল সবই ক্ষতিগ্রস্থ। ধ্বংস হয়েছে কয়েকশত পোল্ট্রি খামার ভেসে আসছে হাজারো হাঁস-মুরগি, অনেক মানুষের তৈরি মাটিরঘর,হাজার একর ফসল। মাছের খামার ডুবে যাবার কারণে ভেসেগেছে শত কোটি টাকার মাছ,পানিতে ভেসে আসছে গবাদি পশু। রাস্তাঘাট, বসতবাড়ি, স্কুলের মাঠ সবই ডুবে গেছে পানিতে। মসজিদ,মাদরাসা, মন্দির ও গির্জা সবটার ভেতরে পানি। ঘরে পানি, বাহিরে পানি,রাস্তায় পানি, এমন অনেক অঞ্চলে দাঁড়ানোর জন্য নেই শুকনো একটু জায়গা। বসার, খাওয়ার,ঘুমানোর জন্যও কোথাও একটু জায়গা নেই। এতদ অঞ্চলের মানুষের জীবন আজ বড়ই কষ্ট।মহিলা,বৃদ্ধা, শিশুদের কষ্ট আরো বেশি তারা আরো বেশি অসহায়। সবচেয়ে কষ্টের দৃশ্য সিলেটে ভাসমান মৃত শিশুর লাশ। চারদিকে শুধু মানবতার হাহাকার।


বন্যার্তদের পানির কারণে বন্ধ আছে ছেলেমেয়েদের পড়াশুনা।বন্যায় পতিত এই মানুষগুলোর জন্য কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস দরকার যেমন:খাদ্য, বস্ত্র,নিরাপদ পানি,ঔষধ ও থাকার জন্য স্বাস্থ্যকর একটা পরিবেশ। খাবার পানির বড়ই অভাব কারণ গভির নলকূপগুলো সব পানির নিচে আর পুকুরগুলো ময়লা ও দূষিত পানিতে ভরপুর। আর রান্নাকরার কোন ব্যবস্থা ও সুযোগ নেই তাই তাদের শুকনো খাবার চিড়া,মুড়ি, বিস্কিট, রুটি ইত্যাদি খেয়ে জীবন চালাতে হচ্ছে। বাংলাদেশের বেশিভাগ অঞ্চলেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ আশ্রয় নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নেই আর যা আছে তা একেবারে নগণ্য। তাই মানুষ জীবন বাঁচানোর জন্য গবাদিপশু নিয়ে উচু রাস্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদ্যালয় কিংবা ইউনিয়ন অবস্থান করছে। এক কথায় ত্রাণের সাহায্যের উপর নির্ভর করেই বেঁচে আছে জীবন।


তাই প্রতিবছরের ন্যায় এবারো এসব দুর্গত ভাইদের রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রতিবছর ত্রাণসামগ্রী  যথাসম্ভব পাঠানোর চেষ্টা করে, তবে এবার এখনো যথাযথভাবে সকল বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণসামগ্রীর সাহায্য পৌছেনি। আর যা পৌছেছে তা একেবারে নগণ্য কারণ জনসংখ্যার এক বিশাল অংশ বন্যায় কবলিত। প্রতিবছর সরকারকর্তৃক যে পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয় তা জনসংখ্যা অনুপাতে পর্যাপ্ত নয়। তবে এটাও সত্য যে বন্যাকবলিত এই বিশাল জনসংখ্যার জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ করা সরকার একার পক্ষে অসম্ভব। কারণ গত দুই বছর থেকে করোনা নামক অশুভ শক্তির হাতে বন্দি সারাদেশ ও বিশ্ব। করোনা সাথে আবার ডেঙ্গুরোগীর সেবা,টিকা, চিকিৎসা ও সহয়তা করতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। যা একটি সদ্য উন্নয়নশীল দেশের সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। 


আমাদের যেসকল ভাইয়েরা বন্যায় কবলিত হয়ে দিনপার করছে তাদের সাহায্য করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এতে সিলেটের ভয়াবহ বন্যায় অনেক মানুষ তাদের সামর্থ্য অনুপাতে পর্যাপ্ত সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। তবে সিলেটের মতো বন্যাকবলিত বাকি অঞ্চলগুলোর দিকেও সরকারসহ সকলকে নজর দিতে হবে। বন্যায় কবলিত হয়ে যে ক্ষতি হয়েছে,তা বর্ণনাতীত। এসব ক্ষতি পূরণ হবার নয়। এই সকল দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে ও বন্যার পানি নেমে গেলেও এসব মানুষদের অনেকদিন সেই কষ্ট সহ্য করতে হয়। কারণ তখন মানুষ বিভিন্ন প্রকার পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়। বন্যার পর বিশুদ্ধ পানির অভাব প্রকট রূপ ধারণ করে। ফলে ডাইরিয়া,
কলেরা,আমাশয় বিভিন্ন রোগের প্রভাব মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। তাই সারা দেশের সকল সামর্থ্যবান মানুষ মানবতার সেবাই এগিয়ে আসলে এই দুর্যোগ মোকাবিলা করা কঠিন ও অসম্ভব নয়।


আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এসকল দু্র্গত মানুষের আবারো সহজেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবে, একথা আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। তাই ছাত্র,শিক্ষক,চাকরিজীবী, মানবিক সংগঠন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সকল মানুষকে সামর্থ্য অনুযায়ী আসুন দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছে দেই শুকনো খাবার,বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় ঔষধ। যারা বন্যার হারিয়েছে ঘর তাদের মাথা গোজার ঠাঁই কররে দিই ঘরের ব্যবস্থা করে,যাদের ফসল নষ্ট হয়েছে আসুন তাদের নতুন করে কৃষিকাজের জন্য পাশে দাঁড়াই। যারা গবাদিপশু হারিয়েছে তাদের হাতে তুলে দিই গবাদিপশু। ক্ষতিগ্রস্থ পোল্ট্রি ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের আবারো নতুন ব্যবসা শুরুর জন্য সহয়তাকরি। ব্যবসা ও বাণিজ্যে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জন্য সরকারি ও বেসরকারি সকল ব্যাংকের উচিৎ সহজ শর্তে পর্যাপ্ত ঋণদান করা এবং যেসকল ভাইয়েরা ঋণ নিয়েছিল তাদের ঋণ পরিশোধে সময় বাড়িয়ে দেওয়া।


আমরা জানি ক্ষুদ্রের মাঝে বৃহতের সৃষ্টি আমাদের দেশের এককোটি মানুষ যদি দানকরে একশত টাকা তাহলে সহজে জোগাড় হবে শতকোটি টাকা। আর যদি দানকরে একহাজার টাকা তাহলে নিমিষেই জোগাড় হবে শতশত কোটি টাকা। তাই এই উদ্যোগ আজ আমাদের গ্রহণ করতে হবে। দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও সামর্থ্যবান মানুষদের আজ দুর্গত মানুষের জন্য অনেককিছু করার আছে। যার সামর্থ্য যতটুকু সে অনুপাতে সাহায্য করলে খুব সহজেই গড়ে উঠবে একবিশাল ত্রাণতহবিল। আর এই তহবিল যথাযথভাবে ব্যবহার করে আমরা সহজেই ফিরিতে আনতে পারবো দুর্গতদের সুন্দর জীবন। তাই এধরনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সেক্টরকে এগিয়ে আসতে হবে।দেশের মানুষের উপকার করার সময় এখনই। আজ শুধু প্রয়োজন উদ্যোগ ও উদ্যোগতার। 


পরিশেষে, মনে রাখতে হবে এটা আমাদের জাতীয় সমস্যা তাই বর্ষার মৌসুম আসার আগেই এই দু্র্যোগ মোকাবিলা করার জন্য সরকার ও প্রশাসনকে যথাযথ পুর্ণবাসন সহায়তা মজুদ রাখতে হবে। এবং গত কয়েকদিন আগে অর্থ বাজেটে সিলেটে বন্যার্তদের সহায়তায় ত্রিশ লক্ষ টাকার একটি বিল উত্থাপন হয়েছে যা একেবারে সমীচীন নয়। আমরা সরকারকে অনুরোধ করবো সিলেটের জন্য আরো বেশি সাহায্য বিল পাস করা হক শুধু তাই নয়; পাশাপাশি দেশের অন্যান্য বন্যাকবলিত অঞ্চলকেও বঞ্চিত করলে চলবেনা এদিকেও আশু নজর দিতে হবে। সর্বোপরি বন্যার্ত তারা সমাজের অংশ আমাদের মতো মানুষ। আজ তারা বিপদগ্রস্ত, আগামীতে আমরাও বিপদে পড়তে পারি। আজ যেমন তাদের সাহায্যের দরকার আগামীতে আমাদেরও পড়তে পারে। সুতরাং আসুন মানবতার স্বার্থেই তাদের পাশে দাড়াই। জয় হক মানবতার। সকলের সার্বিক সহযোগীতায় সর্বহারা মানুষ আবারো তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক প্রার্থনা ও কামনা রইলো।


শিক্ষার্থী ও লেখক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
অর্থ সম্পাদক,বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ঢাকা কলেজ শাখা।

এই বিভাগের আরো খবর