ঢাকা, শনিবার   ২৫ জুন ২০২২,   আষাঢ় ১১ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
পদ্মায় স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
১৮দিন
:
১৯ঘণ্টা
:
০৬মিনিট
:
১০সেকেন্ড
সর্বশেষ:
সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর মধ্য দিয়ে দেশ নতুন যুগে প্রবেশ করেছে: শিক্ষামন্ত্রী মাথা নোয়াইনি, কখনো নোয়াবো না: প্রধানমন্ত্রী জনসভাস্থলে লাখো মানুষের ঢল দেশে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ পদ্মা সেতুতে টোল দিলেন প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করা হলো স্বপ্নের পদ্মা সেতুর কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, বললেন প্রধানমন্ত্রী

নড়াইলে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের দায়ে এক যুবককে ১৪ বছরের কারাদণ্ড

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল

প্রকাশিত: ২৬ মে ২০২২  

ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।

ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।

 

ড়াইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের দায়ে এক যুবককে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ওই যুবকের নাম মামুন শেখ (২৪)। এছাড়াও তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়। বুধবার (২৫ মে) বিকেলে নড়াইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জেলা ও দায়রা জজ সানা মো. মাহরুফ হোসাইন এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত মামুন শেখ নড়াইল সদর উপজেলার পেড়লি গ্রামের ফেরদৌস শেখের ছেলে।

 

মামলার বিবরণে জানা গেছে,নড়াইল সদর উপজেলার পেড়লি গ্রামের অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে স্কুলে যাওয়া আসার পথে আসামি মামুন প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত। ওই মেয়ের পরিবারের লোকজন মামুনের পরিবারের কাছে বিচার দিয়েও কোনো কাজ হয়নি। এরপর ওই মেয়েকে তার বাবা কংকন বৈরাগী নামে একজনের সঙ্গে বিয়ে দেন। কিন্তু মামুনের হাত থেকে রেহায় পায়নি ওই স্কুলছাত্রী।

 

উপায়ান্ত না পেয়ে মেয়েটিকে তার মামার বাড়ি সদর উপজেলার রতডাঙ্গা গ্রামে রেখে আসেন তার বাবা। ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর সকাল ১০ টার দিকে পোশাক বানানোর কথা বলে বাইরে এলে মামুন মেয়েটিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তাকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করেন। মামলায় ওই মেয়েটির জবানবন্দি থেকে জানা যায়, নিজেকে তিনি সাবালিকা মনে করেন। নাম বদলান এবং ২০২০ সালের ১১ ডিসেম্বর ইসলাম ধর্ম অনুসারে মামুনকে বিয়ে করেন।

 

আদালত এ মামলায় ১০ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। আসামি মামুন মেয়েটিকে ফুসলিয়ে অপহরণ করেছে বলে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে এই দণ্ডাদেশ দেন আদালাত।

এই বিভাগের আরো খবর