ঢাকা, বুধবার   ১০ আগস্ট ২০২২,   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
বিশ্বকাপের জন্য আকর্ষণীয় জার্সি উন্মোচন ব্রাজিলের চার বছর পর মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু আত্মঘাতী হামলায় পাকিস্তানের ৪ সেনা নিহত গাজায় অস্ত্রবিরতিতে জাতিসংঘের প্রশংসা আশুরার শোক মিছিলে নাইজেরিয়ার সেনাদের হামলা; বহু হতাহত ইসরাইলি দখলদারিত্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবে: হামাস ট্রাম্পের বাড়িতে এফবিআইয়ের অভিযান

পদ্মা সেতুতে টোল দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিদিনের চিত্র বিডি ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০২২  

ছবি- সংগৃহীত।

ছবি- সংগৃহীত।

 
স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে টোল দিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৫ ‍জুন) বেলা ১১টা ৪৭ মিনিটে পদ্মা সেতুর মুন্সীগঞ্জের মাওয়া পয়েন্টে টোল দেন তিনি।

 

এর আগে সুধী সমাবেশে যোগ দিয়ে বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে মাওয়া পয়েন্টে ১০০ টাকার স্মারক নোট অবমুক্ত, স্মারক ডাকটিকিট, স্যুভেনির শিট, উদ্বোধনী খাম এবং বিশেষ সিলমোহর উন্মোচন করেন শেখ হাসিনা।

 

এদিকে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর মাওয়া পয়েন্ট থেকে শরীয়তপুরের জাজিরা পয়েন্টের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। পরে জাজিরা পয়েন্টে পৌঁছে সেতু ও ম্যুরাল-২ এর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন শেখ হাসিনা। সেখানেও মোনাজাতে যোগ দেবেন তিনি।

 

এরপর মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়িতে সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত জনসমাবেশে যোগ দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

 

বিকেল সাড়ে ৫টায় জাজিরা পয়েন্ট থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

এদিকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ঘিরে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সরকার ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সরকারের মূল আয়োজন করা হয়েছে মূলত পদ্মার দুই পাড়েই। তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সারা দেশে একযোগে উদ্‌যাপনেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসককে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

 

২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সেতুর নির্মাণকাজে ৩৭ এবং ৩৮ নম্বর পিলারে প্রথম স্প্যান বসানোর মাধ্যমে পদ্মা সেতুর অংশ দৃশ্যমান হয়।

 

পরে একের পর এক ৪২টি পিলারের ওপর বসানো হয় ৪১টি স্প্যান। ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর শেষ ৪১তম স্প্যান স্থাপনের মাধ্যমে বহুমুখী ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতুর সম্পূর্ণ কাঠামো দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।

 

প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, মূল সেতু নির্মাণের কাজটি করেছে চীনের ঠিকাদার কোম্পানি চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) এবং নদীশাসন করেছে চীনের সিনো হাইড্রো করপোরেশন। ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে স্ব-অর্থায়নে সেতু প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে।

 

মূল সেতু নির্মাণের ব্যয় ১২,১৩৩.৩৯ কোটি টাকা (৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন টাওয়ার এবং গ্যাসলাইনের জন্য ১০০০ কোটি টাকাসহ) এবং ১৩.৮ কিলোমিটার নদীশাসন কাজের ব্যয় ৯,৪০০০.০ কোটি টাকা।

 

টোল প্লাজা এবং এসএ-২সহ ১২ কিমি অ্যাপ্রোচ রোডের নির্মাণ ব্যয় ১,৯০৭.৬৮ কোটি টাকা (২টি টোল প্লাজা, ২টি থানা ভবন এবং ৩টি পরিষেবা এলাকাসহ) যেখানে পুনর্বাসনের ব্যয় ১,৫১৫.০০ কোটি টাকা, ২৬৯৩.২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় ব্যয় ১২৯০.৩ কোটি টাকা, কনসালটেন্সি ৬৭৮৩.৭ কোটি টাকা এবং অন্যান্য (বেতন, পরিবহন, সিডি ভ্যাট এবং ট্যাক্স, ফিজিক্যাল এবং প্রাইস কন্টিনজেন্সি, ইন্টারেস্ট ইত্যাদি) ১,৭৩১.১৭ টাকা।

এই বিভাগের আরো খবর