ঢাকা, শনিবার   ২২ জানুয়ারি ২০২২,   মাঘ ৯ ১৪২৮

ব্রেকিং:
দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন কারণে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৪৮ প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচ সুভাষ ভৌমিক মারা গেছেন খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল ঢাকায় শাবিপ্রবির শিক্ষক প্রতিনিধি দল মা হলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, পাঠদান চলবে অনলাইনে করোনার ইতিহাসে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড

পাহাড়ী জনপদে ইউপি নির্বাচন

আসুন ‘সমাজদরদী’-কে নির্বাচিত করি

দীনময় রোয়াজা

প্রকাশিত: ২৬ নভেম্বর ২০২১  

ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।

ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।


 

কোথাও আনন্দ, কোথাও স্বজন হারানোর শোক, এ দুই বিপরীত অনুভবের এক গুমোট পরিবেশে সারা দেশে দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।

 

এ নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছেন তারা পরম সুখানুভুতি নিয়ে আনন্দ উল্লাসে বিজয় উদযাপন করছেন। যারা বিজয়ী হতে পারেননি তারা কেউ সম্মানের হা-হুতাশ, কেউ অর্থ ব্যয়ের অনুশোচনা, দেনার চিন্তা, আবার কেউ দ্ব›দ্ব সংঘাতে স্বজন হারানোর বেদনায় বিষাদে ভুগছেন।


এতসব আনন্দ বেদনা, শোকভারী মনের আক্ষেপের সঙ্গে পাহাড়ী জনপদে নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে আজকের নির্বাচনী আলোচনা করছি।


আমাদের দেশে কেন্দ্রীয় সরকার থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত কয়েকটি ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন এবং তৃণমূলে ইউপি নির্বাচন। সবকটি নির্বাচনই রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রান্তরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ ও ব্যপকতর বিষয়। ইউপি নির্বাচনকে স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচনও বলা হয়ে থাকে।

 

এবার কয়েকটি ধাপের নির্বাচন, জনপ্রতিনিধি ও প্রাসঙ্গিক কিছু বিষয় নিয়ে সামান্য আলোকপাত করছি। যেমন- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের খরচ অনেক বেশি। সংসদীয় আসনের এলাকা অনেক বড়। কয়েক লক্ষ ভোটারের কাছে প্রার্থী অথবা তার বিশ্বস্ত প্রতিনিধিকে যেতে হয়। গণসংযোগ করতে হয়, ক্যাম্পিং করতে হয়। শহর পেরিয়ে লোকালয়ে গিয়ে সভা, সমাবেশ ও সংলাপ করতে হয় ওই সংসদীয় আসনের প্রার্থীকে। প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, বড় বড় ব্যবসায়ী, শিল্লপতিদেরও মন জয় করতে হয় এমপি প্রার্থীকে। তাই স্বাভাবিকভাবে এ নির্বাচন অনেক ব্যয়বহুল ও দীর্ঘ পরিকল্পনার এক বিশাল আয়োজন। এসব নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার কতৃক সর্বোচ্চ খরচের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেয়া থাকে। খরচের বেলায়ও অনেক হিসেব-নিকেষ করে নির্বাচন পরিচালনা করতে হয়।

 

অন্যদিকে- শহর বা পৌরসভার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ক্ষেত্র একটু ভিন্ন। এসব নির্বাচনে কোথাও কোথাও একজন মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী খরচ একজন সংসদীয় প্রার্থীর খরচের চেয়ে দ্বিগুণ হয়ে থাকে। আবার কোথাও কোথাও সংসদীয় প্রার্থীর খরচের চেয়ে অনেক কমও খরচ হয়। সিটি করপোরেসনের নির্বাচনী এলাকার পার্থক্য ও পরিবেশের ওপর এই খরচ অনেকটা নির্ভর করে। সিটি করপোরেশন এলাকার অধিকাংশ ভোটাররা শিক্ষিত আর সচেতন হওয়ায় তৃণমূল নির্বাচনের মত উপড়ি (বাড়তি) খরচ বেশি গুণতে হয় না। ক্যাম্পেইন, প্রচার, আর কর্মীদের খরচ-ই যা। এর বাইরে তেমন উল্লেখযোগ্য খরচ নেই। তবে অনেক অদৃশ্য খরচ থাকে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনগুলোর পিছনে। শহরকেন্দ্রিক নিম্ন আয়ের মানুষের (যেমন-বস্তিবাসী) ভোট নিতে গেলেও  আজকাল বিনিময় হিসেব করতে হয়। কারণ নির্বাচনে এসব মানুষদের ভোট নিতে প্রার্থীরা কিছু সহজ উপায় বের করে রেখেছেন আগে থেকেই। এসব ভোটারদের চাহিদা সামান্য, এরা এলাকার উন্নয়ন কমই বুঝে। নিজের জন্য বা পরিবারের জন্য কিছু পেলে তাতেই বেজায় খুশি। আর এই স্বল্পে সন্তুষ্টির কৌশলটি প্রার্থীরা অনায়াসে যেন এখন প্রথাসিদ্ধ করে ফেলেছে।

 

অপরদিকে যত গেঞ্জাম আমাদের তৃণমূলের ইউপি নির্বাচনে। গ্রামবাসীরা মুখিয়ে থাকে, কখন ইউপি নির্বাচন আসবে। চেয়ারম্যান, মেম্বার প্রার্থীদের কাছ থেকে কি, কি দাবী আদায় করা যায়। সেসব হিসেব নিয়ে পাড়ায় মহল্লায় জোটবেঁধে পরিকল্পনা করা হয়। সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় সংগঠনের নামে অর্থ বা ব্যবহারী সামগ্রীর দাবি আদায় করা হয়। এসব দাবি কিন্তু শুধু দাবি নয়, এসবকে তারা তাদের ন্যায্য দাবিও মনে করে।

 

আবার অনেকে এও মনে করে, নির্বাচনে জিতে গেলে মেম্বার বা চেয়ারম্যানের সাক্ষাত পাওয়া বা কিছু আদায় করা অনেক কঠিন কাজ। তাই এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে যতটুকুই নেয়া যায় তাই লাভ। যেমন, নিজের জন্য একটি টাচ্ মোবাইল সেট, বৌ আর চার পাঁচ ছেলেমেয়েদের জন্য একখানা করে শাড়ী কাপড়, আর অল্প কিছু নগদ টাকা হলেও কম নয়। এ আর কতই বা বেশি?

 

স্থানীয় নির্বাচনে ভোটারদের নানান রকমের দাবি আর আবদার থাকে। কেউ আবার পুরোনো কাসুন্দি নিয়েও হাজির হয়। যেমনÑ কেউ বলবে, বেটা গতবারে কথা দিয়েছিল, নির্বাচিত হলে আমাকে ১টি টিউবওয়েল আর সোলার দেবে, কিন্তু কথা রাখেনি। এবার ক্যাম্পিংয়ে আসুক, সব সুদে-আসলে আদায় করে নেব। নয়তো বলে দেবোÑ আমরা মিথ্যাবাদীকে ভোট দেব না। পাড়ার মুরুব্বি বলে দেবে, গতবার চেয়ারম্যানের কথামতো আমরা সংসদ নির্বাচনে তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি। কথা ছিল গ্রামে রাস্তা করে দেবে, খালের ওপর ব্রিজ হবে, কিন্তু কোনোটাই হয়নি। চেয়ারম্যান এবার ভোট চাইতে আসুক নগদেই সব আদায় করে নেব।

 

নির্বাচন এলে প্রার্থীদের কাছে ভোটাররা এমন অনেক দাবি আর আবদার নিয়ে হাজির হয়। এবং এসব দাবি আদায়ের মত মানুষের  সংখ্যা তৃণমূলে নেহায়েত কমও নয়। তাই ইউপিতে যারা নির্বাচনে প্রার্থী হন তাদের শক্তি সামর্থ্যরে দিক থেকে শক্ত হয়েই কোমড় বেঁধে মাঠে নামতে হয়।

 

এবার আসি একটি ওয়ার্ডের একজন মেম্বার প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যক্রমের আলোচনায়। মেম্বার প্রার্থীরা ওয়ার্ডের সব ভোটারদের কাছে অতিপরিচিতই থাকেন। কারণ একটি ওয়ার্ডের আয়তন আর জনগণ খুব বেশি নয়। তাই সবারই চেনা-জানা থাকে একে অপরকে। নির্বাচন এলে কোনো ওয়ার্ডে একাধিক মেম্বার প্রার্থী হলে সুপরিচিত আত্মীয় স্বজনরাও যেন কেমন অনাত্মীয় হয়ে যায়! তাদের আচরণ থাকে দূরের মানুষের মতো। সেসব ক্ষেত্রে মেম্বার প্রার্থীর অনেক পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। তখন অনেকে টাকা বা স্বার্থকেই সবকিছু মনে করে। তখন অনেক প্রার্থী নিরুপায় হয়ে ভোটের আশায় অর্থ খরচ করতে বাধ্য হন। চেষ্টা করে একটি পরিবারের পরম বন্ধু হয়ে ভোট লাভের জন্য।

 

নির্বাচনের দিন আরেকটি বিষয় খুবই লক্ষনীয় থাকে যে, দূরের ভোটারদের কেন্দ্রে নেয়ার জন্য অনেক প্রার্থী যানবাহনের ব্যবস্থা করে থাকেন। আবার বয়স্ক ভোটারকে কেন্দ্রে নিয়ে যেতে প্রার্থীর কর্মীরা অনেক প্রবীণদের কোলে তুলে নিতেও দেখা যায়। নির্বাচনের দিন এমন  মহানুভব দৃশ্য চোখে পরলেও বছরের অন্য সময় আমরা যেনো এসব ভাবতেও পারি না। ভোটের দিনের মিলন মেলা এক অনন্য পরিবেশ তৈরি করে এলাকাবাসীর মাঝে। দিনের শেষভাগে এসে কেউ হাসে কেউ কাঁদে। অনুশোচনা, অনুতাপ নিয়ে কেউ ঘরে ফিরে, আবার কেউ ফিরে বিজয়ের মালা পরে।

 

অনেকে নিশ্চিত বিজয়ী হবার আশায় বুকবাঁধার পরও অপ্রত্যাশিত পরাজয়ের গøানি নিয়ে হাহাকার বুকে বাড়ি ফিরে। এসব নির্বাচনে নিমিষেই আপন পর হয়ে যায়। আবার কখনো কখনো পরও অনেক ঘনিষ্ঠ বা আপন হয়ে যায়।

 

আমি আমার ছাত্রজীবনে দেখেছি নির্বাচনে একজন পরাজিত মেম্বারকে নদীর ধারে বিলাপ করতে। আরেকজনকে দেখেছি ছন্নছাড়া হয়ে ভবঘুরে হতে। তাই আমার চোখে ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এক কঠিন কাজ। তবে অসম্ভব নয়। দীর্ঘ আর পরিচ্ছন্ন পরিকল্পনায় সেবাব্রত নিয়ে কাজ করলে সহজেই সফল হওয়া যায়।

 

অনেকেই প্রশ্ন করে, কি হেতু আছে এ নির্বাচনে? লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে মেম্বার প্রার্থী হবার দরকারই বা কেন? পাহাড়ী জনপদের একজন মেম্বারের হাতে পাঁচ লক্ষ টাকার সরকারি বরাদ্দ আসবে কী? যদিওবা কিছু বরাদ্দ আসে তা কি সংশ্লিষ্ট মেম্বার উন্নয়ন কাজে খরচ করবেন নাকি নির্বাচনকালীন খরচ পুষিয়ে নেয়ার হিসাব করবেন!

 

আমার ধারণামতে পাহাড়ী জনপদে সমাজ নেতা বা সমাজকর্মীদের অগাধ সম্পত্তি ও ব্যবসাপাতি নেই বললেই চলে। কারো, কারো সহায় সম্পত্তি বলতে এককানি জমি বা দুই/এক একর পাহাড় বা টিলা আছে। এ দিয়ে টেনেটুনে কোনোভাবে সংসার চালান বেশিরভাগ পাহাড় জনপদের মানুষেরা। এদের অনেকে ইউপি নির্বাচনে এলে তোষামোদকারীদের প্ররোচণায় প্রার্থী সেজে নির্বাচনে খরচ করে ফতুর হয়ে বসেন। অনেকে ধার-দেনা, সম্পত্তি বন্ধক রাখতেও একটু ভাবেন না। কিন্তু পরে পস্তাতে পস্তাতে জিহ্বাহ শুকিয়ে ফেলেন। সম্পত্তি বন্ধক রেখে নির্বাচনে খরচ করা অনেকে বিজয়ী হয়েও পাঁচ বছরে বন্ধকী সম্পত্তি উদ্ধার করতে পারেনি। এমন কি তিনি কর্জ মুক্ত হতে পেরেছেন বলেও শুনিনি। তারপরও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বলে কথা।

 

এরপর ব্যক্তি, সংগঠন আসবে চাঁদার জন্য? এদের না দিয়ে পারা যায় কী? না, কিছু না কিছু দিতেই হয়। আমার প্রশ্ন- তাহলে কী শুধু জনপ্রতিনিধি হবার জন্যই এ ত্যাগ, আর শ্রম? নাকি ব্যবসার জন্য নির্বাচন? এসব নির্বাচিত মেম্বারদের যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে সেখান থেকে কিছুটা ত্যাগ করা সাজে। আর নিজের যদি কিছুই না থাকে তাহলে ত্যাগ করবেটা কি?

 

আমি মনে করি, ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের লক্ষ, লক্ষ টাকা খরচ অর্থের অপচয়তো বটেই, এটি অর্থের তছরূপও বলা যায়। অন্যভাবে এটিকে মানি লন্ডারিং বললেও ভুল হবে না। অর্থ প্রাপ্তির কোনো উৎস ব্যতিরেকে এ অর্থ কোনো অনুৎপাদন খাতে খরচ করা বা ছড়িয়ে দেয়াটা অর্থের অবমূল্যায়ন, যা মানিলন্ডারিং।

 

অথচ এসব নির্বাচনে এমন অপচয় না করে এ পরিমাণ অর্থ কোনো দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়ালেখার জন্য খরচ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান হিসেবে দিলেও তা মহতী কাজের অংশ হতো।

 

এবার বিপরীত আলোচনায় বলি, সব দোষ কি শুধু প্রার্থীদের? সাধারণ ভোটাররা দুধে ধোয়া তুলশী পাতা! না, একেবারেই তা নয়। গ্রামের অনেক চতুর ভোটার আছেন যারা ভালো মানুষ সেজে একাধিক প্রার্থির এজেন্ট সেজে পকেট খালি করার কাজে ব্যস্ত থাকেন। এরা প্রার্থীদের কানে কানে কু-মন্ত্রণা দেবে যে, অমুক প্রার্থী অমুক জায়গায় এতো টাকা ছড়িয়ে দিয়েছে। আর তুমি হাত গুটিয়ে বসে আছ কেন বাপু? টাকা জোগাড় করে দাও। আমি নিজেই দিয়ে আসি।

 

এরা এসব অপকর্ম করে অনেক প্রার্থীকে ভিখারী করে দেয়া। নির্বাচনী মৌসুমে এসব লোকেরা এমন সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। প্রার্থীদের পকেট খালি করে নিজের পকেট ভারী করা। এটাই তাদের স্বভাব।

 

এবার বলবো তাহলে কী গ্রাম ও সমাজ উন্নয়নে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রয়োজন নেই? অবশ্যই আছে। তবে এভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থের অপচয়, মারামারি, খুনোখুনি বা সংঘাত দিয়ে নয়।

 

পাহাড়ের প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্বাচন ইস্টিয়ারিং কমিটি বা প্যানেল কমিটি করা আবশ্যক। এ কমিটি ঠিক করবে যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে। যেন বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় তাদের প্রার্থী নির্বাচিত হয়। আর অনাকাঙ্খীতভাবে যদি একাধিক প্রার্থীও হয়ে থাকে, তাহলে নিশ্চিত করতে হবে যে, নির্বাচনে পোস্টার আর প্রচার খরচ ছাড়া অন্য কোনো খাতে যেন অর্থ বিলিয়ে না দেয়। সাধারণ ভোটারগণও অর্থের বিনিময়ে নয়, যোগ্য প্রার্থীকে যেন ভোট দেয়। তবেই পাহাড়ী জনপদে শান্তি আসবে, উন্নয়নের গতি বাড়বে।

 

তাহলে আসুন, সবার ঐক্যমতে আমাদের মনোনীত সমাজদরদী যোগ্য ব্যক্তিকেই আমরা নির্বাচিত করি।

 

লেখক: ডিজিএম, বাংলাদেশ ব্যাংক ও কলাম লেখক।

 

এই বিভাগের আরো খবর