ঢাকা, শুক্রবার   ১৮ অক্টোবর ২০১৯,   কার্তিক ২ ১৪২৬

ব্রেকিং:
গ্রামীণফোনের ১২৫৮০ কোটি টাকা আদায়ে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা * ভারতজুড়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি *
সর্বশেষ:
দেশ - প্রধানমন্ত্রীকে জার্সি উপহার দিলেন ফিফা সভাপতি * বেসরকারি কলেজগুলোকেও ইউজিসির নজরদারিতে আনার নির্দেশ * অবশেষে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হলেন আবরারের ছোট ভাই* এমপিওভুক্তির দাবিতে আমরণ অনশনের হুমকি শিক্ষকদের * অনুমতি না দিলেও সমাবেশ করবে ঐক্যফ্রন্ট * সংবাদ বিশ্ব - ফিলিপাইনে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ৪ * ইমরান খানের অবৈধ অর্থের সন্ধান দিলেন স্ত্রী * সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫ ওমরাহযাত্রী নিহত * খেলাধুলা - ভারতের বিপক্ষে টাইগারদের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা* চলে গেলেন আমেরিকান বক্সার প্যাট্রিক ডে

আদালতে কাঁদলেন অমিত সাহা

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০১৯  

পঠিত: ৮৭৭
ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে রিমান্ড শুনানির এক ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি কাঁদেন।

বিকাল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে অমিত সাহাকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এ সময় হাতকড়া পড়ানো অমিত সাহাকে এজলাসের ডকে রাখা হয়। এর কিছু সময় পর আদালতে বিচারক আসলে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর একফাঁকে অমিত সাহার সঙ্গে সাংবাদিকদের কথা হয়।

অমিত সাহা বলেন, ঘটনার দিন আমি সেখানে ছিলাম না। রাত দেড়টার দিকে খবর পেয়েছি। আমি মিথ্যাভাবে ফেঁসে গেলাম। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

সহপাঠী আবরারকে পিটিয়ে হত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমিও তো একজন মানুষ। এ কথা বলে অমিত সাহা ডকে দাঁড়িয়ে অঝোরে কাঁদতে থাকেন। শুনানির সময় অমিত সাহাকে বেশ কয়েকবার কাঁদতে দেখা যায়।

এদিকে শুনানি শেষে অমিত সাহার তিনদিনের রিমান্ড আদেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ। এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান আসামি অমিত সাহার ফের সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

প্রসঙ্গত, আবরার হত্যার সবচেয়ে আলোচিত নাম অমিত সাহা। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমকে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বুয়েট ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম তার অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।

ঘটনার বর্ণনায় সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম বলেছিলেন, ‘আবরারকে শিবির সন্দেহে রাত ৮টার দিকে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে আনা হয়। সেখানে আমরা তার মোবাইলে ফেসবুক ও ম্যাসেঞ্জার চেক করি। ফেসবুকে বিতর্কিত কিছু পেজে তার লাইক দেয়ার প্রমাণ পাই। সে কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগও করেছে। আমরা তার শিবির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাই। আবরার ফাহাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বুয়েট ছাত্রলীগের উপ-দফতর সম্পাদক ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুজতবা রাফিদ, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ-আইন সম্পাদক অমিত সাহা।

এ বক্তব্যে অমিত সাহার নাম থাকলেও পরে ছাত্রলীগের তদন্তে এই ছাত্র ক্যাম্পাসের বাইরে ছিল উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করা হয়। আর প্রথম দিকে মামলার এজাহারেও অমিত সাহার নাম বাদ পড়ে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এ নিয়ে আবরার হত্যার ঘটনায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হল।

তাকে গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ।

অমিত বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ১৬তম ব্যাচের ছাত্র।

এই বিভাগের আরো খবর