Berger Paint

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২,   আশ্বিন ১৪ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
এসএসসির নির্বাচনি পরীক্ষার ফল ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ কোনো দলকে সমর্থন নয়, বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন চায় যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে ভারত আরও তিন বছরের সাজা পেলেন অং সান সু চি করতোয়ায় নৌকাডুবি: পঞ্চম দিনের উদ্ধার অভিযান চলছে

“শিক্ষক শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠান”

রহিমা আক্তার মৌ

প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২  

রহিমা আক্তার মৌ, ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।

রহিমা আক্তার মৌ, ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।


টনাটি ২০১৪ সালের। ফাঁস হওয়া প্রশ্ন পত্রের জবাব লিখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পরীক্ষার হলের সামনে এনে শিক্ষার্থীদের সব বলে দিচ্ছে। এই নিয়ে প্রতিবাদ করে এক অভিভাবক, তার সাথে আরো কয়েকজন এক হলে ঘটনা কিছুটা ভিন্নদিকে যায়। প্রতিষ্ঠানের অন্য শিক্ষক এসে উক্ত শিক্ষককে সরিয়ে নিয়ে যায়। ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান এসে শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চায় কোন শিক্ষার্থী সে যার অভিভাবক হলের সামনে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষককে ফোর্স করে। সব শিক্ষার্থী চুপ থাকে, সেই অভিভাবকের সন্তান ভয়ে চুপসে যায়। যদি কেউ তার নাম বলে, তার তো........।

 

শুধু মাত্র এই কারণে উক্ত অভিভাবক কখনই আর সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যায় নি, শিক্ষকদের মুখোমুখি হয়নি। কেউ বলতে পারেন তবে কি অভিভাবকের সাহসের অভাব ছিল? না, সাহসের অভাব নয়। শুধু মাত্র সন্তানের ভবিষ্যৎ এর কথা ভেবে চুপ ছিলেন। শিক্ষার্থী বা অভিভাবক দুজনের কারোই কোন অপরাধ নেই, সব অপরাধ শিক্ষকের। তবুও চুপ থাকতে হয় অভিভাবকদের, কারণ তারা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত।

 

"বোন মারা গেছে, তুমি তো সুস্থ্য ছিলে, পরীক্ষায় অংশ নেওনি কেন?"- রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত কথিত নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বক্তব্য এটা। দুই সন্তান আর নিজেরা দুজন, চার সদস্যের পরিবার। ছোট মেয়ের হার্টের সমস্যা। দেশে অনেক চিকিৎসার পর ভারতে নিয়ে যাওয়ার স্বীদ্ধান্ত। ছোট মেয়েকে নিয়ে যাবে বড় মেয়ে থাকবে কার কাছে? বড় মেয়ে একাদশ শ্রেনীতে পড়ে তথাকথিত একটা নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। ছুটির জন্যে আবেদন করা হয়, উনারা ছুটি দেন। এক মেয়েকে নিয়ে এত্ত দৌড়াদৌড়ি এত্ত খরচ। সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী শিক্ষার এক শিক্ষকের কাছে মেয়েটি তিনটা বিষয়ে প্রাইভেট পড়ত। এত খরচ চালাতে না পেরে দুমাস আগে প্রাইভেট বন্ধ করে ওর বাবা মা। ভারত থেকে এসে দেখে একাদশ থেকে দ্বাদশে উঠার পরীক্ষা হয়েছে। পরীক্ষা দেয়ার আবেদন জানিয়ে আবেদনপত্র দেয়। এর মাঝে ছোট বোন মারা যায়। দিনে ওর ৩ টা করে পরীক্ষা নেয় প্রতিষ্ঠান। সব বিষয়ে পাশ করলেও ওই শিক্ষকের কাছে পড়া দুইটা বিষয় ফেল করে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান বলে, পাশ না করলে দ্বাদশে তোলা হবে না। সেই শিক্ষকের কথা ওকে দ্বাদশে তুললে, ও এইচএসসিতে ফেল করবে, প্রতিষ্ঠানের দুর্নাম হবে। ওকে একাদশে আবার থাকতে হবে, নইলে টিসি নিয়ে চলে যাক।

 

একজন শিক্ষার্থীর একটা বছর মানে অনেক কিছু। ওর ফলাফল ভালো বলেই নামকরা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। বছর লস দিয়ে প্রতিষ্ঠানের মাসিক বেতন মোটা অংকের দিয়ে একটি শিক্ষার্থীর জীবন থেকে তারা একটা বছর কেড়ে নিতে চাইল। বাধ্য হয়ে ওকে অন্য কলেজে নিয়ে দ্বাদশে ভর্তি করায়। ও এইচএসসিতে ৪'৮৮ পায়। সব কিছু জানার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের এমন বক্তব্য কি কোন শিক্ষার্থী বা অভিভাবকের স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারে? পরে জানা যায় সেই দুই বিষয়ে উক্ত শিক্ষক ইচ্ছা করেই শিক্ষার্থীকে ফেল করিয়ে দেয়। সেই শিক্ষার্থী অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম বিভাগে পাশ করে ব্যাংকে জব করছে।

 

একই ক্লাসের শিক্ষার্থী সংখ্যা ৮০ জন। পরীক্ষা হলে ৪০ খাতা দেখেন এক শিক্ষক, ৪০ দেখেন আরেক শিক্ষক। একজনের ৪০ খাতার সব্বাই খুব ভালো নাম্বার পায়, সব্বাই পাশ করে। অন্যজনের ৪০ খাতার মাঝে ৭/৮ জন পাশ করে অন্যরা সকলেই ফেল। যে শিক্ষার্থীদের সবাই জিপিএ ৫ পেয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হল। তাদের ৩২/৩৩ জন একসাথে ফেল করবে ৩০ নাম্বারের পরীক্ষায়, বিষয়টা ভাবিয়ে তোলে শিক্ষার্থীদের। ওরা নিজেরাই পাশ ও ফেলের খাতা মিলায়। দুই শিক্ষকের দেখা খাতা মিলায়। অত:পর দেখে খাতা দেখেছেন যা ইচ্ছে তাই করে। এই নিয়ে কথা হতে হতে কথা পৌঁছায় প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কানে৷ আলোচনা সমালোচনা, দুই শিক্ষককে ডাক দেন প্রধান। পরে ফেল করিয়ে দেয়া শিক্ষক এসে ক্লাসে শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখান। ধমক দেন। অত:পর পরের পরীক্ষার আগে প্রতিষ্ঠান প্রধানের নির্দেশে সব শিক্ষার্থীদের পাশ নাম্বার দিতে বাধ্য হন ওই শিক্ষক।

 

৩০ নাম্বারের পরীক্ষা, অনেকে বলবেন এই আর এমন কি? এত্ত কিছু হওয়ার কি আছে? পাবলিক কিছু পাইলেই হইল.......। আচ্ছা একবার ভাবুন, আপনার সন্তান ভালো ফলাফল করে ভালো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হল৷ উক্ত ক্লাসের প্রথম পরীক্ষার সব বিষয়ে পাশ করে সে এটাতে ফেল করল। আপনার কেমন লাগে সেটা পরের কথা, ওই শিক্ষার্থীর মনের অবস্থা কেমন হতে পারে? বলতে পারেন অল্পতে এত মাথা ঘামানোর কি আছে? অল্প বা বেশি সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা হল যদি ৮০ জনের মাঝে ৪০ জন ফেল করত সমস্যা ছিল না। তবে কি বেছে বেছে সব ফেলের খাতা ওই শিক্ষকের কাছেই গেলো? আসল সত্য ওই শিক্ষক প্রাইভেট পড়ান, ওনার কাছে কেন শিক্ষার্থীরা পড়ে না সেই রাগে উনি তাই করলেন।

 

সাধারণত এসএসসি পাশ করে কলেজে ভর্তি হওয়ার পর যদি মনে করে যে শিক্ষার্থীর প্রাইভেট পড়া লাগবে তাহলে সে তখন পড়বে। অথচ তথাকথিত এক শিক্ষকের কাছে পড়তে হলে টেস্ট পরীক্ষার পরপরই উনার খাতায় নাম লিখাতে হবে। নাম তো আর এমনি এমনি লিখলে হবে না, এক মাসের টাকা দিতে হবে। কথা হল শিক্ষার্থী যদি ফাইনাল পরীক্ষা দেয়ার জন্যে উপযুক্ত না হয় তাহলে? শিক্ষার্থী যদি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয় তাহলে? হ্যাঁ উক্ত শিক্ষক কোন শিক্ষার্থী বা অভিভাবকে ডেকে আনেন না। কিন্তু উনার কাছে পরে পড়তে গেলে আসন সীমিত বলে পড়া যায় না।

 

একটা সময় ছিল স্কুলে একবার ভর্তি হলেই হতো, পাশ করবে আর উপরের ক্লাসে উঠবে। এখন পাশের সাথে সাথে প্রতিবছর ভর্তির জন্যে একটা মোটা বাজেট রাখতে হয়। ২০০২ সালে আমার বড় সন্তান ক্লাস ওয়ানে পড়ে। পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে সে দ্বিতীয় শ্রেনীতে উঠে। দ্বিতীয় শ্রেনীতে ভর্তির জন্যে যখন একটা বড় বাজেট চায়, আর সে কথা ওর বাবা শুনে বলে, "ভর্তি তো ওয়ানে করিয়েছি, আবার ভর্তি?" অবশ্য এরপর থেকে আর প্রশ্ন করেনি।

 

প্রতিবছর উপরের ক্লাসে উঠে আর ভর্তি হয়। বোর্ড বইয়ের পাশাপাশি স্কুল থেকে অনেক বই ও খাতা কিনতে হয়। এখানেও একটা বড় বাজেট, আবার যত নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তত বেশি হয় বাজেটের পরিমান। ক্লাস যত উপরে বাজেট ও তত উপরে উঠে। এই বই খাতা কেনার জন্যে প্রথম শ্রেনীতে যদি ৮০০/ দিতে হয় দ্বিতীয় শ্রেনীতে ১২০০/, তৃতীয় শ্রেনীতে ১৫০০/।  এটা একটা নমুনা মাত্র। এই ভাবেই বাড়ে বাজেট।

 

প্রতিবছর বইয়ের সাথে শিক্ষার্থীদের একটা করে অভিধান কিনতে হয়। ক্লাস যত উপরে অভিধানের সাইজ ও তত মোটা হয়। অথচ শিক্ষার্থীরা অনেকেই এসব ধরে দেখে না, কারণ তাদের বাসায় এরচেয়ে আরো ভালো মানের অভিধান থাকে। দুই তিন বছর যখন একই ভাবে অভিধান আসা শুরু হয়েছে আমার ঘরে। আমি অভিধান নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিসে যাই, এই বিষয়ে কথা বলতে চাই। আমার প্রশ্ন - কেন প্রতিবছর এমন একটা করে দেয়া হয়?

 

অফিস রুমের কেউ জবাব দিচ্ছে না। এক শিক্ষকের সাথে কথা বলতে বলল, উনাকে জিজ্ঞেস করায় বললেন, প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলতে। দুইদিন ঘুরে পেলাম উনাকে। একই প্রশ্ন উনাকে, উনি জানালেন এই বিষয় অন্য শিক্ষক দেখেন। সেই শিক্ষককে প্রশ্ন করলে উনি সহজ জবাব না দিয়ে এলোমেলো করলেন। আমিও এর শেষ দেখতে চাই বলে আবার প্রধান শিক্ষকের কাছে। এবার সেই শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক একসাথে। উনারা আমাকে বুঝালেন যে শিক্ষার্থীদের ভালোর জন্যে এটা দেন। আমি বললাম, আমার ঘরে এর চেয়েও উন্নতমানের আছে। বললেন, আপনি সচেতন তাই আপনার ঘরে আছে, সবার ঘরে নেই। আমিও বললাম, রাজধানীর বুকে অবস্থিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীর বাসায় উন্নতমানের থাকবে না এটা অবিশ্বাসের। হ্যাঁ ২/৩ জনের না থাকতে পারে, সে ২/৩ জনের জন্যে কি প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষার্থীকেও কিনতে হবে?

 

উনারা আমাকে বললেন, আপনি আপনার বাসার অভিধান ফেরত দিন টাকা দিয়ে দিব। আমি বললাম, আমি টাকা নিতে আসিনি। আর টাকা যদি ফেরত দিতে হয় পুরো প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থীর অভিধানের টাকা ফেরত দিতে হবে। উনারা চুপ হয়ে গেলেন। আমি এটাও বলি, "নিয়ম হল আপনি বিভিন্ন ধরনের অভিধান প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরিতে রাখবেন, যে শিক্ষার্থীর যখন যেটা লাগবে সে সেটা খুঁজে নিবে।"

 

"শিক্ষায় বড় পরিবর্তনের লক্ষ্যে ২০২১ সাল থেকে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রম ও সূচিতে আসছে পরিবর্তন। শিশুদের পড়াশোনার চাপ কমাতে প্রাথমিক স্তরে পাঠ্যবইয়ে বিষয়বস্তু কমিয়ে আনা হচ্ছে। মাধ্যমিক স্তরে (মানবিক, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য) বিভাগ বিভাজন থাকছে না।.....। চলমান পাঠ্যক্রম অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৩টি করে পাঠ্যবই এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৬টি করে পাঠ্যবই পড়তে হয়। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ১৩টি পাঠ্যবই পড়তে হয়। নবম ও দশম শ্রেণিতে ২৭টি এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ৩৯টি পাঠ্যবই পড়তে হয়। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণিতে ‘নৈতিক শিক্ষা ও ধর্ম, শারীরিক শিক্ষা ও চারুকলা’ এরকম একই বিষয়গুলোকে একত্রিত করে বই কমিয়ে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বর্তমানে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা মান কমিয়ে ৫০ নম্বরে আনা হবে। বাকি ৫০ নম্বর থাকবে ধারাবাহিক মূল্যায়নের জন্য।.... চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে পাঠ্যক্রম পরিবর্তন করা হচ্ছে। এছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা, উন্নত দেশে পরিণত হতে রূপকল্প ২০৪১ অর্জন এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের শিক্ষাক্রমের সংগতি রেখেই পরিবর্তন ও পরিমার্জন করা হবে নতুন পাঠ্যবইয়ে।

 

এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. মশিউজ্জামান বলেন, ক্লাসে ব্যবহারিক ও ধারাবাহিক মূল্যায়নকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যে বিষয় যে শ্রেণিতে শেখা গুরুত্বপূর্ণ নয়, সেই বিষয় মুখস্থ করতে হয় শিক্ষার্থীদের। সে কারণে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ পড়ে যায়। আমরা সেই জায়গাটি নিয়েই কাজ করছি। বিষয়বস্তু কমিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে শিশুদের বইয়ের বোঝা কমে আসবে, পড়াশোনার চাপ কমবে, একই সঙ্গে পরীক্ষার চাপও কমবে।"-- (তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশ জার্নাল, ১ জানুয়ারি ২০২০)

 

লেখক: সাহিত্যিক, কলামিস্ট ও প্রাবন্ধিক

এই বিভাগের আরো খবর