টেকনাফ সীমান্তে গোলাগুলির শব্দ: আতঙ্কিত স্থানীয়রা

আনোয়ার হোসেন

১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৭:৫৩ পিএম


টেকনাফ সীমান্তে গোলাগুলির শব্দ: আতঙ্কিত স্থানীয়রা

ছবি- সংগৃহীত।

 

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনছিপ্রাং সীমান্তের নাফনদীর ওপার থেকে রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা থেকে আবারও গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের গোলাগুলি এখনও চলমান রয়েছে। এর আগে শনিবার সকাল ১১টা থেকে সারাদিন টেকনাফ সীমান্তের ওপারে কোনো গোলাগুলির শব্দ শোনা না গেলেও ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত ওই এলাকা থেকে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। 

 

উনছিপ্রাং সীমান্তের স্থানীয়দের দাবি, আরাকান আর্মি ও অন্যান্য বিদ্রোহীরা টেকনাফ অংশে মিয়ানমারের শহর বলিবাজার ও কুমিরখালী ঘাঁটি দখল নিতে এই হামলা চলছে। কুমিরখালী ঘাঁট বড় হাওয়ায় বিদ্রোহীরা সহজে দখল নিতে পারছে না। টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারি বলেন, রবিবার সকাল ৭টা থেকে লম্বাবিল, উনচিপ্রাং, কানজর পাড়া সীমান্তের নাফ নদীর ওপারে গুলি, মর্টার শেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে। সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের কুমিরখালী ও বলিবাজার ঘাঁটি দখল নিতে এই সংঘর্ষ। সীমান্তের এপারে লম্বাবিল ও উনচিপ্রাং এলাকায় কয়েকটি গুলি এসে পড়েছে। সীমান্তের কাছাকাছি যারা বসবাস করে তাদের নিরাপদস্থানে আসার জন্য বলা হয়েছে। 

 

উনছিপ্রাং এলাকার বাসিন্দারা বলেন, সকাল থেকে গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাচ্ছি। এতে আমাদের এলাকার মানুষ  অনেক আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। গোলাগুলির শব্দ মূলত মিয়ানমারের বলিবাজার থেকে শোনা যাচ্ছে। এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, সীমান্তে কিছু জায়গায় গুলিবর্ষণের খবর পেয়েছি। তবে অন্যদিনের তুলনায় সীমান্তে গোলাগুলি কমেছে। সীমান্ত দিয়ে যাতে কেউ অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে জন্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছি আমরা। এদিকে রাখাইনের একটি শহর নিজেদের দখলে নিয়ে নেয় আরাকান আর্মি। এরপরই আশপাশের গ্রামে তীব্র গোলাগুলি শুরু হয়। গত ৪ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশে আসে মিয়ানমার সেনাসহ বিভিন্ন বাহিনীর ৩৩০ জন সদস্য। তাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা চলছে।

 

Ads