হেলথ টিপস : ক্যান্সার প্রতিরোধী খাবার
১৯ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৫:৩৫ পিএম
খাবার দাবারের ধরন, ব্যায়াম না করার অভ্যাস আর শরীরের বাড়তি ওজন-শতকরা প্রায় ৪০ ভাগ ক্ষেত্রে এগুলো ক্যান্সারের কারণ। আবার সব ধরনের ক্যন্সারের প্রায় ৩০ শতাংশই খাবারের সাথে সম্পর্কযুক্ত। খাবারের ধরন ক্যন্সারের একটা রিস্ক ফ্যাক্টর। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। অতএব, খাবার হচ্ছে ক্যান্সারের পরিবর্তনযোগ্য রিষ্ক ফ্যাক্টর। খাবারে বেশি বেশি ফলমূল, শাক সবজি থাকলে কোন কোন ক্যান্সার ও ক্রনিক অসুখ কম হয়। এসব খাবারে আছে ক্যান্সার প্রতিরোধী কিছু উপাদান। ক্যান্সার প্রতিরোধী কয়েকটি খাবারের উদাহরণ হচ্ছে:
ফলমূল ও শাকসবজি: আমাদের হাতের কাছেই আছে প্রচুর ফলমূল ও শাকসবজি। এসবের বিভিন্ন এন্টি-অক্সিডেন্ট ও ফাইটোকেমিক্যাল আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। স্বাস্থ্যকর দীর্ঘ জীবনের জন্য এবং ক্যান্সার প্রতিরোধের আশায় আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় বিভিন্ন ধরনের ফলমূল ও শাকসবজি থাকা একান্ত আবশ্যক। আর চাও পান করা উচিত।
টমেটো : টমেটোতে আছে প্রচুর লাইকোপিন। এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। টমেটো লাইকোপিনের ভালো উৎস। লাইকোপিন পুরুষের প্রস্টেট আর নারীদের জরায়ুর মুখ ও ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা কমাতে সহায়তা করে।
চা : ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত চা পান অত্যন্ত কার্যকর। চায়ে আছে শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট ইজিসিজি। এটি পাকস্থলী, লিভার ও ত্বকের ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর।
শিম : শিমে রয়েছে প্রচুর আঁশ। এ ছাড়া শিমের ফাইটোকেমিক্যাল উপাদান আইসোফ্ল্যাভোন প্রস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর।
পালংশাক : সবুজ শাকের মধ্যে পালংশাক সেরা। এতে আছে প্রচুর লুটিন ও ভিটামিন 'ই'। পালংশাকের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট লিভার, ডিম্বাশয়, কোলন ও প্রস্টেটের ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর।
রসুন : গ্রাসনালি, পাকস্থলী ও স্তনের ক্যান্সারের আশঙ্কা কমাতে রসুন কার্যকর। রসুনের ক্যান্সার প্রতিরোধী ক্ষমতা আরো বাড়ে।
আনারস : আনারস ভিটামিন সি-এর একটি বড় উৎস। এটি স্তন ও ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।
আপেল : আপেলে আছে 'কোয়ার্সেটিন' নামের এক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা কমিয়ে দেয় পাকস্থলী ও কোলন ক্যান্সারের আশঙ্কা।
























