মরক্কো-ইসরায়েল সম্পর্কে নতুন অগ্রগতি, দূতাবাস স্থাপনের সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০১ পিএম


মরক্কো-ইসরায়েল সম্পর্কে নতুন অগ্রগতি, দূতাবাস স্থাপনের সিদ্ধান্ত

ছবি: সংগৃহীত

রক্কোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করে তা পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস পর্যায়ে নিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল। দুই দেশ তাদের কূটনৈতিক মিশনকে পূর্ণাঙ্গ দূতাবাসে উন্নীত করা এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি সরাসরি বিমান যোগাযোগ বাড়ানো, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সফরের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার ও মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বৌরিতার বৈঠকে এসব বিষয়ে সমঝোতা হয়। বৈঠকটি আয়োজন করেন জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ।

সমঝোতা অনুযায়ী, দুই দেশ তাদের কূটনৈতিক মিশনকে পূর্ণাঙ্গ দূতাবাসে উন্নীত করবে এবং উভয় দেশে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করবে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়েও সম্মতি হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে চলতি বছরের মধ্যে বিনিয়োগ সুরক্ষা এবং দ্বৈত কর পরিহারসংক্রান্ত দুটি চুক্তি চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘ মিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মরক্কো ও ইসরায়েলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ, শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা উভয় দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এটি শান্তির প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে পারে।

মরক্কো ও ইসরায়েল ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের আওতায় কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করে। ২০২১ সালে ইসরায়েল রাবাতে একটি লিয়াজোঁ অফিস চালু করে। এখন সেই কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্বকে পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস পর্যায়ে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তবে এটি নতুন করে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ঘোষণা নয়; বরং ২০২০ সালে পুনঃস্থাপিত সম্পর্ককে আরও আনুষ্ঠানিক ও বিস্তৃত করার পদক্ষেপ। ইসরায়েলের বর্তমান সরকারি তথ্যেও রাবাতে তাদের মিশনকে লিয়াজোঁ অফিস হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

Ads