ইয়াবা কারবারি জাহাঙ্গীর জেলে: সক্রিয় তার ভাই আলমগীর সিন্ডিকেট!
১১ জুলাই ২০২৪, ০৫:৩০ পিএম
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর আচার বনিয়া পাড়ার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এলাকার থেকে জাহাঙ্গীরকে ইয়াবাসহ আটক করে। এসময় ভাই আলমগীর কৌশলে পালিয়ে যায়।
এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানিয়েছেন, মৃত আমীর আলীর দুই ছেলে আলমগীর ও জাহাঙ্গীরসহ তাদের পুরো পরিবার মাদক কারবারে জড়িত। একাধিক সুত্রের তথ্যে জানা গেছে বিভিন্ন জায়গায় তাদের বিরুদ্ধে ডজনখানেক মাদক মামলা রয়েছে।
গত ২৭ জুন বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর ছমি উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারের সময় বাড়ী থেকে ৬'শ পিস ইয়াবাসহ জাহাঙ্গীরকে আটক করা হয়। ওই সময় পুলিশের অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যায় আলমগীর।
জানা গেছে, সিন্ডিকেটের শীর্ষ ইয়াবা ডন জাহাঙ্গীর আটক হলেও সিন্ডিকেট সদস্য তার আপন ভাই আলমগীর এখনো অধরাই থেকে গেল। এমনকি প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে নিচ্ছে তাদের পারিবারিক সদস্য সিন্ডিকেট।
পুলিশের সূত্রে জানাগেছে, আলমগীর দীর্ঘদিন সক্রিয় থেকে ইয়াবা কারবারে জড়িত থাকায় তার পরিবারের সদস্যরা জড়িয়ে এই ব্যবসায় জড়িয়ে পরে। এই সিন্ডিকেটের মধ্যে রয়েছে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী তৈয়বা এবং টেকনাফের শ্যালিকা ফাতেমাসহ অনেকে।
প্রতিদিনের চিত্রের প্রতিনিধির অনুসন্ধানে জানা গেছে, মুলত জাহাঙ্গীর ও আলমগীর সিন্ডিকেটের ইয়াবার চালান পাচারে সহযোগী এবং টাকার লেনদেন করত তৈয়বা ও ফাতেমা। আলমগীরের এই সিন্ডিকেট মরণ ঘাতক ইয়াবার চালান পাচারে দিন-দিন বেপরোয়া হওয়ায় শংকিত হয়ে পড়েছে এলাকার সচেতন সুশীল সমাজ। বিগত কয়েক বছর পূর্বে ঢাকায় চাকরির অজুহাতে ইয়াবা কারবারে জড়িয়ে পরে আলমগীরের পুরো পরিবার। যদিও শুরুতে জাহাঙ্গীর -আলমগীর দুই ভাই মাদক পাচার করলেও এখন যুক্ত হয়েছে পরিবারের সবাই।
বর্তমানে জাহাঙ্গীর জেলে থাকায় সরাসরি আলমগীরের সক্রিয়তায় তার পারিবারিক সিন্ডিকেট বিভিন্ন সময় স্থান পাল্টিয়ে ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করছে। আলমগীর কখনো চাকরি , কখনো ছাত্র অথবা বিভিন্ন ছন্দনাম, পদবী ও ঠিকানা ব্যবহার করে ঢাকা-চট্টগ্রামে বড় বড় ইয়াবার চালান পাচার করছে।
মাদক- সমাজ, জাতি ও রাষ্ট্রের শত্রু। তাই শামলাপুর স্থানীয় জনসাধারণের দাবি, তারা এই মাদক কারবারিদের নির্মূল চাই।
বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর ছমি উদ্দিন প্রতিদিনের চিত্রের প্রতিনিধিকে জানান, ইয়াবা ব্যবসায়ীরা যত বড় শক্তিশালী হউক না কেন তদন্ত পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।



























