ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে রাজাপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি


ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে রাজাপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।

 

ঝালকাঠির রাজাপুরে ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে আমন ধান, খেসারি শীতকালীন শাকসবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কষ্টে ফলানো ফসল হারিয়ে দিশেহারা কৃষকরা। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে মাঠে কাজ করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। তাদের আশ্বাস, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি সহযোগিতা করা হবে। উপকূলীয় জেলায় পানিতে ডুবে আছে মাঠের ধান,তছনছ হয়েছে সবজি খেত।

 

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ১০৮৬৪ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে তার মধ্যে ৪২৩০ হেক্টর জমির আমন ধান, ১৫০০ হেক্টর জমিতে খেসারি চাষ করা হয়েছে তার মধ্যে ১২৫০ হেক্টর জমির খেসারি, ২৮০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন শাকসবজি চাষ করা হয়েছে তার মধ্যে ৯০ হেক্টর জমির শীতকালীন শাকসবজি এবং ১৫ হেক্টর জমির কলা ও ১৫ হেক্টর জমির পেঁপে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় মিধিলির তাণ্ডবে। ফলে ধার-দেনা করে আবাদ করা কৃষকরা এখন সর্বস্বান্ত।

 

কৃষক মো. দুলাল, সেলিম মোল্লা, আনছার,ফারুক সহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, বন্যায় ধান সব মাটিতে সুয়ে পরেছে। পানিতে তলিয়ে আছে। শতকরা ৬০% ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যে ধান সুয়ে পড়ছে সেগুলো এখন আর কোনো কাজে লাগবে না। ধান তো কাটা যাবেই না, গরুও খাবে না।

 

রাজাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসা. শাহিদা সারমিন আফরোজ বলেন, ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে আমন ধান, খেসারি, শীতকালীন শাকসবজি, কলা ও পেঁপে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের চেষ্টা করছি।

 

ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় এবার ধান উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হবে বলেও আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

Ads