সবুজ প্রকৃতি আর সৈান্দর্যের রাণী নাইক্ষ্যংছড়ি উপবন পর্যটন লেক
১৮ আগস্ট ২০১৮, ০৩:০৩ পিএম
ছবি-সংগৃহীত
বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদরের কাছে অবস্থিত এই উপবন পর্যটন লেক।১৯৯৪ সালে এটি কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়।স্থাণীয়দের মতে,প্রথমে এটি ঝর্ণা বা জলধারা ছিল।পরিবর্তীতে এটি বিশাল হ্রদ হিসেবে তৈরি করা হয়।
কক্সবাজারের রামু উপজেলা থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার এর মধ্যাে এর অবস্থান। যে কোন সময়ে জীপ,সিএনজি বা নিজের ব্যক্তিগত গাড়িতে করে অাসা যায়।সবুজ অরণ্যানী যদি উপভোগ করতে চান তাহলে এটি হতে পারে অাপনার জন্য নিরাপদ অার সবচেয়ে ভাল স্থান।
শীত কিংবা বর্ষা মৌসুমের এই পর্যটন কেন্দ্রটি অপরুপ অাকার ধারণ করে। তবে গাছের ডালে সারি সারি বাড়ি,ঐখান থেকে বসে পরিবেশ উপভোগ করা বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে। সবুজ পাহাড়ে গাছের ডালের উঁচু বাড়িতে বসে বসে যখন চারপাশে পরিবেশ যখন অবলোকন করবেন,তখন মনে হবে অাপনি বাংলার দার্জিলিং বুকে দাঁড়িয়ে অাছেন।পাহাড়ের উপর থেকে যদি স্বচ্ছ পানি উপভোগ করতে চান তাহলে গামছা পরে টুপ করে নেমে পড়তে পারেন।সাথে সাথে অাপনার মন শীতল হয়ে যাবে। এরপর উপরে উঠে ঝুলন্ত ব্রীজে হাঁটাহাঁটি করতে পারবেন।তাই যে কোন মুহূর্তেই সৌন্দর্য উটভোগ করার জন্য বন্ধুবান্ধব,অাত্বীয়স্বজন বা পরিবার নিয়ে ঘুরে অাসতে পারেন।
কিছুক্ষণ হাঁটার পর অাপনি যদি ভেবে থাকেন লেকের চারপাশ ঘুরে দেখবেন তাও পারবেন। অাপনাকে চারপাশে ঘুরে দেখার জন্য নৌকা রয়েছে। যা চাইলে হ্রদের চারপাশে ঘুরে দেখতে পারবেন।
এছাড়াও পর্যটন কেন্দ্রের পাশে রয়েছে কিছু অাদিবাসী পল্লী। অাপনি চাইলে তাদের জীবনযাত্রা,বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে উপভোগ করতে পারবেন। তাদের অতিথেয়তা অার অাপ্যায়ন অাপনাকে মুগ্ধ করবে।
থাকার ব্যবস্থা অার নিরাপত্তা নিয়ে অাপনাকে একমুহূর্তের জন্যও ভাবতে হবে না।কারণ এটি দায়ত্বের রয়েছে উপজেলা প্রশাসন।এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অাছে জেলা পরিষদ।সারাদিনের ক্লান্তি দূর করার জন্য রয়েছে উপজেলা রেস্ট হাউজ।এই পর্যটন কেন্দ্রটি উপভোগ করার পর অাপনি চাইলে ও থাকতে পারেন এসব রেস্ট হাউজে।




























