ভোরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি, ৭ জন নিহত
২২ অক্টোবর ২০২১, ০২:৫৭ পিএম
ছবি- সংগৃহীত।
মায়ানমার থেকে বিতারিত কক্সবাজারের উখিয়ায় অবস্থিত শরণার্থী শিবিরে ‘রোহিঙ্গাদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে’ অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ১৮ নম্বর ময়নারঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শুক্রবার (অক্টোবর) ভোর রাত সোয়া ৪টার দিকে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) অধিনায়ক পুলিশ সুপার মো. শিহাব কায়সার খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানাগেছে, এ সংঘর্ষে সাতজনের মৃত্যুর পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। আহতদের ওই ক্যাম্প সংলগ্ন এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে, সেসময় হতাহতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
অধিনায়ক পুলিশ সুপার বলেন, 'পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ক্যাম্পে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অস্ত্রসহ একজনকে আটক করেছি আমরা।'
তবে কী নিয়ে এই সংঘর্ষ, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানান মো. শিহাব কায়সার খান।
পুলিশ সুপার বলেন, নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরে পরিণত হওয়া কক্সবাজারের এই ক্যাম্পগুলোতে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেগুলোকে ‘রোহিঙ্গা ডাকাত’ বা ‘চোরাকারবারিদের’ কাজ বলা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।
তবে রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ খুন হওয়ার পর ক্যাম্পে সক্রিয় বিভিন্ন পক্ষের অনেক বিষয় এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আলোচনায় আসছে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে কুতুপালং-১ (ইস্ট) লম্বাশিয়া ক্যাম্পের ডি-৮ ব্লকে গুলি করে হত্যা করা হিবুল্লাহকে, যিনি আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস নামের একটি সংগঠনের চেয়ারম্যান ছিলেন।
পরিবারের অভিযোগ, প্রত্যাবাসনের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করা মুহিবুল্লাহকে রোহিঙ্গাদের আরেকটি সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) হত্যা করেছে।
























