বগুড়া-৪ আসনে বিএনপিতে যোগ দিলেন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি আল আমিন
১০ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:১৫ পিএম
ছবি- সংগৃহীত
বগুড়া-৪ (কাহালু ও নন্দীগ্রাম) আসনে ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী মোশারফ হোসেনের ওপর আস্থা রেখে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি আল আমিন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বগুড়া-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি মোশারফ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জামায়াতের ছাত্র সংগঠনের নেতা আল আমিন। তিনি কাহালু উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি।
বিবৃতিতে জানানো হয়, মোশারফ হোসেনের বগুড়া শহরের বাসায় যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় বিএনপিতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন শিবির নেতা আল আমিন। তাকে ফুলের মালা পরিয়ে বরণ নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে উপস্থিত সবাইকে মিষ্টিমুখ করান মোশারফ হোসেন।
এ সময় কাহালু উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মালঞ্চা ইউপি চেয়ারম্যান নেছার উদ্দিন, ইউপি সদস্য মঞ্জুরুল হক মঞ্জুসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আল আমিন বলেন, ২০২০ সাল থেকে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি করেছি। ওয়ার্ড ছাত্রশিবির সভাপতির দায়িত্বে ছিলাম। ২০২৪ সাল থেকে দুর্গাপুর ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি। আগেকার জামায়াত আর এখনকার জামায়াত এক নয়। ধর্ম পুঁজি করে অনেকে ক্ষমতার রাজনীতি করে। ইসলাম বিক্রি করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করতে চাই না।
তিনি বলেন, বিএনপির সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন বগুড়া-৪ আসনের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী। তার ক্লিন ইমেজ আর ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি সবারই আস্থা রয়েছে। শহীদ জিয়ার আদর্শ ও বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আমাকে মুগ্ধ করেছে। নিজের ইচ্ছায় বিএনপিতে যোগদান করেছি। যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন হুমকি-ধমকি পাচ্ছি। আমার সিদ্ধান্ত কখনোই পরিবর্তন হবে না।
এর আগে বিএনপির ক্লিন ইমেজের প্রার্থী মোশারফ হোসেনের জনপ্রিয়তায় মুগ্ধ হয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলায় দলত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেন জামায়াতের ২০ নেতাকর্মী ও সমর্থক। তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। পৌর এলাকার ঢাকইর মহল্লায় আয়োজিত সমাবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে নবাগতদের ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করেন মোশারফ হোসেন।
ছাত্রশিবির নেতা দলত্যাগ করে বিএনপির পতাকাতলে আসার বিষয়টি সমীকরণ বদলের বার্তা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
এ সময় জোট বাঁধেন বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ফজলে রাব্বী তোহা, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তৌহিদুর রহমান খান শামীম চৌধুরী, সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক মেয়র কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল, আহসান বিপ্লব রহিম, সাবেক চেয়ারম্যান শামছুর রহমান, প্রভাষক আব্দুল বারী বারেক, ওসমান গণি সরকার বেলালসহ আলোচিত নেতা ও বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি।

















