যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার চরম হুঁশিয়ারি ইরানের
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৬ এএম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে অবিলম্বে মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে যাওয়ার কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এক বিবৃতিতে বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই অঞ্চলকে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনীর ‘জঘন্য ও অপরাধমূলক উপস্থিতি’ থেকে মুক্ত করতে হবে।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬; বৃহস্পতিবার; ঢাকা (আন্তর্জাতিক ডেস্ক):
ইরানের এই কড়া বার্তা এবং টানা সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক আকাশপথে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন দূত মাইক ওয়াল্টজ ইরানের হুমকির জবাবে বলেন, ইরান যাতে কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সে বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে ইরান আন্তরিকভাবে চাইলে এখনো তাদের জন্য ‘আলোচনার টেবিলে’ ফেরার সুযোগ রয়েছে।
এদিকে এই উত্তেজনার বড় প্রভাব পড়েছে প্রতিবেশী দেশ ইরাকের ওপর। মার্কিন গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জায়েদি জানান, ইরান তাদের তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেয়নি। ফলে সংঘাত শুরুর পর থেকে ইরাক প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব হারিয়েছে এবং দেশটির মাসিক রপ্তানি আয় প্রায় ৬০ শতাংশ কমে গেছে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ঘিরে দুই দেশের সংঘাত নতুন রূপ নিয়েছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট দাবি করেছিলেন, নতুন নিষেধাজ্ঞার কারণে বুধবারের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ইরানের সব বিমান সংস্থার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। তবে মার্কিন এই দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা 'ইরান এয়ার' জানায়, তেহরান, মাশহাদ ও ইসফাহান থেকে ইরাকের নাজাফ রুটে তাদের ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত থাকবে। এর ফলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রকৃত কার্যকারিতা ও আকাশপথের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

























