শিক্ষা-প্রযুক্তি বিনিময়ে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে: শিক্ষামন্ত্রী
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৫ পিএম
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, এসব ক্ষেত্রে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী করা সম্ভব।
রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সেকেন্ড চায়না-বাংলাদেশ রাউন্ডটেবল অন গভর্নেন্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সুনীল অর্থনীতি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
দেশের জনমিতিক সুবিধার কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৫ শতাংশ কর্মক্ষম তরুণ। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় (টিভিইটি) দক্ষ করে আন্তর্জাতিক মানের মানবসম্পদে পরিণত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
সম্প্রতি চীন সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্বমানের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ লক্ষ্যে চীনের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা খাতে বাজেট জিডিপির ২ শতাংশ থেকে পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর বড় একটি অংশ কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যয় করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গোপসাগরের অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সুনীল অর্থনীতিভিত্তিক একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওপেং এবং সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. লি কাইশেং বক্তব্য দেন।



























