বিজিবির কারণে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব বঞ্চিত
১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৫:৫১ পিএম
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সীমান্ত রক্ষী বিজিবির হয়রানীর কারণে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হাড়ানোর অভিযোগ করেছে লিয়াকতগঞ্জ বাজারের ইজারাদার রোয়াব আলী।
তিনি জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন লিয়াকত গঞ্জ বাজারটি বিজিবি ক্যাম্পের থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সপ্তাহে দুবার গরুর হাট বসে বিদায় সরকার চড়ামুল্যে বাজার ইজারা দিয়ে আসছে। এতে সরকার বাজার থেকে বড় অংকের রাজস্ব পাচ্ছে।
১৪২৬ বাংলা সনের জন্য ১৫ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ইজারা মূল্য ছিল। যা আধু সম্ভব ছিল না তবু সীমান্তে অবস্থিত মুক্তবাজার হওয়ায় বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু ব্যবসায়ী ও স্থানীয় কৃষকগণ গরু নিয়ে আসার কারনে লিয়াকতগঞ্জ গরুর হাট ব্যবসায়ীদের জন্য জনপ্রীয় হয়ে উটে।
স্থানীয় বনগাঁও আসাউরাও মাঠ গাঁও ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যগণ লিয়াকতগঞ্জ বাজারে ক্রয়কৃত হালন মিয়ার ১২ টি, জমির মিয়ার ৮ টি ও আমির হোসেনের ১২ টি মোট ৩২ টি গরু একত্র করিয়া দোয়ারাবাজার উপজেলার নোয়াগাঁও হতে ধর্মপাশা উপজেলার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলে সুনামগঞ্জ সদর থানার বল্লবপুর নামক স্থান থেকে নৌকা বোঝাই গরু আটক করে বনগাঁও বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা। পরবর্তীতে ২৬ নভেম্বর ২০ টি গরু বিজিবি কতৃক নিলাম দিলেও ১২ টি গরুর কোন তথ্য সরকারি হিসাবে নেই। ৩২ টি গরু আটক করলেও সরকারী ভাবে দেখানো হয় ২০ টি গরু। বিজিবির এসব ঘোষ দূর্নীতির কারণে ব্যবসায়ীরা বাজারে গরুর হাটে গরু আনতে নারাজ প্রকাশ করায় ইজারাদার সহ স্থানীয় জনগনকে বিপাকে পড়তে হয়।বিজিবি কতৃক এমন অবস্থা চলতে থাকলে আগামী অর্থবছরে লিয়াকতগঞ্জ বাজার কেউ ইজারা বা ডাক না নিতে ও মত প্রকাশ করেন, এতে করে সরকার লাখ লাখ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এব্যাপারে লিয়াকতগঞ্জ বাজার ইজারাদার মো. রোয়াব আলী বলেন, আমি সরকার থেকে লিয়াকতগঞ্জ বাজার ১৫ লাখ ২০ হাজার টাকায় ইজারা বা লীজ নিয়েছি। এই বাজার থেকে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব পাচ্ছে। অথচ বিজিবি সদস্যদের হয়রানির কারণে ব্যবসায়ীরা বাজারে আসছে না আমি বনগাঁ আসাউরাও মাঠগাঁও বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যদের হয়রানি থেকে মুক্তির জন্য উর্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।





















