আলী হোসেনকে বিয়ে করেও শেষ রক্ষা হয়নি সিরিয়ার
২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৫:০৮ পিএম
ধর্ষক আলী হোসেন। ছবি- প্রতিদিনের চিত্র
হতদরিদ্র পরিবারের মেয়ে সিরিয়া থাকত ফুফুর বাড়ি ছাতকের ভাতগাঁও ইউনিয়নের শক্তিয়ার গাঁও গ্রামে। সেখান থেকে আলী হোসেন জোরপূর্বক সিরিয়াকে উঠিয়ে নিয়ে দক্ষিণ সুনামগঞ্জের বীরগাঁও তার আত্মীয় বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। সে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার জাউয়া বাজার ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়কাপন গ্রামের তেরাব আলীর পুত্র।
আদালতের মামলাও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডার গাঁও ইউনিয়নের আফছর নগর গ্রামের হতদরিদ্র চাঁন মিয়ার মেয়ে সিরিয়া বেগম। গত ১ জানুয়ারি ২০১৮ সালে দক্ষিণ সুনামগঞ্জের বীরগাঁওয়ে আলীহুসেন কতৃক ধর্ষণের স্বীকার হলে, পরে স্থানীয়দের চাপে নাম মাত্র কাবিনে আলীহুসেন সিরিয়াকে বিয়ে করেন। সিরিয়া ৬ মাসের অন্তঃসস্তা হলে তাকে গর্ভ নষ্ট করার জন্য চাপ দেয়, আলীহুসেন ও তার পরিবারের লোকজন। সাথে ২ লাখ টাকা যৌতুক ও দাবী করে ধর্ষক আলীহুসেন ও তার পরিবারের লোকেরা। সেই সাথে শুরু হয় একের পর এক অমানুষিক নির্যাতন। সিরিয়া যৌতুকের টাকা না দেওয়ার কথা বলায় তার স্বামী ধর্ষক আলীহুসেন চিকিৎসার কথা বলে সিএনজি যোগে তার নিজ বাড়ি দোয়ারাবাজার উপজেলার শ্রীপুর বড়কাপন সড়কে সিরিয়াকে একা ফেলে চলে যায় আলীহুসেন। তার ১৪ মাসের একটি শিশু সন্তান রয়েছে। নিরুপায় হয়ে সিরিয়া বেগম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, সুনামগঞ্জে মামলা দায়ের করেন। মামলায় আলীহুসেন সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হলেও ছাতক থানা পুলিশ আসামীদে গ্রেফতার করেনি।
এব্যাপারে সিরিয়া বেগম বলেন, আমি গরীব বলে সঠিক বিচার পাচ্ছি না। আদালত ও আইন প্রয়োগকারী প্রশাসনের প্রতি আমার ফরিয়াদ আলী হোসেনকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নেওয়া হউক।
সিরিয়ার স্বামী ধর্ষক আলী হোসেনকে মোবাইল ফোনে বিষটি জানতে চাওয়া হলে সে জানায়, মামলা দশটা হলেও আমাকে কিছু করতে পারবে না। আমার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে আমি আদালতে মোকাবেলা করব।
আসামী গ্রেফতার না হওয়া প্রসঙে জানাতে চাইলে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, এই থানায় বহু মামলা রয়েছে, তবে গ্রেফতারী পরোয়ানা ভুক্ত আসামী আলী হোসেনকে আমরা অবশ্যই দ্রুত তম সময়ের মধ্যে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চালাব।





















