মাধবপুরে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোয় চলাচল
০৪ জুন ২০২২, ১০:৩৫ পিএম
ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।
হবিগঞ্জের মাধবপুরে উপজেলার সুলতানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোয় চলাচল করছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ৪নং আন্দিউড়া ইউনিয়নের সুলতানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রবেশপথে খালের উপর নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো টি, ছাত্র,ছাত্রী সহ ওই এলাকার মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী। পারাপারের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো টি দিয়ে প্রতিদিন কয়েক শ’ ছাত্র- ছাত্রী সহ সাধারণ মানুষ চলাচল করে।
শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা জানান, আমাদের এলাকাটি একটি অবহেলিত ও প্রত্যন্ত অঞ্চল ৪,৫ বছর আগে অতি বৃষ্টিতে সোনাই নদীর বাঁধ ভেঙে বন্যা সৃষ্টি হয় সুলতানপুর এলাকা সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ওই সময়ে সুলতানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রবেশপথে একটি ছোট খালবাট ছিল অতিরিক্ত বন্যার পানির স্রোতে খালবাটি ভেঙে যায়। আরও জানা যায়, বিশেষ করে পাহাড়ি ঢল এলে এলাকাবাসী ও ছাত্র-ছাত্রীদের দের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে। সামান্য ঝড়-বৃষ্টিতে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। সুলতানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী,সহ এলাকার প্রান্তিক কৃষকরাও কৃষি কাজের জিনিস পত্র নিয়ে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করে। এ সাঁকো পার হওয়ার সময় ভয়ে আতংকে থাকে সবাই। সাঁতার না জানা শিক্ষার্থীদের নিয়ে আশঙ্কায় থাকেন অভিভাবকরা। এছাড়াও দিনের বেলা জনসাধারণ ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করলেও রাতের অন্ধকারে চলতে ভয়ে বুকটা আঁতকে ওঠে তাদের।
স্কুল শিক্ষার্থী তানিয়া বলেন, বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারপার হতে খুব ভয় লাগে, কখন যে সাঁকো ভেঙ্গে খালে পড়ে যাই। এখানে একটি ব্রিজ হওয়া দরকার। আন্দিউরা ইউনিয়নের বাসিন্দা ও মাধবপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য এখানে একটি ব্রিজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ, প্রতিদিন শতশত ছাত্র-ছাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই বাঁশের সাঁকোয় যাতায়াত করে যেকোনো সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা, তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী শাহ আলম জানান, বিষয় টি আমি অবগত হয়েছি, সরজমিনে গিয়ে খাল টি দেখব,যদি সেখানে ব্রিজ প্রয়োজন হয়,তাহলে আমরা অবশ্যই প্রস্তাব প্রেরণ করব।





















