নাসিরনগরে মাদ্রাসার শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রী ধর্ষিত
০৪ অক্টোবর ২০২৩, ১০:১৬ পিএম
ছবি- সংগৃহীত।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় মাদ্রাসার ছাত্রীকে অফিসকক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে শিক্ষক মাওলানা শিহাব উদ্দিনের (৩০) বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার রাতে মাদ্রাসার ছাত্রীর মায়ের দায়ের করা মামলায় পার্শ্ববর্তী হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা হতে ওই ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়।
ধর্ষক মাওলানা শিহাব উদ্দিন হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার সাতাউক গ্রামের সালেহ আহাম্মদের ছেলে।সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের শ্যামপুরে অবস্থিত জামিয়া ইসলামিয়া তাজিমুন্নেছা মদিনাতুল উলুম মহিলা মাদ্রাসার আরবি শিক্ষক।উক্ত মাদ্রাসায় আটজন শিক্ষকসহ তিন শতাধিক ছাত্রী রয়েছে।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ধর্ষিত ছাত্রী মাদ্রাসায় পড়াকালীন বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন শিক্ষক শিহাব উদ্দিন। গত ২৩ আগস্ট ভুক্তভোগী ছাত্রীকে মাদ্রাসার অফিসকক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন মাওলানা শিহাব এবং বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য ছাত্রীকে ভয় দেখান।
এরপর পুনরায় গত ৯ সেপ্টেম্বর শিহাব উদ্দিন ওই ছাত্রীকে ফোন করে মাদ্রাসায় ডেকে নিয়ে অফিসকক্ষে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর ছাত্রীটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তার পরিবারের কাছে সব কিছু বলতে বাধ্য হয়। পরে বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে নাসিরনগর থানায় মামলা করলে রাতেই আসামি শিহাব উদ্দিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জামিয়া ইসলামীয় তাজিমুন্নেছা মদিনাতুল উলুম মহিলা মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা ফখরুদ্দিন জানান, বিষয়টি জানার পর আমরা ছাত্রী ও শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। এ বিষয়ে কয়েক দফা বসা হয়েছে। পরে সর্বসম্মতিক্রমে মাদ্রাসা থেকে ছাত্রী-শিক্ষক উভয়কে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সোহাগ রানা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিক্ষক মাওলানা শিহাব উদ্দিন ছাত্রী ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।






















