আক্কেলপুরে ঊর্ধ্বমুখী আলুর বাজার
২৯ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:২৪ পিএম
ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।
আলু উৎপাদনে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা জয়পুরহাট। জেলার আক্কেলপুর উপজেলায় সপ্তাহের ব্যবধানে বেশ কিছু সবজির দাম বেড়েই চলেছে। সেইসঙ্গে বেড়েছে আলুর দাম। তবে চাল, ডাল, আটা, ময়দার দাম স্থিতিশীল রয়েছে।
আক্কেলপুর পৌরসভার কলেজ বাজার সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। সবজির বাজার, আলু প্রতি কেজি ৪২-৪৫টাকায় বিক্রি হলেও সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ২০টাকারও বেশি, গাজর প্রতি কেজি ১২০-১৩০টাকা, শিম প্রতি কেজি ১৪০-১৬০টাকা, শসা আগের মতোই ৪০টাকা, করলা ১০০টাকা থেকে কমে ৫০-৬০টাকা, চিকন লরি বেগুন ৮০-৭০টাকা থেকে কমে ৪৫-৫০টাকা, গোল (লোদা) বেগুনের দাম ৭০-৮০টাকা, পেঁপে ১০টাকা, লেবু প্রতি কেজি ৪০টাকা, কাঁচা মরিচ বেড়ে ১২০টাকা, শুকনা মরিচ ৪৪০টাকা, ধনেপাতা এক লাফিয়ে ২০০টাকা, কাঁচকলা হালি ২০-২৫টাকা, বরবটির দাম ৮০টাকা, পটল ৪০-৪৫টাকা থেকে বেড়ে ৫০টাকা, প্রতি কেজি মিষ্টিকুমড়ার দাম বেড়ে ৩০-৪০টাকা, ঝিঙে গত সপ্তাহের মতই প্রতি কেজি ৪০টাকা, মুলা ৫০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি একটি করে ৮০-৯০টাকা কমে ৪০-৪৫টাকা, চালকুমড়া আকারভেদে ৩০-৪০টাকা পিচ। দেশি নতুন আদা ২০০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সবধরনের শাকের আঁটি পাওয়া যাচ্ছে ১৫-২০টাকায়। কার্ডিনাল আলু৬০টাকা, পাকরি আলু ৬৫টাকা, তিলেকপুরা সাদা আলু ৭০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
আক্কেলপুর কলেজ বাজারের সবজি বিক্রেতা ওসমান জানান, ‘অতি বর্ষায় ফসল নষ্ট হওয়ায় এবং বাজারে আমদানি কমে যাওয়ায় কিছু সবজির দাম বেড়েছে তা বর্তমানে কমতেও লেগেছে ।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ ইমরান হোসেন বলেন, ‘আলু উৎপাদনে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা হিসেবে পরিচিত জয়পুরহাট। জেলার আক্কেলপুর উপজেলায় আলু উৎপাদন হলেও আলুর কোল্ড স্টোর মাত্র ২টি থাকায় কৃষকরা তেমন বেশি আলু স্টোরে রাখতে পারছে না। কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা আলু ক্রয় করে বাজারে আলু সংকট দেখিয়ে দাম বাড়াচ্ছে। সরকারি ভাবে অথবা বেসরকারি ভাবে আলুর কোল্ড স্টোর বাড়ানো হলে এই উপজেলায় আলুর দাম বৃদ্ধির সম্ভবনা কমে যাবে।’
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মনজুরুল আলম বলেন, ‘বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভোক্তা অধিকার আইনে উপজেলা প্রশাসন সবসময় বাজার মনিটরিংএ চলমান রয়েছে।’






















