১৪ জনের জন্য কম্বল বরাদ্দ ১টি করে
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৩:৫৫ পিএম
ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।
জয়পুরহাটের আক্কেরপুরে চলছে তীব্র শীত, ঘন কুয়াশা, শৈত্যপ্রবাহ ও হিমেল হাওয়া। বিশেষ করে দিনের চেয়ে রাতের তাপমাত্রা আরো কমে আসছে। এতে রাতে আরো বেশি শীত অনুভুত হচ্ছে। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পাশাপাশি কমছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও। প্রচুন্ড শীতের কারণে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়েছেন ছিন্নমূল, অসহায়, দরিদ্র ও হতদরিদ্র, দিনমজুর, ভ্যান ও রিকশাচালক এবং বয়স্ক মানুষ। ঘন কুয়াশায় উত্তরের হিমেল হাওয়া শরীরে কাঁটা দিচ্ছে শীতার্ত মানুষের শরীরে। খরকুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ। যতই দিন যাচ্ছে তাপমাত্রার পারদের ওঠানামা ততই যেন বেসামাল হয়ে পড়ছে। এর মধ্যে উপজেলায় দরিদ্র, হতদরিদ্র, ভাসমান প্রতি ১৪ জনের মধ্যে কম্বল বরাদ্দ মাত্র ১টি করে।
উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা যায়, আক্কেলপুর উপজেলায় দরিদ্র ৩০ হাজার ৯শত ৬১জন, হতদরিদ্র ১৩হাজার ৮শত ৮৯জন এবং ভাসমান ১৯জনের জন্য কম্বল এসছে মাত্র ৩হাজার ৪শ টি। যা চাহিদার তুলনায় অতি অপ্রতুল। গড়ে উপজেলায় প্রতি চৌদ্দ জন শীতার্ত মানুষের জন্য কম্বল এসেছে মাত্র ১টি করে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুরুল আলম বলেন, উপজেলায় এবার মাত্র ৩ হাজার ৪শ টি কম্বল পেয়েছি যা চাহিদার তুলনায় অতি নগণ্য। উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ৩হাজারের বেশি কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। বাকি কম্বল আমি আমার কার্যালয় হতেও ছিন্নমূল, অসহায়, শীতার্ত, দুস্থদের মাঝে বিতরণ করেছি। তা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও আমি নিজ উদ্যোগে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় হতে উপজেলার ৪শ ২২জন বীর মুক্তিযোদ্ধাগণদের কম্বল নিয়ে এসে তা মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে তুলে দিয়েছি।
ইউএনও মনজুরুল আলম আরও বলেন, সমাজের যারা বৃত্তশালী ব্যক্তি রয়েছেন প্রত্যকে একটি করে কম্বল বিতরণ করলে আমাদের আক্কেলপুরে কোন শীতার্ত ব্যক্তি বাকি থাকবে না।























