কলেজ ছাত্র হত্যা মামলায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান জেল হাজতে
০১ জুলাই ২০২৪, ১১:২৭ এএম
গোপালগঞ্জের চন্দ্রদিঘলিয়ায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় গুলিতে নিহত কলেজ ছাত্র অছিকুর হত্যা মামলার প্রধান আসামী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লুটুলকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত।রোববার ৩০জুন গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো, কামরুল হাসান এ আদেশ দেন।
মঙ্গলবার ১৪মে রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রতিবাদ ও খুনিদের গ্রেফতারসহ দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবীতে বুধবার গোপালগঞ্জের চন্দ্রদিঘলিয়ায় রাস্তার উপর গাছ ফেলে, আগুন জ্বালিয়ে ও বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে গ্রামবাসী। এ সময় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীরা সদ্য নির্বাচিত সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লুটুলের অপসারনসহ ফাসির দাবী জানান ।
নিহত অছিকুরের মা ছবেদা বেগম জানান, গত ১৪মে আনুমানিক রাত সাড়ে ৭টার দিকে আমার ছেলে অছিকুর আমার জন্য ঔষধ কিনতে বাড়ীর পাশে বাজারে গেলে উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ভুইয়া (লুটুলের) লোকজন গায়ে পড়ে অছিকুরকে মারপিট করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ভুইয়া (লুটুল) ও পরাজিত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রাথী বিএম লিয়াকত আলীর সমথকরা দেশীয় ঢাল-সড়কি-কাতরা-রামদা-ছ্যান ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘষ ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। সে সময় ভাংচুর করা হয় অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
প্রায় ঘন্টাব্যপী সংঘর্ষে আমার ছেলে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রাথী বিএম লিয়াকত আলীর সমথক কলেজ ছাত্র অছিকুর রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এ সময় আহত হয় আরো ৩জন। নিহত অছিকুর চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের জলিল ভুইয়ার ছেলে।
এ ব্যপারে নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লুটুলকে প্রধান আসামী করে ৭৩জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সেই মামলায় রোববার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক জামিন না মুজ্ঞুর করে উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লুটুলকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।।























