নওগাঁয় অবসরপ্রাপ্ত সামরিক সদস্যদের আলোচনা সভা ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৮:৩৩ পিএম
প্রায় ১০০ জন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে এক আলোচনা সভা ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত বিভিন্ন স্তরের সেনা কর্মকর্তারা এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন। ছবি- এ কে নোমান ।
নওগাঁর ১১টি উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে এক আলোচনা সভা ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত বিভিন্ন স্তরের সেনা কর্মকর্তারা এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন। সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে উক্ত সভায় বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নওগাঁ শহরের ইঁদুর বটতলী নামক স্থানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রায় ১০০ জন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক সদস্য অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র ওয়্যারেন্ট অফিসার আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা ।
-1739197851.jpg)
সভা পরিচালনা করেন কর্পোরাল মো. খোরশেদ আলম, যিনি সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন সার্জেন্ট ওয়াজেদ, কর্পোরাল প্রশান্ত কুমার, ওয়্যারেন্ট অফিসার জিল্লুর রহমান, সার্জেন্ট মো. টিপু সুলতান, কর্পোরাল মোস্তাকিম, কর্পোরাল আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।
সিনিয়র ওয়্যারেন্ট অফিসার আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা বলেন, “আমাদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে সকল সদস্যদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
-1739197864.jpg)
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কর্পোরাল মো. খোরশেদ আলম বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন দেশ সেবায় নিয়োজিত ছিলাম, অবসরের পরও আমাদের অভিজ্ঞতাকে দেশের কল্যাণে কাজে লাগানো উচিত। এ সংগঠন আমাদের ঐক্যবদ্ধ রাখবে এবং আমাদের দাবিদাওয়ার জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”
সিনিয়র ওয়্যারেন্ট মনসুর আলী অফিসার, “সংগঠনের বিভিন্ন অসংগতি দূর করতে এবং এর কার্যকারিতা বাড়াতে আমাদের সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। একতা ও সংহতির মাধ্যমে আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারব।”
-1739197878.jpg)
সভায় উপস্থিত বক্তারা সংগঠনের বিভিন্ন সমস্যা ও অসংগতি চিহ্নিত করে তা সমাধানের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণে আরও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
আলোচনা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সময় কাটান।






















