‘আলু’ এখন বিলাসী সবজি
১৭ নভেম্বর ২০২৪, ১১:৫৭ এএম
শীত মৌসুমের শাক-সবজির দামে উত্তাপ ছড়াচ্ছে বাজারে। সব ধরনের মৌসুমী শাক-সবজিতে বাজার সয়লাব হলেও দামের বেলায় বিক্রেতারা অনমনীয়। আশপাশের খামারিদের উৎপাদিত ও বিভিন্ন স্থান থেকে সরবরাহকৃত বাহারি শাক-সবজিতে ভরপুর উপজেলার বাজারগুলো। তারপরও দাম কমাতে নারাজ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।
সরেজমিনে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার বেশ কয়েকটি বাজারে দেখা গেছে, ‘শাক-সবজির দোকানগুলো শীতকালীন বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজিতে ভরপুর রয়েছে। ক্রেতারা শাক-সবজি কিনছেন যার যার আর্থিক সঙ্গতি অনুযায়ী। দ্রব্যমূল্য বিষয়ে বাজারের বিক্রেতা ও ক্রেতা সাধারণের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
শাক-সবজি বিক্রেতারা জানায়, তারা প্রতিদিনই উদ্বিগ্ন থাকেন শাক-সবজির দাম নিয়ে।
শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার আলীগঞ্জ বাজারের সবজি বিক্রেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, ‘গরীবের বন্ধু ও সহজলভ্য সবজি আলু, ইতোমধ্যেই বিলাসী সবজির তালিকায় নাম লিখিয়েছে। সারা বছরই পাওয়া যায় এমন অতি সাধারণ আলু ৭৫ টাকাতে এসে ঠেকেছে।’
জানা গেছে, কাঁচা-মরিচের কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি, শিম ১০০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি, গাজর ১০০ টাকা কেজি, মুলা আকার ভেদে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। শশা ৬০ টাকা কেজি, লাউ ৭০ থেকে ১০০ টাকা পিস, লাল শাক ও পুঁই শাক ৪০ টাকা কেজি। বেগুন ৮০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ টাকা ও টমেটো ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
এ সময়ে শীতকালীন শাক-সবজির দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকার কথা, কিন্তু বাজারে গেলে সবজির দামে আগুন। আর্থিক সঙ্গতি ও বাস্তবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে হিসাব মিলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণকরা সর্বস্তরের মানুষের দাবি।























