পরিবেশসম্মতভাবে কুরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সকলের সহযোগিতা কামনা পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের
০৫ জুন ২০২৫, ১১:৩৯ এএম
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির পশুর বর্জ্য পরিবেশসম্মতভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। কুরবানির সময় যত্রতত্র পশু জবাই ও উচ্ছিষ্ট ফেলে রাখার কারণে পরিবেশ দূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় উল্লেখ করে এ বিষয়ে সকলকে সতর্ক ও সচেতন থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পরিবেশ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই নিশ্চিত করতে হবে। উন্মুক্ত বা অনির্ধারিত স্থানে পশু জবাই করা থেকে বিরত থাকার জন্য নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কুরবানির সময় এবং পরবর্তী কার্যক্রমে যথাযথ ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করতে হবে। যেমন: গ্লাভস, মাস্ক, এপ্রোন ইত্যাদি। পাশাপাশি পশুর রক্ত, গোবর ও অন্যান্য পরিত্যক্ত অংশ নির্ধারিত গর্তে ফেলে মাটি চাপা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
জবাইকৃত পশুর উচ্ছিষ্ট যেমন রক্ত, চামড়া, নাড়িভুঁড়ি, হাড়, শিং, গোবর ইত্যাদি কোনো অবস্থাতেই খোলা জায়গায় না ফেলার জন্য বলা হয়েছে। এসব বর্জ্য নির্ধারিত ডাস্টবিন বা সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে। কুরবানির মাংস বিতরণ কিংবা বর্জ্য অপসারণে প্লাস্টিকের ব্যাগের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব (বায়োডিগ্রেডেবল) ব্যাগ কিংবা পাত্র ব্যবহারে উৎসাহিত করা হয়েছে।
পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কুরবানির বর্জ্য দ্রুত এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে অপসারণে স্থানীয় প্রশাসনকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করা সামাজিক ও নাগরিক দায়িত্ব। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিচ্ছন্নতা শুধু শারীরিক নয়, এটি ঈমানেরও অঙ্গ। তাই পরিচ্ছন্ন কুরবানির মাধ্যমে ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। একইসঙ্গে একটি স্বাস্থ্যসম্মত, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।























