ভালোবাসা দিবসে পর্যটকে ভরপুর ‘মায়াবিনী লেক’

প্রতিদিনেরচিত্র ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৯:৩৮ পিএম


ভালোবাসা দিবসে পর্যটকে ভরপুর ‘মায়াবিনী লেক’

ছবি-প্রতিদিনের চিত্র

পাহাড়ের উঁচু-নিচু ভাঁজে ভাঁজে বাঁধ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে লেক। স্বচ্ছ জলে খেলা করছে মাছ। প্রশ্বস্ত লেকের স্বচ্ছ পানিতে নৌকায় বসে প্রকৃতি উপভোগ করছে নানা বয়সী লোকজন। এমনই পরিবেশে ভালোবাসা দিবসে পর্যটকে ভরপুর ‘মায়াবিনী লেক’।

খাগড়াছড়ি জেলা শহর থেকে ২০ মিনিটের পথ পেরিয়ে দেখা মিলবে বিনোদন কেন্দ্র ‘মায়াবিনী লেক’র। প্রবেশ পথেই দৃষ্টিনন্দন অভিবাদন গেইট বলে দিচ্ছে পর্যটনের সম্ভাবনার কথা। পাহাড়ের উঁচু-নিচু ৪০ একর জমির ওপর ১৫ একর লেকে দ্বীপ বেষ্টিত মায়াবিনী লেক।

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লতিবান ইউনিয়নের কংচাইরী পাড়ার বিনোদন কেন্দ্র ‘মায়াবিনী লেক’ ঘিরে দিনদিন আগ্রহ বাড়ছে পর্যটকদের এমনটাই জানিয়েছে অংহ্লাপ্রু মারমা। তিনি বলেন, ‘একতা মৎস্য সমবায় সমিতির স্বপ্নের নাম ‘মায়াবিনী লেক’। ২৮ সদস্যের একতা মৎস্য সমবায় সমিতির হাত ধরেই এখানে তৈরি হয়েছে বিনোদন কেন্দ্র।’

মায়াবিনী লেকের স্বচ্ছ পানির প্রবাহমান ধারা মুগ্ধ করবে সব বয়সী ভ্রমণপিপাসু বিনোদনপ্রেমীর। দ্বীপের মধ্যে আছে বিশ্রামাগার। ভ্রমণ সুবিধার জন্য লেকে রয়েছে ৯টি নৌকা, ১টি স্পিড বোট ও ৭টি কায়েং বোট, রেস্টুরেন্ট,পাশাপাশি শিশুদের খেলার ব্যবস্থা । নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে পারিবারিক ভ্রমণের জন্য চমৎকার মায়াবিনী লেক। নিঃসঙ্গতা কাটানোর জন্য ‘মায়াবিনী লেক’ হতে পারে উপযুক্ত পর্যটন কেন্দ্র।

ঢাকা থেকে স্বপরিবারে মায়াবিনী লেকে ঘুরতে আসা এক পর্যটক বলেন, ‘শহরের খুব কাছাকাছি এমন নয়নাভিরাম পর্যটন কেন্দ্র যেকোনো পর্যটকেরই দৃষ্টি কাড়বে। স্বচ্ছ জলে হাঁস ও মাছের খেলা দেখার জন্য উপযুক্ত জায়গা মায়াবিনী লেক।’

যেভাবে যাবেনঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি বাস সার্ভিস রয়েছে খাগড়াছড়িতে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে যেকোনো বাসে সরাসরি খাগড়াছড়ি শহরে নামতে হবে। খাগড়াছড়ি থেকে পানছড়িগামী সিএনজি অথবা মাহিন্দ্র পরিবহনে ভাইবোনছড়া বাজারে নেমে পশ্চিম দিকে পাঁচ মিনিটের পথ শেষেই স্বপ্নের ‘মায়াবিনী লেক’। এছাড়াও ব্যক্তিগত গাড়িতে করেও যেতে পারবেন।

Ads