প্রতারনা করে চাকরি দেয়ার কথা বলে ৪ লক্ষ ও ২ শতাংশ জমি লিখে নিয়ে অস্বীকার
১৭ নভেম্বর ২০২৪, ০১:৪৭ পিএম
জামালপুরের ইসলামপুর পাথর্শী ইউনিয়নের গামারিয়া আজির উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউজ্জামান (ফিদু) ওই এলাকার গরিব নিরীহ দিন মজুর ফজলুল হক (ফজ) এর স্ত্রী জহিরন ও পুত্র জাকারিয়াকে চাকরি দেয়ার কথা বলে ৪ লক্ষ টাকা ও বাড়ির ২ শতাংশ জমি লিখে নিয়ে এখন নানা টালবাহানা করছে।
জানাগেছে, জামালপুরের ইসলামপুর পাথর্শী ইউনিয়নের গামারিয়া আজির উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউজ্জামান ফিদু মাস্টার ৫২ শতাংশ জমিতে বিদ্যালয়ের ভবনের কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষকের বাবা ওই দাগে জমি পাবে ২৬ শতাংশ এর মধ্যে ১০ শতাংশে প্রধান শিক্ষক আতাউজ্জামান ফিদু মাস্টার বসত বাড়ি করে দখল করে নিয়েছে। গত ৬/৭বছর আগে বিদ্যালয়ের আরো একটি ভবন নির্মাণের আদেশ এলে ভবন নির্মাণের জায়গা না থাকায় ফজলুল হক ফজুর ছেলেকে চাকরি দেয়ার কথা বলে প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে ফজলুল হক এর নামীয় জমি থেকে নিম্ন তফসিল বর্ণিত ২ শতাংশ জমি লিখে নিয়ে নতুন ভবন স্হাপন করে। পরবর্তীতে স্ত্রীকে ওই বিদ্যালয়ে আয়া পদে চাকরি দেয়ার কথা বলে ১৮ মে ২০১৮ সালে স্বাক্ষীদের সামনে ভুক্ত ভোগী ফজলুল হকের নিকট ৪ লক্ষ টাকা উৎকোচ গ্রহন করে। প্রধান শিক্ষকের মিথ্যা প্রতারনা মধ্যে দিয়ে ৬/৭ বছর ছেলে দপ্তরি ও স্ত্রী আয়াপদে অস্হায়ীভাবে চাকরি করছে। প্রতারক প্রধান শিক্ষক মাঝে মধ্যে স্হায়ী ভাবে চাকরির কথা বলে বিভিন্ন প্রতারনা মিথ্যা আশ্রয় নিয়ে সময় ক্ষেপণ করে আসছে। তাছাড়া প্রধান শিক্ষক একজন চরিত্রহীন লম্পট ফজলুল হকের স্ত্রী কে কুপ্রস্তাব দেয় এবং প্রধান শিক্ষকের কথা শুনলে তাড়াতাড়ি চাকরি স্হায়ী ভাবে কাগজ পত্র ব্যবস্হা করবো বলে আশ্বাস দেয়। ১৪ মে ২০২৩ সালে সকাল ৯ টার সময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে গিয়া ফজলুল হকের স্ত্রী ও ছেলে চাকরির সেই কুপ্রস্তাবের কথা জের ধরে ফজলুল হকের স্ত্রী সাথে রাগারাগি করতে থাকে এবং ৪ লক্ষ টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে। স্ত্রী জহিরনকে মাইর পিট করে ফুলা জখম করে। জহিরন মাটিতে লুটাইয়া পড়লে পড়নের কাপড় টানা হেচড়া করে বিবস্ত্র করে শ্লীলতা হানির চেষ্টা করে। এলাকাবাসী বলেন স্কুল ফাঁকি দিয়ে তিনি বিভিন্ন সময় পারিবারিক কৃষি কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।
এ ব্যাপারে ফজলুল হক বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্হায় লিখিত অভিযোগ করে। এবং গত ১৪ মে ২০২৩ ইং বিজ্ঞ সি,আর,আমলী আদালত ইসলামপুর জামালপুর সি, আর মোকদ্দমা নং ১৮৬ (১) ২০২৩ মামলা রুজু করেন। এবং এলাকার প্রায় ১শ জনের স্বাক্ষরিত বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছে। এ ব্যাপারে সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ আইয়ুব আলীকে মোবাইল ফোনে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান তদন্তে কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি পূনরায় তদন্ত হলে বুঝা যাবে। তবে আইয়ুব আলী আরো জানান আতাউজ্জামান ফিদু মাস্টার প্রধান শিক্ষক দাবী করলেও উনি ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নন। আতাউজ্জামান ফিদু মাস্টারকে জবাবদিহি করতে হবে। আতাউজ্জামান ফিদু মাস্টার এই প্রতিবেদক কে জানান আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন।

























