ছাত্রাবাসে ইবি শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ, বিচার চেয়ে আবেদন
২৩ মে ২০২৫, ০৮:২৮ পিএম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী অলিক কুমার শিকদারের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকার করে ‘অপপ্রচার’ হিসেবে দাবি করেছেন অভিযুক্তরা।
গত সোমবার (১৯ মে) অলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, শনিবার রাত ৯টার দিকে হোয়াইট হাউজ মেসের ৩০২ নম্বর কক্ষে তাকে ডেকে পাঠানো হয়। ডেকে পাঠান আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী সোলাইমান হোসেন। সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন তালাস (আইসিটি), রোমান (সমাজকল্যাণ বিভাগ) ও আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা শিক্ষার্থী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মে পূর্বের কিছু মতবিরোধ ও সিট-সংক্রান্ত বিষয়ে ওই কক্ষে গিয়ে তিনি মানসিক চাপ ও হুমকির সম্মুখীন হন। তাকে রুম থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় এবং একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে জোরপূর্বক রুমের বাইরে বের করে দেওয়া হয়। অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে তিনি জ্ঞান হারান এবং পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরদিন রোববার (১৮ মে) সকালে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি কিছুটা সুস্থ থাকলেও নিরাপত্তাহীনতার কারণে নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন অলিক।
অভিযোগের বিষয়ে মেস পরিচালক ও অভিযুক্ত শিক্ষার্থী সোলাইমান হোসেন বলেন, “শুধু সিট-সংক্রান্ত আলোচনার জন্য তাকে ডাকা হয়েছিল। তর্কাতর্কি হলেও শারীরিকভাবে কিছু করা হয়নি। সে আগে থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগছিল,
বিভিন্ন গণমাধ্যম ও ডাক্তার বরাত জানতে পেরেছি যে, সে আগে থেকে প্যানিক অ্যাটাকের রোগী। ভুয়া পেজে মিথ্যা অপপ্রচার করার কারণে ভিডিয়োটা ছড়িয়ে পড়েছে।"
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধীন। প্রক্টরিয়াল বডি সবকিছু যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”




























