ষষ্ঠ ও শেষ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রাণ গেল ৫ জনের
০৫ জুন ২০১৬, ১২:৫৪ পিএম
প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক :: ষষ্ঠ ও শেষ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শনিবার সহিংসতায় দেশের চার জেলায় চারজন মারা গেছেন। আর পঞ্চম ধাপের নির্বাচনে আহত একজন আজ হাসপাতালে মারা গেছেন। এতেকরে ইউপি নির্বাচনে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ১০৮ জনে। আর আহত হয়েছেন পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ।
শনিবার নোয়াখালী সদরের নেয়াজপুর ইউনিয়নের ভোলানগর মোহাম্মদীয়া ইবতেদায়ি মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রের বাইরে দুই সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মো. আরমান (২৪) নামের একজন নিহত হন। সুধানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ওই কেন্দ্রের বাইরে দুই সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আরমান আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিতসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চরচান্দিয়া ইউনিয়নের চর ভৈরব হাজী তোফায়েল আহমদ উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণের সময় বহিরাগত সন্ত্রাসীদের হামলায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নূর হোসেন (২২) নামের এক যুবক নিহত হন। ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের পুকুরিয়া এলাকায় পুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে শনিবার দুপুরে দুই সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে শাহজাহান (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। এ ছাড়া গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনজনকে চিকিতসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বেখইজোড়া গ্রামে শনিবার বিকেলে দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে কোহিনূর চৌধুরী (১৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। তাঁর বাড়ি উপজেলার বেখইজোড়া গ্রামে। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
এলাকাবাসী জানান, পাইকুরাটি ইউনিয়নে এক নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য পদে সামছুল হক চৌধুরী ও তৌফিক আহমেদ নির্বাচন করেন। ভোট গণনা শেষে সামছুল হক চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে তৌফিক আহমেদের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সামছুল হকের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর শুরু করে। এ সময় দুই পক্ষের লোকজনদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। অচেতন অবস্থায় কোহিনূর চৌধুরীকে ধরমপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিতসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।


























