বিলুপ্ত প্রায় গরুর হাল, কৃষককে টানতে হচ্ছে মই

প্রতিদিনেরচিত্র ডেস্ক

০৫ আগস্ট ২০২১, ০৬:১৩ পিএম


বিলুপ্ত প্রায় গরুর হাল, কৃষককে টানতে হচ্ছে মই

গরুর হাল না থাকায় মই টানছেন কৃষক। ছবি: প্রতিদিনের চিত্র

 

 

আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে কৃষিতে জমি চাষ, চারা রোপণ , ধান কাঁটামাড়াই, আগাছা পরিষ্কারসহ নানাবিধ যন্ত্রের ব্যবহার চালু হলেও গরুর হালের প্রয়োজন বাদ পড়েনি। চাষ করা জমি সমান করা, অল্প পরিমাণের জমি চাষাবাদ, বীজতলা প্রস্তুত করতে গরুর হাল ছাড়া সম্ভব হচ্ছে না। অথচ সেই গরুর হাল আজ বিলুপ্ত প্রায়।

 

তাই এখন স্বল্প জমিতে চাষাবাদের জন্য কৃষক নিজে কিংবা দিনমজুর দিয়ে মই টানতে দেখা যায়। বিষয়টি সনাতন পদ্ধতির গরুর হালকে মনে করে দেয়।

 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় হাতে গোনা কয়েক জন কৃষকের গরুর হাল রয়েছে। যা দিয়ে এলাকার চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। যার জন্য মৌসুম আসলেই চোখে পড়ে কৃষক গরুর ভূমিকায় গিয়ে মই টানছেন প্রতিনিয়ত।

 

দক্ষিণ ধুমাইটারী গ্রামের কৃষক বাবু মিয়া জানান, পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করলেও, কাঁদা সমান করার জন্য গরুর হাল দিয়ে মই দিতে হয়। তাছাড়া অল্প পরিমাণের জমি চাষ করতে গরুর হাল প্রয়োজন হয়। বর্তমানে গরুর হাল নেই বললে চলে। যা আছে তা বেশি ভাড়া দিয়ে আনতে হয়।

 

ঝিনিয়া গ্রামর গরুর হালের মালিক আব্দুল মালেক জানান, গরুর হালের উপকরণ গরু, লাঙল, মই, জোয়াল। এগুলোসহ আমি গরুর হাল ভাড়া দেই। প্রতিদিনের হালের ভাড়া ৫০০ হতে ৬০০ টাকা নিয়ে থাকি। গরুর খাবারের ভুষি, খৈয়ল, গুরার দাম অনেক বেশি। তাছাড়া গরু লালন পালনে অনেক কষ্ট তাই কম ভাড়ায় হাল দেওয়া সম্ভব হয় না।

 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকতা এ.কে.এম ফরিদুল হক জানান, গরুর হাল চাষাবাদের একটি প্রধান উপকরণ। বর্তমানে যন্ত্রের সাহায্যে চাষাবাদ কররেও গরুর হালের প্রয়োজন রয়েছে।

 

প্রতিদিনের চিত্র/বেল্লাল/এমএইচকে
 

Ads