টেকসই কৃষিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা

অমৃত চিছাম

১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৩০ পিএম


টেকসই কৃষিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা

ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।


সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা আমদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ। আদিমকাল থেকেই মানুষ জীবন ধারণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পেশার সাথে নিয়োজিত ছিল। সভ্যতার ক্রমবিবর্তনের ফলে তাদের পেশায় এসেছে আমুল পরিবর্তন। ইতিহাস নিয়ে একটু পর্যালোচনা করলে দেখতে পাই, আদিম মানুষের জীবন ধারণের প্রধান মাধ্যম ছিল কৃষি নির্ভর। প্রায় ১০ হাজার বছর আগে ছিল কৃষিকাজের একেবারে প্রাথমিক যুগ। কৃষি প্রধান দেশ হিসেবে আমাদের রয়েছে প্রাচীন সমৃদ্ধ ইতিহাস। 

এদেশের সিংহভাগ লোকই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। শতকরা প্রায় ৮০ শতাংশ লোক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষি কাজের সাথে সম্পৃক্ত। আমাদের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে কৃষি খাত। এদেশের মোট জিডিপির প্রায় ২২ শতাংশ আসে কৃষি খাত থেকে। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন কারণে এ খাত হতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জনে কিছুটা শঙ্কা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এর একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো বিদ্যুৎ বিভ্রাট। যা কিনা দিন দিন প্রকট থেকে প্রকট আকার ধারণ করা শুরু করেছে, বিশেষ করে গ্রামীণ কৃষিতে। বর্তমানে গ্রামে পল্লীবিদ্যুৎ সংযোগে ঘন্টায় দুই থেকে তিন বার পর্যন্ত, এমনকি অঞ্চল অনুসারে আরও বেশি বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়ে থাকে। যার ফলে সঠিক সময়ে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এর দরুন ফসল উৎপাদন ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়ে যাচ্ছে। এতে করে একদিকে যেমন গরীব কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনিভাবে দেশের জিডিপি খাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ বিভ্রাট মোকাবেলা করে কৃষিতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি উত্তর উত্তর বৃদ্ধি করা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

একটি কথা প্রচলিত আছে তা হলো, প্রত্যেক সমস্যার বিপরীতে থাকে একটি কার্যকর সমাধান। উদাহরণসরুপ বলা যায়, কোভিড-১৯ এর কথা, সারা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক গবেষণার ফলে একটি কার্যকর সমাধান পাওয়া সম্ভব হয়েছিল। ঠিক তেমনি দেশের কৃষিতে বিদ্যমান বিদ্যুৎ বিভ্রাট সমস্যার জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে। এটি জ্বালানি খাতে দ্রæত এবং পরিস্কার জ্বালানি সরবরাহ করে, যা ফলনের উন্নতির সাথে সম্পর্কিত পরিবেশগত মানসম্পন্নতা ও কৃষি প্রক্রিয়ার কার্যকলাপগুলি বেশি প্রভাবিত করে। প্রথমেই একটু ছোট করে জেনে নেওয়া যাক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়টি আসলে কি? একটু ভালো করে খেয়াল করলে দেখা যায় নামের মধ্যে উত্তর লুকিয়ে আছে। অতি সাধারণ ভাবে বলতে গেলে, যে শক্তির উৎস কখনও নিঃশেষ হয়ে যায় না; এবং খুব দ্রæত সময়ের মধ্যেই তা পুনরায় ব্যবহার করা যায় তাই হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি। 

দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির জনপ্রিয় কয়েকটি উৎসগুলো হলো - সৌরশক্তি, বায়ুপ্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব-গ্যাস এবং বায়োগ্যাস ইত্যাদি। আর এসব নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারে দেশের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিকল্প মাত্রা যোগ করতে ও সেইসাথে দেশীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতকে আরও বেগবান করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। যা দেশের বিদ্যুৎ এর চাহিদা পূরণ তথা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। বর্তমানে দেশের টেকসই কৃষি উন্নয়নের জন্যে নবায়নযোগ্য শক্তি সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিতে পারে। এটি কৃষি উৎপাদনের মান এবং পরিচালনা বাড়াতে সাহায্য করে এবং খাদ্য নিরাপত্তা সংরক্ষণে সাহায্য করে। এছাড়াও, এটি অর্থনৈতিক উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যয় বহুলাংশে হ্রাস করে। পৃথিবীর সব শক্তির মূল উৎস হল সূর্য। সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে সৌরশক্তি বলে। সূর্য থেকে প্রতিনিয়ত যে পরিমাণ শক্তি পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় তা সূর্যের উৎপন্ন শক্তির দুই শত কোটি ভাগের এক ভাগ মাত্র। বিজ্ঞানীদের মতানুসারে প্রতি বর্গমিটারে সূর্য প্রায় ১ হাজার ওয়াট শক্তি বর্ষণ করে। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণা কেন্দ্র তাদের এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানায়, দেশের মোট আয়তনের এক ভাগ জায়গা ব্যবহার করে ৪০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এই সৌরশক্তির অফুরন্ত ভান্ডার আমাদের প্রতিদিনের নানারকম কাজের চাহিদা মেটায় বিশেষ করে কৃষি খাতের বিপ্লবে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। বর্তমানে সৌরশক্তিকে ব্যবহার করে বাষ্প উৎপাদনের মাধ্যমে টারবাইন ও জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। সৌর বিদ্যুতের ভাবনাটা সূচনা হয়েছিল ১৮৬০ এর দশকে। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের একটি বাড়ির ছাদে ১৮৮৪ সালে সর্বপ্রথম সৌর বিদ্যুৎ তৈরি করা হলেও এর প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং প্রসারণ আর তেমনভাবে ঘটেনি। দেশে সৌরবিদ্যুতের যাত্রা আরম্ব হয়েছিল ২০০২ সালের দিকে। বর্তমানে দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে মোট ১১৯৪.৬২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। এর মধ্যে সৌরশক্তি থেকে ৯৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। এই পরিসংখ্যান থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী অতি সহজে অনুমেয় এই যে, ভবিষ্যৎ টেকসই কৃষি উৎপাদনে কি পরিমাণ সম্ভাবনা রয়েছে সৌরবিদ্যুতের, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশ বিদ্যুৎ আসবে সৌর থেকে। ২০৪১ সালের মধ্যে মোট উৎপাদনের ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে এই লক্ষ্যমাত্রার ৪.৫ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। 

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১৯৮৪ সালের তথ্যানুযায়ী, দেশে ১৬ লাখ ৮৬ হাজার ২৫৪ একর খাসজমি আছে। এ খাসজমির ৫ শতাংশ ব্যবহার করে ২৮ হাজার ১০৬ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। অবাক করার মত বিষয় এই যে,  শুধুমাত্র চট্টগ্রামেই ২২ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। যার সাহায্যে দেশের কৃষি খাতের বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় সবটুকু পূরণ করা সম্ভব। যা আমাদের কৃষি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন তথা জাতীয় অর্থনীতিতে সমৃদ্ধি আনতে সক্ষম। আমাদের দেশে বোরো মৌসুমে দেশে প্রায় বিশ লাখ একর চাষযোগ্য জমিতে ১৬ লাখ ৩০ হাজার সেচপাম্প ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে ১৬ লাখ একর জমি চাষে ব্যবহার হয় ১০ লাখ ৮০ হাজার বিদ্যুৎচালিত সেচপাম্প। বাকি ৫ লাখ ৫০ হাজার সেচপাম্প ব্যবহৃত হয় ডিজেলচালিত। সারা দেশে বিদ্যুৎ ও ডিজেলচালিত সেচপাম্পগুলোকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা সম্ভব হলে বছরে ৭৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ও ৮০ কোটি লিটার ডিজেল সাশ্রয় হবে। যার ফলে ডিজেল ও বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে সরকারের ৮৫৩ কোটি টাকা ভর্তুকি বেঁচে যাবে। দেশে ৭৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলীয় অঞ্চলসহ মোট এক হাজার ২০০ কিলোমিটার এলাকা বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজে লাগানো গেলে বিদ্যুৎ খাতে আমুল পরিবর্তন আনা সম্ভব। বলে রাখা ভালো, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে ফেনী নদীর মিরসরাইয়ের উপকূল পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সারা বছর যে প্রাকৃতিক বায়ু প্রবাহ রয়েছে, যা দিয়েই কয়েকটি বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করে পুরো চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলা করা সম্ভব। 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান এনআরইএলের প্রতিবেদন হতে প্রাপ্ত তথ্যমতে, বাংলাদেশের উপকূলীয় প্রায় ২০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা রয়েছে যেখানে বাতাসের বেগ ৫.৭৫-৭.৭৫ মি./সে. যার মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব। যা কিনা টেকসই কৃষির উন্নয়নে তথা দেশের মোট জিডিপির আমূল পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। দেশের ৯টি স্থান বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য খুবই উপযোগী। এসব অঞ্চলে বিভিন্ন উচ্চতার টাওয়ার স্থাপন করে। দেশে বর্তমানে বায়ু থেকে ২.৯ মেগাওয়াট উৎপাদন হয়ে থাকে। কিন্তু যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে বিদ্যুৎ খাতে অভাবনীয় পরিবর্তন আসবে, সেইসাথে কৃষি খাতে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি অনেকাংশে হ্রাস পাবে। বায়ুবিদ্যুৎ শুধুমাত্র টেকসই কৃষি উৎপাদনেই সাহায্য করেনা, বরং জাতীয় গ্রিডেও নতুন মাত্রা সংযুক্ত করে, সেইসাথে জ্বালানি খাতে ব্যয় সংকোচনের মাধ্যমে দেশের উত্তর উত্তর উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে জলবিদ্যুতের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। দেশে সর্বপ্রথম পাকিস্তান সরকার ১৯৫৬ সালে আমেরিকার অর্থায়নে কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণ কাজের আরম্ব করে। ১৯৬২ সালে এর নির্মাণ শেষ হয়। ১৯৬২ সালে এটির নির্মাণ সমাপ্ত হওয়ার পর এতে দুটি ৪০ মেগাওয়াটের জেনারেটর স্থাপন করা হয়। 

১৯৬৯ সালের দিকে কাজ করা শুরু হয় ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৩ নাম্বার ইউনিটের। বর্তমানে সর্বমোট পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে আর যার উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৩০ মেগাওয়াট। এছাড়াও দেশে জৈব-গ্যাস থেকে ০.৬৮ মেগাওয়াট এবং বায়োগ্যাস থেকে মাত্র ০.৪৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়ে থাকে। বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য শক্তি বা জ্বালানির ব্যবহার ও এর উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০০৮ সালের ১৮ই ডিসেম্বর থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি কার্যকর হয়। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ - ¯্রােডা এক্ট-২০১২ প্রনয়ন করে বাংলাদেশ সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস হিসাবে সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ, বায়োমাস, বায়ো ফুয়েল, জিওথার্মাল, নদীর স্রোত ও সমুদ্র ঢেউ ইত্যাদিকে শনাক্ত করেছে। টেকসই উন্নয়নের জন্য অভীষ্ট-২ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিককে চিহ্নিত করেছে; যথা- ক্ষুধা মুক্তি, টেকসই খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা, স্থিতিস্থাপক কৃষি পদ্ধতি, খাদ্যের প্রাপ্তি ব্যবস্থা উন্নত করা, সব ধরনের অপুষ্টির অবসান ঘটানো ও কৃষি উৎপাদনশীলতা। 

টেকসই কৃষিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সাধারণ জনগন ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের আরও সচেতন হতে হবে। আরও উত্তর উত্তর গবেষণা ও প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটিয়ে উক্ত সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপান্তর করতে হবে। এর ফলে ভবিষ্যতে জ্বালানি পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ বহুলাংশে হ্রাস পাবে। ফলসরূপ একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ হবে অন্যদিকে তেমনি সাধারণ কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হবে সর্বোপরি জাতীয় অর্থনীতি সামনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি যেহেতু পুনরায় ব্যবহার করা যায় তাই এই সম্পদ শেষ হবার কোনো সম্ভাবনা নেই। জনগণকেও আরও সচেতন হতে হবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে, যাতে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ সুন্দর তথা দূষণমুক্ত পরিবেশ রেখে যেতে পারি। ২০৩০ সালে এসডিজি বাস্তবায়নে ও সর্বোপরি রূপকল্প ২০৪১ বা বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১ ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত ও উন্নতবাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে কাজ করবে ইহাই সবার প্রত্যাশা। পরিশেষে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কন্ঠে কন্ঠ মিলিয়ে আমরাও বলি-
 

এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য ক’রে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গিকার।

 

শিক্ষার্থী
এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
ত্রিশাল, ময়মনসিংহ

 


 

Ads