খাগড়াছড়ি-২৯৮: ধানের শীষের ওয়াদুদ ভূঁইয়া জয়ী, ভোটার অংশগ্রহণ ৬২%
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:২৮ এএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রাথমিক ফলাফলে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া বিজয়ী হয়েছেন। খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: আনোয়ার সাদাত কর্তৃক ঘোষিত প্রাথমিক ফলাফলে ওয়াদুদ ভূঁইয়া পেয়েছেন ১৫১,০৪০ ভোট, যা মোট বৈধ ভোটের প্রায় ৪৫%।
জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় সমর্থিত দাঁড়িপালা প্রতীকের এ্যাডভোকেট মোঃ এয়াকুব আলী চৌধুরী – ৫৮,৫৪৫ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা (ঘোড়া প্রতীকে) – ৬৮,৩১৫ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী সমীরণ দেওয়ান (ফুটবল প্রতীকে) – ৪৭,৯১০ ভোট, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি) সমর্থিত উশ্যপ্রু মারমা (রকেট প্রতীকে) – ১,০৩০ ভোট, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) সমর্থিত দীনময় রোয়াজা (ট্রাক প্রতীকে) – ৭৫৫ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সমর্থিত মো: কাউছার (হাতপাখা প্রতীকে) – ৩,০৮৯ ভোট, জাতীয় পার্টি সমর্থিত মিথিলা রোয়াজা (লাঙ্গল প্রতীকে) – ১,০২৪ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী **জিরুনা ত্রিপুরা (কলস প্রতীকে) – ৯০৪ ভোট
মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ৩৩৩,৪৭৯, বাতিলকৃত ভোট ১০,০৮০, এবং মোট প্রদত্ত ভোট ৩৪৩,৫৫৯। ভোটের অংশগ্রহণ হার প্রাথমিকভাবে ৬২% রিপোর্ট করা হয়েছে।
একই দিনে অনুষ্ঠিত জুলাই জাতীয় সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত গণভোট ফলাফললে হ্যাঁ ভোট – ১৪৪,৩৫৫,না ভোট – ১৫৫,৯৪২, বৈধ ভোটের সংখ্যা – ৩০০,২৯৭, অবৈধ/বাতিল ব্যালট – ৪৩,০১৭, মোট ভোট – ৩৪৩,৩১৪, ভোটের অংশগ্রহণ হার – ৬২%।
খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের ভোটাভুটিতে পাহাড়ি ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ভোটারদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। নির্বাচনে বিপুল ভোটে ধানের শীষ জয়ী হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা ও সমীরণ দেওয়ান যথেষ্ট ভোট পেয়েছেন, যা প্রমাণ করে পাহাড়ি ভোটের মধ্যে এখনও জাতীয় দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোট বিভাজন রয়েছে। জামায়াত ও ১১ দলীয় সমর্থিত প্রার্থী এ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরীর ৫৮,৫৪৫ ভোটও সমর্থকভিত্তির প্রভাব দেখাচ্ছে।
গণভোটে না ভোটের সংখ্যাই হ্যাঁ ভোটের চেয়ে বেশি, যা ঔঁষু সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত প্রস্তাবের ক্ষেত্রে ভোটারদের দ্বিধা এবং অংশগ্রহণের ধরণ সম্পর্কে ইঙ্গিত প্রদান করছে।
জেলা প্রশাসক এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশিত হলেও **চূড়ান্ত ফলাফল নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাই শেষে ঘোষণা করা হবে।

























