অবশেষে সাংবাদিক অলিদের মায়ের লাশ দাফন
১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৪:১০ পিএম
ছবি - সংগৃহীত
অবশেষে সাংবাদিক অলিদের মায়ের লাশ বিকল্প পথে বাড়ি থেকে বের করে দাফন করা হয়েছে। অপরিকল্পিত ভাবে উপজেলা পরিষদের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কারণে নির্বাহী এলাকার কমপক্ষে ১৫টি পরিবার অনেকটা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। নির্বাহী এলাকাবাসী ইউএনও, ডিসি’র কাছে অনেক নিবেদন ও দাবী জানিয়ে আসলেও উপজেলা, জেলা প্রশাসন অদ্যাবধি এর কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী এলাকার বাসিন্দা ও দেওয়ানগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি খাদেমুল ইসলাম অলিদের মা নাজমা ইসলাম (৭৫) বার্ধক্যজনিত কারণে শুক্রবার ভোর রাত ৩টার দিকে ইন্তেকাল করেন। রাস্তা না থাকায় মরহুমার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনরা লাশ দাফন করা নিয়ে বেকায়দায় পড়েন। অবশেষে আত্মীয় স্বজন ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমানা প্রাচীর ভেঙে লাশ বের করার সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় সাংবাদিক অলিদ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে তাদের শান্ত করে বিকল্প পথে বাড়ি থেকে লাশ বের করার জন্য অনুরোধ জানান।
নির্বাহী এলাকার বাসিন্দা মুজাহিদুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম সুমন, তরিকুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম শাকিল সহ আরো অনেকে জানান, সদ্য বিদায়ী ইউএনও মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা পরিষদের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের নামে হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী রাস্তা বন্ধ করে আমাদের নাগরিক অধিকার হরণ করেছেন। তারা আরো জানান, এ রাস্তা দিয়ে উত্তর বঙ্গের কুড়িগ্রামের রাজিবপুর, রৌমারী, হড়িচন্ডী সহ এ উপজেলার উত্তরের ডাংধরা, চর আমখাওয়া, পাররামরামপুর, হাতিভাঙ্গা, বাহাদুরাবাদ, চিকাজানী, চুকাইবাড়ী ইউনিয়ন ও দেওয়ানগঞ্জ পৌর শহরের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন অটো, টেম্পু, বাস, ট্রাক, পিকআপ যোগে স্থানিয় রেলস্টেশন হয়ে ঢাকা সহ দেশের পূর্বাঞ্চলের জামালপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইল, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ, হালুয়াঘাট, ত্রিশাল, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করেন। সীমানা প্রাচীর ভেঙে ঐতিহ্যবাহী রাস্তাটি পুনরায় চালু করা জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানিয়রা।
এ বিষয়ে নবাগত ইউএনও সুলতানা রাজিয়া বলেন, বিষয়টি আমি প্রথম দেখলাম, এ মুহূর্তে আমার একার পক্ষে করার কিছুই নেই। বিষয়টি আলোচনা করে সুরাহা করার ব্যবস্থা করবো।























