টাকা ছাড়া মিলছে না সার্টিফিকেট ও মার্কশিট, অভিযোগ শিক্ষার্থীদের
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:০৬ পিএম
ছবি- প্রতিদিনের চিত্র
অতিরিক্ত টাকা না দিলে মিলছে না সার্টিফিকেট এবং মার্কশিট এমনই অভিযোগ উঠেছে নেত্রকোনার সদর উপজেলার বিশিউড়া ইউনিয়নের কামারউড়া আবু আব্বাস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল এর বিরুদ্ধে। প্রধান শিক্ষকের অনুমতিক্রমে অফিস সহকারি হাবিবুর রহমান অতিরিক্ত ২৫০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে।
ভূক্তভোগী, রিপা সাঞ্জিদা (ঋতুর) অভিভাবক ওমর ফারুক এবং আব্দুল হেকিম গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, আমাদের কাছ থেকে এসএসসির মার্কশিট বাবদ অতিরিক্ত (আড়াইশো) টাকা নেওয়া হচ্ছে। টাকা না দিলে খারাপ আচরণ করেন এবং মার্কশিট দিতে অস্বীকৃতি জানান অফিস সহকারি হাবিবুর রহমান।
এমনকি স্কুল বন্ধ থাকায় উনার ব্যক্তিগত ঔষধের ফার্মেসিতে বসেই তিনি এই অতিরিক্ত টাকা নিয়ে সার্টিফিকেট ও মার্কশিট দিচ্ছে বলে জানা যায়। একই বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে, তাদের কাছ থেকেও পাওয়া যায় একই অভিযোগ। তারা আরো বলেন, প্রধান শিক্ষককে টাকার বিষয়টি জানালে তিনিও বলেন (আড়াইশো )টাকা দিয়েই নিতে হবে মার্কশিট।
এ বিষয়ে অফিস সহকারি হাবিবুর রহমানের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন এটা এমনিতেই নিচ্ছি সব স্কুলেই নেয় আমাদেরটা শুধু দেখেন কেন আরোতো স্কুল আছে সেগুলো দেখতে পারেন না । আমাদেরও লোকজন আছে, আর আমি ব্যক্তিগত কোনো টাকা নেই না স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অনুমতিক্রমেই নিচ্ছি এবং টাকা উনার কাছেই দেওয়া হয়।
কামারউড়া আবু আব্বাস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামালের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, এই টাকাটা তো প্রতিটা প্রতিষ্ঠানেই নিচ্ছে। আমরাও খরচ হিসেবে কিছু টাকা নিচ্ছি। আমার মেয়েটাও তো গার্লস স্কুলে পরে ওইখান থেকেও তো অতিরিক্ত টাকা দিয়ে আনতে হয়েছে। একথা বলে উনার ব্যক্তিগত ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।
এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল গফুরের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা সম্পূর্ণ নিয়মের বাইরে বেআইনি। শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট ও মার্কশিট নেওয়ার জন্য বিদ্যালয়ের কাউকে কোন টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নাই।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক জনাব কাজী মোঃ আব্দুর রহমান মহোদয়ের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন এর জন্য যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






















