মেলান্দহের ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন

প্রতিদিনেরচিত্র ডেস্ক

৩১ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:১৮ পিএম


মেলান্দহের ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন

ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।

 

জামালপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত মেলান্দহ উপজেলা ব্রহ্মপুত্র নদী হতে অবৈধভাবে ড্রেজারে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। বালু উত্তোলনে ফলে সরকারে গৃহহীন ভূমি দের ঘর, স্থানীয় বাসিন্দাদের বসতি ভিটা, ফসিলি জমি হুমকির মুখে রয়েছে, শত কোটি টাকা বাঁশের আড়ানী দিয়েও রক্ষা করা যাচ্ছেনা নদী ভাঙ্গনে, ফলে রাস্তাসহ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। আদায় হচ্ছে না সরকারের রাজস্ব।

 

শনিবার ২৯ জানু ২০২২ সরেজমিনে  দেখা যায়, মেলান্দহের শ্যামপুর ব্রহ্মপুত্র নদী হতে ইউনিয়নে প্রায় নদীর ৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য মধ্যে অন্তত ৪টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন অব্যাহত আছে। ড্রেজার মালিক মেলান্দহের আজাহার মিয়া, আবু তারিফ, খলিল মো: শহিদুল্লা, আব্বাস, বালু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন মহোৎসব অব্যাহত রেখেছেন। ড্রেজার মেশিনে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে ইউনিয়ন বাসী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানান। ধূলায় পরিনত নদীর তীরের বসবাসকারীদের ঘরবাড়ি, যাতায়াতের সমস্যা হচ্ছে, স্কুল কলেজের বড়ুয়া শিক্ষার্থীদের, রাত দিন ২৪ঘন্টা মাহিন্দ্র ট্রলি বিকট শব্দে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এসব দেখার যেন কেউ নেই। মাহিন্দ্র ট্রলিতে বালু বিক্রি করছে, প্রতি গাড়ী ১৮শত টাকা, দৈনিক ৫টি বালুর স্পষ্ট থেকে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বৃদ্ধা আঙ্গুলি দেখিয়ে, লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বালু সিন্ডিকেট নিয়োজিত ব্যাবসায়ীরা। বিশাল আকারে বালু উত্তোলনে ব্যাবসার কালোটাকা পেশিশক্তির ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে রমরমা ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে, স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক নানা অভিযোগ করেও বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছেনা।

 

সাধারণ জনগণ গরিব হতদরিদ্র দিনমজুর খেটে খাওয়া অদম্যরা বলেন, এসব বালু উত্তোলন বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পথ আলোকিত হোক এ আশা রেখে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে মুুুঠো ফোন করলে পাওয়া যায়নি।

Ads