ইসলামপুরে আশা এনজিও’র কিস্তি শোধ করতে না পারায় গ্রাহককে মারধর
০২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৮:০৫ পিএম
জামালপুরের ইসলামপুরে আশা এনজিও’র ব্রাঞ্চ-২ এর ঋণের কিস্তি শোধ করতে না পারায় ঋণ গ্রহিতা কল্পনা (৩৫)কে মারধর ও বাড়ি ঘরে হামলা করেছে আশা ব্রাঞ্চ-২ এর ম্যানেজার মোজাম্মেল হকের নির্দেশে এনজিও’র মালতি সমিতি’র সদস্যরা।
আহত সমিতি’র সদস্য কল্পনা বৃহস্পতিবার থেকে ইসলামপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার সকালে ইসলামপুর পৌর এলাকার পলবান্ধা ভাটিপাড়া গ্রামে।
ভোক্তভোগী পৌর শহরের পলবান্ধা গ্রামের আশা এনজি’র ঋণগ্রহীতা সদস্য কল্পনার অভিযোগ,আশা এনজিও ইসলামপুর-২ ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোজাম্মেল হক সদস্যদের ঋণের কিস্তি দিতে একটু দেরি করলে সদস্যদের সাথে দূর-ব্যাবহার করেন। আমার ঋণের কিস্তি দিতে বিলম্ব হওয়ায় সমিতি’র অন্যান্য সদস্যদের লেলিয়ে দিয়ে আমার বাড়ি ঘরে হামলা করে আমাকে মারধর করা হয়েছে।
জানা গেছে, কল্পনা আশা এনজিও’র থেকে ইতো পূর্বে সমিতি’র মাধ্যমে ৬০হাজার টাকা উত্তোলন করে যথারীতি কিস্তি পরিশোধ করে আবারও সম্প্রতি ৭০হাজার টাকা ঋণ নিয়েছে সাপ্তহে ১ হাজার ৭৫০টাকা করে কিস্তি দিয়ে আসছে। কিন্তু গত বন্যা হতে সামম্প্রতিক সময়ে সংসারে অভাব-অনাটনসহ পারিবারিক কারণে কয়েকটি কিস্তি দেওয়া বাকি পরে কল্পনার। ফলে এ ঋণের সাপ্তাহিক ১হাজার ৭৫০টাকা কিস্তি দিতে কল্পনার একটু সমস্যা হলে সমিতি’র অন্যান্যদের সদস্যদের নতুন ঋণ তুলতে সমস্যা হয়। যার কারণে কল্পনার উপর নেমে আশে আশা এনজিও বাহিনীর বর্বরতা। সমিতি’র সদস্যদের কল্পনার কিস্তি দিতে বাধ্য করতে আশা ব্রাঞ্চ-২ এর ম্যানেজার মোজাম্মেল হকের নির্দেশে সমিতি’র সদস্যরা কল্পনার বাড়িতে গত বৃহস্পতিবার হামলা করে কল্পনাকে মারধর করে। গুরুতর আহত আশা এনজিও’র সমিতি’র সদস্য কল্পনা বৃহস্পতিবার থেকে ইসলামপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীর রয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযোক্ত আশা ব্রাঞ্চ-১ ইসলামপুরের ম্যানেজার মোজাম্মেল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন কল্পনা মারধর করেছে সমিতি’র সদস্যরা আমি নয়। ৫সপ্তাহ ধরে কল্পনা ঋণের কিস্তি না দেওয়ায় সমিতি’র অন্য সদস্যরা দুই কিস্তির টাকা জমা দিয়েছে। সেই টাকা চাইতে গেলে না দেওয়ায় তারা কল্পনাকে মারধর করেছে।
এ ব্যাপারে আশা রিজিওনাল ম্যানেজার আব্দুল বাতেন জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি,সদস্য কল্পনা কিস্তি’র টাকা নিয়ে সমিতি’র সদস্যদের সাথে মারামারি হয়েছে। তবে বিষয়টি মিমাংশা করার প্রক্রিয়া চলছে।























