জাককানইবি শিক্ষক সমিতির সংবাদ সম্মেলন

প্রতিদিনেরচিত্র ডেস্ক

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০৬ এএম


জাককানইবি শিক্ষক সমিতির সংবাদ সম্মেলন

ছবি-প্রতিদিনের চিত্র

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বিশ্ববন্ধু’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে গণস্বাক্ষর কর্মসূচী ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত এবং বুধবার ২৬ ফেব্রুয়ারী বেলা ১২ টায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) কনফারেন্স রুমে শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. উজ্জল কুমার প্রধান, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি-২০১৯ এর সভাপতি ও হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি-২০২০ এর সভাপতি এআইএস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি-২০২০ এর সাধারণ সম্পাদক ও লোক প্রশাসন এবং সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহ্জাদা আহসান হাবীব, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি-২০১৯ এর সহ সভাপতি ও পরিবহন প্রশাসক এবং চারুকলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. এমদাদুর রাশেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্নিবীণা হলের প্রভোস্ট ও ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুদ চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি-২০২০ এর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি সম্পাদক ও ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিজয় চন্দ্র দাস, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি-২০২০ এর সহ সভাপতি ও পরিসংখ্যান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. তুষার কান্তি সাহা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি-২০২০ এর  দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক ও থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ব বিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব নজরুল স্টাডিস এর উপ-পরিচালক রাশেদুল আনাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি-২০২০ এর শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ও সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সেলিম আল-মামুন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি-২০২০ এর কার্যকরী সদস্য ও থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আল্ জাবির প্রমূখ।

লিখিত বক্তব্যে শিক্ষক সমিতি-২০১৯ এর সভাপতি ও হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন। গত ১৫ই আগস্ট ২০১৯ জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধুকে ‘বিশ্ববন্ধু’ হিসেবে অখ্যায়িত করা হয়। কিন্তু এখনও দাপ্তরিকভাবে বঙ্গবন্ধুকে ‘বিশ্ববন্ধু’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। বঙ্গবন্ধু শুধু বাঙালির নেতা বা বন্ধু ছিলেন না। বঙ্গবন্ধুর অবদান শুধু বাঙালি জাতির মধ্যে সীমিত নয়। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে তাঁর অবদান অপরিসীম। তিনি নিপীড়িত মানুষের নেতা ও গণমানুষের নেতা ছিলেন।

মুজিববর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যেহেতু বিশ্বনেতার অংশগ্রহণ করবেন, তাই বঙ্গবন্ধুকে ‘বিশ্ববন্ধু’ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনের জন্য বর্তমান সরকার ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রয়োজনীয় ও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করেন  নজরুল  বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতারা। আরও উল্লেখ করে বলেন, গত ১৫ আগষ্ট ২০১৯ খ্রি. তারিখে জাতীয় শোক দিবসে জাতিসংঘের সদরদপ্তরে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে আলোচকবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’কে “বিশ্ববন্ধু ( Friend of the World)” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বৈশ্বিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়া এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্বনেতা হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের প্রেক্ষিতে তাঁকে “বিশ্ববন্ধু ( Friend of the World)” উপাধিতে ভূষিত করায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এই বিষয়টিকে আমরা যথার্থ এবং সময়োচিত বলে মনে করি। সঙ্গত কারণেই এ উপাধি নিঃসন্দেহে বৈশ্বিক স্বীকৃতির দাবি রাখে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বস করেন নেতারা।

এছাড়াও  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির নেতারা আর একটি বিষয় তুলে ধরে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ভারত থেকে এনে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করলেও এখনো প্রজ্ঞাপন আকারে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়নি। মুজিববর্ষে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি হিসেবে স্বীকৃতির প্রজ্ঞাপন জারি করতে মাধ্যমে সরকারের কাছে অনুরোধ জানান।

উল্লেখ্য ,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বিশ্ববন্ধু’ আখ্যা দিয়েছেন জাতিসংঘ সদরদপ্তরে (১৫ আগষ্ট ২০১৯ইং তারিখে) জাতিসংঘের কনফারেন্স রুম-৪ এ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসে। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে ‘ফ্রেন্ড অব দ্যা ওয়ার্ল্ড’ বা ‘বিশ্ববন্ধু’ হিসেবে আখ্যা দেন জাতিসংঘের সাবেক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আনোয়ারুল করিম চৌধুরী। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বিশ্ববন্ধু’ হিসেবে ২৩ মে, ১৯৭৩ সালে ‘জুলিও কুরি’ পুরষ্কার নেওয়ার সময় বিশ্ব শান্তি পরিষদ এ উপধিতে আখ্যায়িত করেন।

Ads