সবজির বাজার চড়া, শিম ২০০ টাকা কেজি

নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ এএম


সবজির বাজার চড়া, শিম ২০০ টাকা কেজি

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কাঁচাবাজারে বেশির ভাগ সবজির দাম চড়া। সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শিম, প্রতি কেজি ২০০ টাকা। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে, কেজি ৩০ টাকা। অন্যান্য সাধারণ সবজির বেশির ভাগই ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশির ভাগ সবজি ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শসা পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। তবে দেশি শসার দাম তুলনামূলক বেশি, ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি।

শীতের আগাম সবজি হিসেবে বাজারে আসা শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে। অন্যদিকে পেঁপে মিলছে ৩০ টাকা কেজি দরে।

সবজির বাড়তি দামের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে কাঁচা মরিচের বাজারে। কয়েক সপ্তাহ আগে কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠলেও সরবরাহ বাড়ায় এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দামি সবজির মধ্যে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার দাম ৮০ টাকা কেজি। আকারভেদে লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা পিস এবং কচুরমুখি ৮০ টাকা কেজি দরে।

সবজি কিনতে আসা ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘আজ বেগুন কিনেছি ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা এবং এক পোয়া মরিচ ৪০ টাকায়। সবকিছুর দামই বেশি।’

এদিকে মুরগির বাজারে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমও আগের উচ্চমূল্যেই বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ডিম ১৫৫ টাকা এবং চারটি ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ডিম বিক্রেতা মাসুম বলেন, বর্তমানে ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

মাছের বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তন নেই। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি ১ হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে। মাছের আকার, জীবিত বা মৃত হওয়া এবং বাজারে সরবরাহের ওপর দামের পার্থক্য হচ্ছে। বাজারভেদে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমবেশি হতে পারে।

মাছ বিক্রেতা সুলতান আহমদ বলেন, মাছের দাম আগের মতোই রয়েছে। আজ তেলাপিয়া ২৫০ টাকা ও পাঙাশ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। তাঁর ভাষ্য, মাছের দাম মূলত সরবরাহ ও ক্রেতার উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে। সকালে এক দাম থাকলেও বিকেলে তা পরিবর্তন হতে পারে।

Ads