এমপি লিটন হত্যায় জামায়াত-শিবির জড়িত, অভিযোগ নানকের
০১ জানুয়ারি ২০১৭, ০৫:৩১ পিএম
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক অভিযোগ করে বলেছেন গাইবান্ধার সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম লিটন হত্যায় জমায়াত-শিবির জড়িত।
রবিবার সকাল ১০টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এমপি লিটনের মরদেহ দেখতে এসে উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি ।
নানক অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত-শিবির অনেক দিন থেকেই লিটনকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছিল । অবশেষে তার শেষ রক্ষা হলো না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন, হত্যাকারীরা কোনোভাবেই রেহাই পাবে না।
সংসদ সদস্য লিটন হত্যার পর অন্যদের নিরাপত্তার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নানক বলেন, এ ধরনের কোনো নিরাপত্তাহীনতা বা হুমকি নেই।
এসময় জাহাঙ্গীর কবির নানকের সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ মাহবুব আরা গিনি।
সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিয়ার রহমান জানান, এমপি লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তবে কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তাদের সনাক্ত করতে পুলিশের কয়েকটি টিম অভিযান চালাচ্ছে।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামের নিজ বাড়িতে এমপি লিটনকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। রাত সাড়ে ৭টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এমপি লিটনের শ্যালক বেদারুল আহসান বেতার ও বাড়িতে থাকা এমপি লিটনের কর্মচারী জুয়েল মিয়ার ভাষ্যমতে, শনিবার বিকেলে এমপি লিটন তার বৈঠকখানার ঘরে টেলিভিশন দেখছিলেন। হঠাৎ করে মোটরসাইকেলে করে তিন যুবক এমপি লিটনের বাড়িতে আসে। ওই যুবকরা হেলমেট পড়া ছিল। একজন মোটরসাইকেলে নিয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। দুজন বারান্দায় এসে এমপি লিটনের অবস্থান জানতে চান। পরে তিনি ঘরে আছে বুঝতে পেরে দুই যুবক ঘরের দরজা খুলেই এলোপাথারি গুলি ছোড়ে। এরপর তারা দৌড়ে ঘর থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।



































